রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

তাড়াইলের বাজারে পোড়া কোণার নতুন নোট, উৎস নিয়ে নানা প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তাড়াইলের বাজারে পোড়া কোণার নতুন নোট, উৎস নিয়ে নানা প্রশ্ন

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ৫, ১০ ও ২০ টাকার নতুন কাগুজে নোটের এক বা একাধিক কোণা আগুনে পোড়া অবস্থায় লেনদেন হতে দেখা যাচ্ছে। দেখতে প্রায় ঝকঝকে নতুন হলেও নোটের কোনো কোনো অংশ পোড়া থাকায় এসব নোট নিয়ে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই। কোথা থেকে এসব নোট আসছে, কেনই বা নতুন নোটের কোণা পুড়ে যাচ্ছে—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে কৌতূহল।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সরেজমিনে তাড়াইল সদর বাজার, কাপড়পট্টি, সিএনজি স্ট্যান্ড, বাসস্ট্যান্ডসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিদিনের স্বাভাবিক লেনদেনে পোড়া কোণাযুক্ত নোটের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। বিশেষ করে ৫, ১০ ও ২০ টাকার নোটের মধ্যে এ ধরনের নোট বেশি দেখা যাচ্ছে। অধিকাংশ নোটই দেখতে একেবারে নতুন। কোনো নোটের এক কোণা সামান্য ঝলসে গেছে, আবার কোনো কোনো নোটে পোড়া অংশ বেশ স্পষ্ট।

স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, তাঁরা ব্যাংক থেকে নতুন নোট সংগ্রহ করলেও সেগুলো কীভাবে পরে পোড়া অবস্থায় বাজারে ফিরে আসছে, তা তাঁদের জানা নেই। তাঁদের মতে, বাজারে এ ধরনের নোটের সংখ্যা যদি সত্যিই বেড়ে থাকে, তাহলে বিষয়টি ব্যাংক, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

তাড়াইল সদর বাজারের কয়েকজন পান-সিগারেট বিক্রেতা ও মুদি দোকানদার বলেন, তরুণদের একটি অংশ বিভিন্ন ধরনের মাদকে আসক্ত। তাঁদের ধারণা, কোনো কোনো মাদক সেবনের পদ্ধতিতে কাগুজে নোট ব্যবহারের কারণে নোটের কোণা আগুনে পুড়ে যেতে পারে। তবে এটি তাঁদের ব্যক্তিগত ধারণা। এ দাবির পক্ষে তাঁরা কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

রিকশা, অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া পরিশোধের সময়ও পোড়া কোণাযুক্ত নোট নিয়ে প্রায়ই বাকবিতণ্ডা হচ্ছে বলে জানান স্থানীয়রা। যাত্রীর হাতে থাকা পোড়া কোণাযুক্ত ৫, ১০ বা ২০ টাকার নোট চালক নিতে না চাইলে উভয়ের মধ্যে তর্কাতর্কির সৃষ্টি হয়।

বিশেষ করে স্বল্পমূল্যের ভাড়া পরিশোধের ক্ষেত্রে একটি নোট গ্রহণ না করায় যাত্রীকে নতুন নোট খুঁজতে হয়। কেউ কেউ নোট পরিবর্তন করে দেওয়ার জন্য যাত্রীকে পাশের দোকানে পাঠিয়ে দেন। এতে সামান্য কয়েক টাকার ভাড়া পরিশোধ করতেও অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে। সাধারণ যাত্রীদের মধ্যেও এ নিয়ে ভোগান্তি ও ক্ষোভ বাড়ছে।

স্থানীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হলে তাঁরা জানান, সাধারণত পোড়া নোটের লেনদেন করতে তাঁরা নিরুৎসাহিত করেন। তবে এ ধরনের নোট নিয়ে অনেক সময় গ্রাহকদের সঙ্গে মনোমালিন্য তৈরি হয়।

এক ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, ‘সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, নোটগুলো অনেক সময় একেবারেই নতুন থাকে। নতুন নোট কীভাবে পুড়ে যাচ্ছে, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার।’

ব্যাংক কর্মকর্তারা আরও জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক বা অন্যান্য ব্যাংকের শাখায় ছেঁড়া, ফাটা বা ক্ষতিগ্রস্ত নোট পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত নোটের বিনিময়মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে নোটের অবশিষ্ট অংশ ও ক্ষতির ধরন বিবেচনা করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তাড়াইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, ‘কাগুজে নোটের এক বা একাধিক কোণা কী কারণে পোড়া থাকে, তা নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। কোথাও দুর্ঘটনাজনিত আগুনে পুড়ে যেতে পারে। অন্যান্য কারণও থাকতে পারে।’

তবে বাজারে নতুন নোটের পোড়া অংশের উপস্থিতি কেন বাড়ছে, এর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। ফলে এসব নোটের উৎস ও পোড়ার কারণ নিয়ে স্থানীয়দের কৌতূহলও কাটেনি।

কিশোরগঞ্জের নতুন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের নতুন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান

দুই এলএনজি টার্মিনাল সচল, তবু কাটছে না গ্যাস-সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
দুই এলএনজি টার্মিনাল সচল, তবু কাটছে না গ্যাস-সংকট

আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের সংকট কাটছে না। নতুন একটি এলএনজিবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছানোর পর গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে আমেরিকান কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি চালু হয়েছে। তবে একই সময়ে দেশীয় সামিট গ্রুপের ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। ফলে দুটি টার্মিনাল সচল থাকলেও আজ রোববার সকাল থেকে জাতীয় গ্রিডে মোট ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ টার্মিনাল দুটির সম্মিলিত সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে—এমন প্রত্যাশা ছিল শিল্পকারখানা, আবাসিক গ্রাহক ও পরিবহন খাতসংশ্লিষ্টদের। কিন্তু দুটি টার্মিনাল একসঙ্গে সচল হওয়ার পরও সরবরাহ বেড়েছে সামান্যই। ফলে দীর্ঘদিনের গ্যাস-সংকট থেকে দ্রুত স্বস্তি পাওয়ার যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি।

পেট্রোবাংলার ক্রয় বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, দুটি টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতি মাসে ১১টি কার্গো প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে আসছে মাত্র পাঁচটি। ফলে আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, পরিস্থিতি এখন বেশ এলোমেলো। কবে নাগাদ এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরবে, তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এলএনজি কিনে কক্সবাজারের মহেশখালী উপকূলে থাকা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করে সরকার। টার্মিনাল দুটি নিজেরা এলএনজি আমদানি করে না। আমদানি করা এলএনজিকে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করাই এসব টার্মিনালের মূল কাজ।

এর আগে টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল। পরে ত্রুটি মেরামত করে টার্মিনাল চালু করা হয়। বর্তমানে টার্মিনাল সচল থাকলেও পর্যাপ্ত এলএনজি না পাওয়ায় সরবরাহে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে।

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল যখন এলএনজি-সংকটে ভুগছিল, তখন সামিটের টার্মিনাল তার সক্ষমতার চেয়েও বেশি—সর্বোচ্চ প্রায় ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত—গ্যাস সরবরাহ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সামিটের টার্মিনালও কার্গো-সংকটে পড়েছে। ফলে সরকারি নির্দেশনায় ওই টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এক কর্মকর্তা জানান, রোববার সকাল ১০টায় এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। টার্মিনালটির সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

অন্যদিকে, সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমিয়ে ২৪০ মিলিয়ন ঘনফুট করা হয়েছে। ফলে দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে জাতীয় গ্রিডে ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, সামিটের টার্মিনাল সচল থাকলেও সাগরে বর্তমানে কোনো এলএনজিবাহী জাহাজ নেই। ফলে বাধ্য হয়েই সরবরাহ কমাতে হয়েছে। নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে এলএনজি কেনার পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, উন্মুক্ত দরপত্র বা তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে এলএনজি না কিনে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণ করতে গিয়েই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ডিপিএমের আওতায় অনুমোদিত কোনো এলএনজিবাহী জাহাজও এখন পর্যন্ত দেশে পৌঁছায়নি।

এ অবস্থায় সরকার স্পট মার্কেট থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি কেনার চেষ্টা করছে। তবে সেখান থেকেও কাঙ্ক্ষিত সাড়া মিলছে না। ফলে দুটি ভাসমান টার্মিনাল সচল থাকার পরও জাতীয় গ্রিডে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

গ্যাসের ঘাটতির কারণে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, আবাসিক ও পরিবহন খাতে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘদিনের সরবরাহ সংকটের মধ্যে নতুন করে এলএনজি-সংকট তৈরি হওয়ায় সরকার কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নজরদারি বাড়াচ্ছে মাউশি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নজরদারি বাড়াচ্ছে মাউশি

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের পোস্ট, মন্তব্য, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন কনটেন্ট নতুন পদ্ধতিতে মনিটরিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেছে মাউশি।

গত ১৭ আগস্ট মাউশি অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা ও সরকারি আচরণবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন করা আবশ্যক। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯ (পরিমার্জিত সংস্করণ)’ জারি করা হয়েছে।

মাউশির চিঠিতে আরও বলা হয়, অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে ওই নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণ করছেন কি না, তা পরিবীক্ষণের লক্ষ্যে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, মাউশির আওতাধীন শিক্ষা পরিবারের কোনো সদস্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি নির্দেশিকা পরিপন্থী, আপত্তিকর, বিভ্রান্তিকর, অসত্য, নেতিবাচক কিংবা দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে—এমন কোনো স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও, পোস্ট বা অন্য কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা প্রচার করলে তা নজরে এলে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

এরপর বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’র আহ্বায়ককে ই-মেইলের মাধ্যমে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

মাউশির চিঠিতে এ ধরনের কনটেন্টের তথ্য কমিটির আহ্বায়কের ই-মেইলে পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হয়েছে।

মাউশির এ উদ্যোগের মাধ্যমে অধিদপ্তরের আওতাধীন শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশিকা ও আচরণবিধি যথাযথভাবে অনুসরণের বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কনটেন্টের ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশিকা, দাপ্তরিক শৃঙ্খলা ও প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তির বিষয়টি বিবেচনায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।