শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

যারা পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলে মনে করে বড় জেঠা এসেছে—আমি তাদের বিরুদ্ধে

রেজাউল হক প্রকাশিত: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:০৮ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
যারা পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলে মনে করে বড় জেঠা এসেছে—আমি তাদের বিরুদ্ধে

ইটনায় কর্মী সমাবেশে ফজলুর রহমান

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার রায়টুটি ইউনিয়নের রাজি ঈদগাহ মাঠে শুক্রবার বিএনপির কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান। পাকিস্তানপ্রীতি, মুক্তিযুদ্ধ অস্বীকারকারী গোষ্ঠী, ধর্ম নিয়ে অপপ্রচার এবং নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় অবস্থানসহ সমসাময়িক নানা বিষয়ে তিনি তীব্র অবস্থান জানান।

সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন,
“যারা পাকিস্তান থেকে মন্ত্রী এলে মনে করে বড় জেঠা এসেছে—আমি তাদের বিরুদ্ধে। আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, মুক্তিযোদ্ধার দল করি। বাংলাদেশ মানে না, ’৭১ কে অস্বীকার করে—আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করি।”

তিনি বলেন,
“আমার নেতা শহীদ জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়েছেন। তিনি সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, রাষ্ট্রপতি ছিলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছেন। আমি যে দল করি, সেটা মুক্তিযোদ্ধার দল—বাংলাদেশের দল।”

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“আমার দল আমাকে যে মনোনয়ন দিয়েছে, সেই আস্থার মর্যাদা আমি রাখব। ধানের শীষে বিজয় হবেই। বড় নদী থাকলে মরা গরুও ভেসে যায়—নদীর কিছুই হয় না। তেমনি বিএনপি বড় শক্তি, গণশক্তি—আমাদের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না। ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রামের সব সেন্টারেই ধানের শীষ পাস করবে, ইনশা আল্লাহ।”

ধর্ম নিয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন,
“আমি মুসলমানের ঘরে জন্মেছি। অ, আ পড়ার আগেই আলিফ, বা, তা পড়েছি। আমি নামাজ পড়ি, রোজা রাখি, কলেমা পড়ে ঘর থেকে বের হই। যারা বলে আমি মুসলমান না—তারা মিথ্যাবাদী, বেইমান, বিশ্বাসঘাতক, স্বাধীনতাবিরোধী।”

জামায়াতের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনায় তিনি আরও বলেন,
“৫ আগস্টের পর জামায়াত বলে—’৭১ কোনো যুদ্ধ না, এটা নাকি গন্ডগোল! এটা নাকি ভারতের হিন্দুরা লাগিয়েছে! এ কথা দুই-তিন দিন শুনেছি। তারপর আর মানতে পারিনি। আওয়ামী লীগ পালিয়েছে বলে মুক্তিযুদ্ধকে খারাপ দেখাবে—এটা হতে পারে না।”

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাঁর আবেগী বক্তব্য—
“৩০ লাখ মানুষ মারা গেল, দুই লাখ মা-বোনের ইজ্জত দিল, এক কোটি মানুষ দেশ ছাড়ল। আমাদের সোনার বাংলা পুড়ে ছারখার হলো। এরা বলে যুদ্ধ হয়নি—আপনারা কি মানবেন?”

ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র ও সংখ্যালঘু অধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“ব্যক্তিগতভাবে আমি মুসলমান, ধর্ম পালন করি। কিন্তু এই রাষ্ট্রে হিন্দু–বৌদ্ধ–খ্রিস্টান সবাই সমান অধিকার পাবে। এটা বাংলাদেশের নীতি, বিএনপির নীতি।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন রায়টুটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এলিম হোসেন

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন—

  • উম্মে কুলসুম রেখা — সাবেক সহসভাপতি, জেলা বিএনপি

  • আমিনুল ইসলাম রতন — সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জেলা বিএনপি

  • এস এম কামাল হোসেন — সভাপতি, ইটনা উপজেলা বিএনপি

  • মনির হোসেন — সিনিয়র সহসভাপতি

  • পলাশ রহমান — যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক

  • তারিকুল ইসলাম জুয়েল — সাংগঠনিক সম্পাদক
    এছাড়াও স্থানীয় ও উপজেলা বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

সমাবেশজুড়ে ফজলুর রহমানের বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ, বিএনপির আদর্শ, গণতন্ত্র, ধর্মীয় সমতা ও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলের প্রত্যাশা স্পষ্টভাবে উঠে আসে। তাঁর বক্তব্যে কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস ও আত্মবিশ্বাস দেখা যায়।


তাড়াইলে ডা. জেহাদ খানের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা

শাহীন আলম প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:২৬ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে ডা. জেহাদ খানের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে দুই শতাধিক মানুষের চিকিৎসাসেবা

দেশের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও কিশোরগঞ্জ–৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খানের উদ্যোগে তাড়াইল–সাচাইল ইউনিয়নের পাইকপাড়ায় আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে স্থানীয় মানুষের ব্যাপক সাড়া মিলেছে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল থেকে পাইকপাড়া হোসাইনিয়া বাবুলউলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ ক্যাম্পে দুই শতাধিক নারী–পুরুষ মেডিসিন, হৃদরোগ, চর্মরোগ, গাইনি ও স্ত্রীরোগসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, ‘এ ধরনের ক্যাম্পের কারণে এলাকার মানুষের জন্য চিকিৎসা পাওয়া সহজ হয়েছে। যারা সময়মতো ডাক্তার দেখাতে পারেন না, তারা আজ সুবিধা পেয়েছেন।’
চিকিৎসা নিতে আসা শাহানারা বেগম বলেন, ‘হৃদরোগের পরীক্ষা করতে আগে দূরে যেতে হতো। আজ ক্যাম্পে এসে চেকআপ করিয়ে স্বস্তি পেয়েছি।’

হাফিজুল ইসলাম জানান, তিনি দীর্ঘদিন চর্মরোগে ভুগছিলেন। ক্যাম্পে এসে চিকিৎসকদের কাছ থেকে সময় নিয়ে পরামর্শ নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধও পেয়েছেন।
রুবিনা আক্তার বলেন, ‘আমরা গ্রামের মানুষ। গাইনি সমস্যায় চিকিৎসা পেতে কষ্ট হত। আজ একদম বিনা খরচে সেবা পেয়েছি।’

ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খানের নেতৃত্বে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন ডা. ফয়সাল আহমেদ। ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুসলেহ উদ্দিন সুমন, তাড়াইল উপজেলা আমির হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া, তাড়াইল–সাচাইল ইউনিয়ন সভাপতি মাওলানা আবু সাইদ, দিগদাইড় ইউনিয়ন সভাপতি শরিফুল, ধলা ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল বাতেন, সাবেক সভাপতি খায়রুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা।
পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন তাড়াইল উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মাওলানা রবিউল ইসলাম।

‘দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে দেশ, বাদ নেই কিশোরগঞ্জ–হোসেনপুর’ — হেদায়েতুল্লাহ হাদী

শাহীন আলম প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:১২ অপরাহ্ণ
‘দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে দেশ, বাদ নেই কিশোরগঞ্জ–হোসেনপুর’ — হেদায়েতুল্লাহ হাদী

কিশোরগঞ্জ–১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হেদায়েতুল্লাহ হাদী বলেছেন, “দেশজুড়ে দুর্নীতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। আমার নির্বাচনী এলাকা কিশোরগঞ্জ এবং হোসেনপুরও এর বাইরে নয়। এমপি থেকে শুরু করে পৌরসভা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যপর্যন্ত দুর্নীতির বিস্তার দেখা যায়। এই দুর্নীতিবিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসেবেই আমি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।”

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের জনশক্তি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাদী এ মন্তব্য করেন।

সভায় জেলা শাখার সভাপতি মুহাম্মদ মোকাররম হুসাইনের সভাপতিত্ব এবং সহসভাপতি মুহাম্মদ মুযাক্কির হুসাইনের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় বায়তুল মাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান।

প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ। বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোল্লা মুহাম্মদ খালিদ সাইফুল্লাহ।

এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সমাজকল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল আহাদ, কেন্দ্রীয় আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক মুহাম্মাদ আশিকুর রহমান, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুহাম্মদ শাহরিয়ার আলম।


মাসুদ হিলালীর বাসায় সাক্ষাৎ করতে গেলে ফিরিয়ে দেওয়া হলো মাজহারুল ইসলামকে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:০২ অপরাহ্ণ
মাসুদ হিলালীর বাসায় সাক্ষাৎ করতে গেলে ফিরিয়ে দেওয়া হলো মাজহারুল ইসলামকে

সাবেক সংসদ সদস্য জনাব মাসুদ হিলালীর বাসায় সাক্ষাৎ করতে গেলে ফিরিয়ে দেওয়া হলো মাজহারুল ইসলামকে। কিশোরগঞ্জের রাজনীতিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র সুপরিচিত মুখ এই প্রবীণ নেতা ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

বৃহস্পতিবার(৪ ডিসেম্বর) বিকালে আচমকা ঘোষিত বিএনপি’র ৩৬ মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীর তালিকায় কিশোরগঞ্জ-১ আসনে মনোনীত হন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম। সন্ধ্যায় তিনি প্রবীণ এই নেতার সঙ্গে দেখা করতে শোলাকিয়ার তার বাসায় গেলে দরজায় পৌঁছানোর পরই তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এতে স্পষ্ট হয়—দেশনেত্রীর অসুস্থতার সময় হঠাৎ মনোনয়ন তালিকা ঘোষণা এবং কিশোরগঞ্জে মাজহারুল ইসলামের মনোনয়ন নিয়ে এ প্রবীণ নেতার মধ্যে গভীর অসন্তোষ রয়েছে।

আমাদের প্রতিনিধি শোলাকিয়ার স্থানীয় এক মহিলাকে বলতে শুনেছেন—“মাজহার সাহেব আজকে লোক দেখাতে এই সাক্ষাৎ নাটক করতে আসছে।”

কিন্তু কেন?

এর উত্তরের জন্য কয়েক মাস পেছনে যেতে হয়। গত সেপ্টেম্বরে দীর্ঘ ৯ বছর পর বিএনপির জেলা কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসন পতনের পর দলীয় কর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ থাকলেও তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে—তৃণমূল কমিটি গঠনে পক্ষপাতিত্ব, কাউন্সিলে নিজের পছন্দের লোকদের অগ্রাধিকার দেওয়া ইত্যাদি।

সবশেষে কাউন্সিলের দিন সবচেয়ে বড় অভিযোগ প্রকাশ পায়—এত বড় কাউন্সিল অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত এবং মহাসচিব উপস্থিত থাকলেও জেলার অনেক সিনিয়র নেতা আমন্ত্রণই পাননি। যাদের মধ্যে সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামের অগ্রজ নেতা জনাব মাসুদ হিলালী অতিথি হিসেবেও আমন্ত্রণ পাননি। সাংগঠনিকভাবে অদক্ষতার অভিযোগের মধ্যেই তিনি তার পূর্ববর্তী নেতৃত্বের কথা বলে কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হন—যা আওয়ামী আমলে তার কার্যক্রমকে ঘিরে অনেকের প্রশ্নের জন্ম দেয়।

জনাব মাসুদ হিলালীর এলাকার ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি, পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকে, ২০০১ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানান—যখন সারাদেশে বিএনপির জোয়ার, তখন জনাব মাজহারুল ইসলাম নৌকার ব্যাজ পরে সৈয়দ আশরাফের পক্ষে নির্বাচন করেন এবং মাত্র কয়েক হাজার ভোটের ব্যবধানে ধানের শীষের প্রার্থী মাসুদ হিলালী পরাজিত হন।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীদের প্রতিক্রিয়াতেও অসন্তোষ স্পষ্ট। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের অন্যতম কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও জজ জনাব রেজাউল করিম খান চুন্নু এবং সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেলসহ অনেকে মনে করেন—আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার সময়ে হঠাৎ করে মনোনয়ন তালিকা ঘোষণা দলের ভেতর বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার পরিকল্পিত চেষ্টা। একই সঙ্গে তৃণমূলে অজনপ্রিয় মাজহারুল ইসলামের মনোনয়ন কিশোরগঞ্জে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

সবাই দেশমাতার অসুস্থতার এই সময়ে নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরতে, ব্যক্তিস্বার্থ ভুলে বেগম জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া করতে আহ্বান জানান। কারণ—দেশের এই কঠিন সময়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অভিভাবক বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা সবার আগে।