শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক বিবরণ দিলেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক বিবরণ দিলেন প্রেস সচিব শফিকুল আলম

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে নিজের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার বিবরণ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি অভিযোগ করেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার সেই সময় থেকে যুবলীগ–ছাত্রলীগকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ভয় দেখানো, আক্রমণ ও হত্যার কৌশল বারবার প্রয়োগ করেছে, যার শেষ পরিণতিতে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তারা পুরো জাতির প্রতিরোধের মুখে পড়ে।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি শাপলা চত্বরের রাতের বিভীষিকাময় মুহূর্তগুলোর কথা তুলে ধরেন।

শফিকুল আলম লিখেছেন, সাধারণত শাপলা স্কয়ার এলাকায় যা ঘটেছিল, সেটাকেই ‘শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড’ বলা হয়। ৫ মে রাতেই শাপলা চত্বর, পল্টন, বিজয়নগর, নাইটিঙ্গেল মোড় ও মতিঝিলে সহিংসতার খবর আসতে শুরু করে। সেই সময় তিনি এএফপি’র ঢাকার দফতরে ছিলেন, যা ছিল বর্তমান বিডিবিএল ভবনে।

তিনি বলেন, “আমাদের জানালা থেকে শাপলা চত্বরজুড়ে কয়েক দশক হাজার হেফাজত সমর্থকের ভিড় দেখা যাচ্ছিল। রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক-দুটি লাশ সেখানে আনা হয়। আমরা জানতাম না তারা কোথায় বা কীভাবে মারা গেছে।”

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, রাত ৮টার দিকে প্রথম বড় তথ্যটি তারা পান—শাহিদবাগ-মালিবাগের বারাকা জেনারেল হাসপাতালে ছয়জন হেফাজত সমর্থকের লাশ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি লাশের মাথায় গুলির চিহ্ন ছিল। হাসপাতালের ম্যানেজার ঘটনাটি নিশ্চিত করলেও আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে দ্বিতীয় উৎস থেকেও নিশ্চিত হওয়ার পর এএফপি খবর প্রকাশ করে।

এরপর কাকরাইলের ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে আরও লাশের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। শফিকুল আলম লিখেছেন, ভোরে কাঁচপুর–সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় পরিবহন বন্ধ থাকায় হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে হেফাজতের একটি বড় দলের ওপর বিজিবি গুলি চালায়, যেখানে প্রায় ২০ জন নিহত হয়।

তিনি বলেন, সেই সময় আওয়ামী লীগ নেতারা, আইজিপি এবং ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেন যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে হত্যা করেছে। বরং দাবি করেন অভিযানে খুব সামান্য হতাহত হয়েছে। অথচ তাদের হিসাবে মৃত্যুর সংখ্যা ৪৯–এ পৌঁছায়। পরে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের হিসাবও প্রায় ৬০ মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করে।

পোস্টে তিনি আরও দাবি করেন, পল্টন ও আশপাশের এলাকায় অনেক হত্যাকাণ্ডই করেছে অস্ত্রধারী যুবলীগ–ছাত্রলীগের কর্মীরা। তাদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত দুজনের নামও উল্লেখ করেন—জাহিদ সিদ্দিকী তারেক এবং রিয়াজ মিল্কি। পরবর্তীতে তারেক সিসিটিভিতে ধরা পড়া ঘটনায় মিল্কিকে হত্যা করে এবং পরে র‍্যাবের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়।

ফেসবুক পোস্টের শেষ অংশে শফিকুল আলম লিখেন, গত ১১ বছর আওয়ামী লীগ একই কৌশল ব্যবহার করেছে—প্রতিপক্ষকে দমন করতে যুবলীগ–ছাত্রলীগকে কাজে লাগানো। তবে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তারা পুরো জাতির ব্যাপক প্রতিরোধের মুখে পড়ে।

শোকে স্তব্ধ মিঠামইন, লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জাহাঙ্গীরের শেষ বিদায়

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ণ
শোকে স্তব্ধ মিঠামইন, লাখো মানুষের উপস্থিতিতে জাহাঙ্গীরের শেষ বিদায়

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সাময়িকভাবে পদ স্থগিত হওয়া সভাপতি এসএম জাহাঙ্গীর আলমের নামাজে জানাজা শুক্রবার (১৭ জুলাই) জুমার নামাজের পর মিঠামইন হেলিপ্যাড মাঠে (কেন্দ্রীয় মাঠ) অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় অংশ নেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। স্থানীয়রা উপস্থিতির সংখ্যা প্রায় লক্ষাধিক বলে জানিয়েছেন। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

জানাজায় অংশ নেন সরকারের বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম রতন, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী ইসরাঈল মিয়া,  জেলা বিএনপির সাবেক যুব বিষয়ক সম্পাদক ও করিমগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম (ভিপি) সুমন, জেলা যুবদলের সভাপতি খসরুজ্জামান (জিএস) শরীফ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ সুমন, অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মুকুল, ইটনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুজ্জামান ঠাকুর স্বপনসহ জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরগঞ্জ শহীদী মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় স্বজন, সহকর্মী ও সমর্থকদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। শেষ বিদায়ে উপস্থিত মানুষের অনেকেই এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

গত বুধবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিঠামইন উপজেলা সদরের কামালপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হন এসএম জাহাঙ্গীর আলম। স্থানীয় সূত্র জানায়, বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন হামলাকারী দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। হামলায় তার সঙ্গে থাকা বিএনপি কর্মী হাদিস মিয়াও আহত হন।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত হাদিস মিয়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতিও উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পেছনের কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের দিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের কৃতি সন্তান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হয়েছে। এ সময় তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের কবরস্থানে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং ছাত্রনেতারা।

কর্মসূচির শুরুতে শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে কবর জিয়ারত শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণ কামনার পাশাপাশি জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা অটুট রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত জুলাই যোদ্ধা ও ছাত্রনেতারা বলেন, “শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহসহ জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন তাঁরা বুকে ধারণ করেছিলেন, সেই আদর্শ বাস্তবায়নে তরুণ প্রজন্ম ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।”

বক্তারা আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করাই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন। একই সঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য ড. ওসমান ফারুক তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়েছেন। এ সময় তিনি সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বয় এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা আক্তার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন

সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ বিভাগের চলমান কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প, জনসেবার অগ্রগতি, বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন। তারা সেবার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ও তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ওসমান ফারুক বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা ও সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মেহেদী হাসান টিটু, তাড়াইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন লিটন, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আলম, সাবেক সভাপতি ছাইদু জামান মোস্তুফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহারিয়ার খান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা শেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

পরে ২০২৬ সালের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন ড. ওসমান ফারুক। এ সময় অতিথিরা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শিক্ষার মানোন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41