বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

নগর পরিচ্ছন্নতায় তারেক রহমানের নির্দেশনায় ব্যানার অপসারণে ছাত্রদল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নগর পরিচ্ছন্নতায় তারেক রহমানের নির্দেশনায় ব্যানার অপসারণে ছাত্রদল

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে লাগানো ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ কর্মসূচি শুরু করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। নগর পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং জনদুর্ভোগ কমানোর লক্ষ্যে তারেক রহমানের অভিপ্রায়েই এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

শুক্রবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর শাহবাগ থানা এলাকার সামনে লাগানো ব্যানার অপসারণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাবিক ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির।

এ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারা নিজেরাই ব্যানার খুলে কর্মসূচির সূচনা করেন। পরে শাহবাগসহ আশপাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও স্থাপনায় লাগানো ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করা হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক রাজু আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, শাহবাগ থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল হোসেন সাদ্দামসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

কর্মসূচি চলাকালে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাবিক বলেন, “তারেক রহমান আমাদের রাজনৈতিক অনুপ্রেরণা। তিনি চান না কোনো উৎসব বা আনন্দের নামে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হোক কিংবা নগরের সৌন্দর্য নষ্ট হোক। জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তার নির্দেশনায় আমরা স্বেচ্ছায় ব্যানার অপসারণ কর্মসূচি শুরু করেছি।”

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির বলেন, “ছাত্রদল সবসময় দায়িত্বশীল ও ইতিবাচক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। আমরা চাই রাজনৈতিক কর্মসূচি হোক শৃঙ্খলাবদ্ধ ও পরিবেশবান্ধব। এই উদ্যোগ সেই বার্তাই বহন করে। আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছায় ব্যানার ও ফেস্টুন অপসারণ করবেন।”

নেতারা জানান, রাজধানীর পাশাপাশি দেশের সব জায়গায় পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ব্যানারনির্ভর প্রচারের পরিবর্তে জনসংযোগমূলক ও সচেতনতাভিত্তিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্ব দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা ছাত্রদলের এই উদ্যোগকে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।

কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কটিয়াদীতে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে কটিয়াদীতে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত ও সরকারি খাদ্য মজুদ শক্তিশালী করতে এ কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (১১ মে) সকালে উপজেলা খাদ্যগুদাম প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন ও সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কনক কান্তি দেবনাথ, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. গোলাম ফারুক চাষী, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, মিজানুর রহমান স্বপন, মো. শহিদুল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিটু, শামসুল হক চাঁন মিয়া মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াস আলীসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন রাইস মিল মালিক, মিল মালিক সমিতির সদস্য এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে কটিয়াদী উপজেলায় সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ১ হাজার ৪১৯ মেট্রিক টন ধান এবং মিল মালিকদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৫১ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সরকারি নির্ধারিত দরে প্রতি কেজি ধান ৩৬ টাকা এবং প্রতি কেজি চাল ৪৯ টাকা দরে ক্রয় করা হবে বলে জানিয়েছে খাদ্য বিভাগ।

বক্তারা বলেন, কৃষকের উৎপাদিত ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হলে কৃষক যেমন লাভবান হবেন, তেমনি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এটি সহায়ক হবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কৃষকবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত মজুদ নিশ্চিত করতে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে।

পূর্ব বিরোধের জেরে কিশোরগঞ্জে সংঘবদ্ধ হামলা, আহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:৪৫ অপরাহ্ণ
পূর্ব বিরোধের জেরে কিশোরগঞ্জে সংঘবদ্ধ হামলা, আহত ৪

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মহিনন্দ চরপাড়া এলাকায় পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই পরিবারের চারজনসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার বাদী মো. আবুর বাসার ওরফে রতন মিয়া অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা ও গাছপালা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে গত ৫ মে মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়।

অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা বসতঘরে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের মারধর ও কুপিয়ে জখম করে। এ সময় ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। হামলায় রতন মিয়ার ছেলে উজ্জ্বল মিয়া ও কামরুল হাসান, স্ত্রী মমতা বেগম এবং মেয়ে দিনা আক্তার গুরুতর আহত হন।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। এছাড়া আরও কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

বাদীর দাবি, হামলাকারীরা বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর করে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধন করেছে। একই সঙ্গে ঘর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনকে আসামি করে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩২৬, ৩০৭, ৪২৭, ৩৮০, ৫০৬ ও ৩৪ ধারাসহ একাধিক ধারা উল্লেখ করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি উন্নয়নে তাড়াইলে কৃষি সমৃদ্ধি প্রকল্পের আয়োজন

ওয়াসিম সোহাগ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ৮:২৩ অপরাহ্ণ
প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি উন্নয়নে তাড়াইলে কৃষি সমৃদ্ধি প্রকল্পের আয়োজন

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে কৃষি সমৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষিকে আরও আধুনিক, পুষ্টিনির্ভর ও উদ্যোক্তাবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের “প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার)” প্রকল্পের অধীনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সোমবার (১২ মে ২০২৬) উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এ কংগ্রেসের আয়োজন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ ড. মো. সাদিকুর রহমান, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, কিশোরগঞ্জ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ ড. মো. মফিজুল ইসলাম, উপপরিচালক, হর্টিকালচার সেন্টার, গাইটাল, কিশোরগঞ্জ।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বিকাশ রায়। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিদা আক্তার। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা কৃষিবিদ জান্নাতুল ফেরদৌসীসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

কংগ্রেসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত কৃষক-কৃষাণী, কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা ও স্থানীয় উদ্যোক্তারা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে কৃষিকে আরও লাভজনক ও টেকসই করতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির ব্যবহার, পুষ্টিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির বিষয় তুলে ধরা হয়।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনো অনেকাংশে কৃষিনির্ভর। তাই কৃষিকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি কৃষকদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।

তারা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিকল্প নেই। কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

অনুষ্ঠি শেষে কৃষকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন অতিথিরা এবং মাঠপর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রম আরও জোরদার করার আহ্বান জানান।