সংসদ ভবনে আসতে শুরু করেছেন নবনির্বাচিত এমপিরা, সকাল ১০টায় শপথ
সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে আসতে শুরু করেছেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে সংসদ ভবনের গেটে নবনির্বাচিত এমপিদের বহনকারী গাড়ি প্রবেশ করতে দেখা যায়।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা মঙ্গলবার সকাল ১০টায় শপথ গ্রহণ করবেন। সংসদ ভবনের শপথকক্ষে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। শপথ বাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন।
রেওয়াজ অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের আগে শপথ পড়ানো হবে। সে অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল ১০টায় বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন।
এদিকে শপথ অনুষ্ঠান উপলক্ষে সংসদ ভবন ও এর আশপাশে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই করা হচ্ছে।
টানা তিনটি সংসদ, অর্থাৎ প্রায় ১৫ বছর পর বিএনপির নেতারা সংসদ ভবনে প্রবেশ করছেন। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন বয়কট করে দলটি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও ভোটগ্রহণের দিন দুপুরে কারচুপির অভিযোগ এনে বিএনপি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয়। তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খোলা আকাশের নিচে প্রধানমন্ত্রী এবং পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের হাজারো অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
শপথ অনুষ্ঠানে সার্কভুক্ত দেশগুলোর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে রয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের প্রতিনিধি এবং সার্কভুক্ত অন্যান্য ছয়টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রতিনিধিরা।
অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে অনুলিপি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তালিকায় রয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও), পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি), সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং বিজিবি, র্যাব ও কোস্টগার্ডসহ সব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মহাপরিচালকরা।










