শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

না ফেরার দেশে কুলিয়ারচরের জননন্দিত নেতা নুরুল মিল্লাত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
না ফেরার দেশে কুলিয়ারচরের জননন্দিত নেতা নুরুল মিল্লাত

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সভাপতি, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কুলিয়ারচর পৌরসভার সাবেক মেয়র জননেতা নূরুল মিল্লাত আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেন। জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাঁকে দ্রুত বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুরে অবস্থিত জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, দুই মেয়ে এবং অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে কুলিয়ারচর উপজেলা ও পৌর এলাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ভাষ্য, একজন সৎ, জনপ্রিয় ও ত্যাগী নেতাকে হারিয়ে এলাকাবাসী গভীরভাবে শোকাহত।

কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদ সাইফুল্লাহ ভিপি সোহেলসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা পৃথক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

তার মৃত্যুতে কুলিয়ারচর উপজেলা ও পৌর বিএনপি তিন দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাজ ধারণ, কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া মাহফিল আয়োজন।

শুক্রবার বাদ আছর কুলিয়ারচর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হবে।

নূরুল মিল্লাত ১৯৫১ সালে কুলিয়ারচর পৌর এলাকার খরকমারা গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম মৌলভী আবুল কারাহ মোহাম্মদ নুরুল্লাহ।

তিনি ১৯৭৪ সালে ঢাকা কলেজ থেকে শিক্ষাজীবন শেষ করেন। ১৯৭৭ সালে কুলিয়ারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং টানা চারবার চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং সরকারের পক্ষ থেকে স্বর্ণপদক লাভ করেন।

তিনি দুইবার কুলিয়ারচর পৌরসভার মেয়র এবং একবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং সর্বশেষ ২০২২ সালের ২ এপ্রিল উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

এছাড়া তিনি কিশোরগঞ্জ মাল্টিপারপাস সোসাইটির ভাইস চেয়ারম্যান, কুলিয়ারচর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাইস চেয়ারম্যান এবং কুলিয়ারচর কিন্ডারগার্টেনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

রাজনৈতিক সহকর্মীরা বলেন, “নূরুল মিল্লাত ছিলেন একজন সাহসী, সৎ ও ত্যাগী রাজনীতিবিদ। জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে তিনি আজীবন মানুষের হৃদয়ে থাকবেন।”

সাধারণ মানুষের ভাষ্যও একই—তিনি ছিলেন এলাকার মানুষের আস্থার প্রতীক। তাঁর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

মহান আল্লাহ তায়ালা যেন মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং তাঁর পরিবারকে এই শোক সইবার তাওফিক দান করেন—এই কামনাই এখন সর্বস্তরের মানুষের।

শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর আত্মত্যাগ স্মরণে কুলিয়ারচরে শ্রদ্ধা ও দোয়া

জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের কৃতি সন্তান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও কবর জিয়ারত করা হয়েছে। এ সময় তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) কুলিয়ারচর উপজেলার সালুয়া ইউনিয়নের কবরস্থানে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী এবং ছাত্রনেতারা।

কর্মসূচির শুরুতে শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। পরে কবর জিয়ারত শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

মোনাজাতে দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও সার্বিক কল্যাণ কামনার পাশাপাশি জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা অটুট রাখার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে আন্দোলনে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত জুলাই যোদ্ধা ও ছাত্রনেতারা বলেন, “শহীদ ইফতি আব্দুল্লাহসহ জুলাই বিপ্লবের সকল শহীদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও স্বৈরাচারমুক্ত রাষ্ট্র গঠনের যে স্বপ্ন তাঁরা বুকে ধারণ করেছিলেন, সেই আদর্শ বাস্তবায়নে তরুণ প্রজন্ম ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে।”

বক্তারা আরও বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁদের আদর্শকে ধারণ করাই হবে প্রকৃত শ্রদ্ধা নিবেদন। একই সঙ্গে দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তাঁরা।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় জুলাই যোদ্ধা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময়, বৃক্ষরোপণ ও কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় ড. ওসমান ফারুক

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের সংসদ সদস্য ড. ওসমান ফারুক তাড়াইল উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়েছেন। এ সময় তিনি সরকারি সেবার মানোন্নয়ন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সমন্বয় এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন তাড়াইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা আক্তার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল আমিন

সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা নিজ নিজ বিভাগের চলমান কার্যক্রম, উন্নয়ন প্রকল্প, জনসেবার অগ্রগতি, বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন। তারা সেবার মানোন্নয়ন এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ও তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ওসমান ফারুক বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা ও সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মেহেদী হাসান টিটু, তাড়াইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন লিটন, সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার আলম, সাবেক সভাপতি ছাইদু জামান মোস্তুফা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহারিয়ার খান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় সভা শেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন সংসদ সদস্য। এ সময় তিনি পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

পরে ২০২৬ সালের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন ড. ওসমান ফারুক। এ সময় অতিথিরা শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করেন।

অনুষ্ঠানের শেষপর্বে শিক্ষার মানোন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জনকল্যাণমূলক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

জুলাই শহীদদের স্মরণে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ণ
জুলাই শহীদদের স্মরণে কুলিয়ারচর উপজেলা প্রশাসনের আলোচনা সভা

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬’ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁদের অবদান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই শহীদদের অবদান তুলে ধরা এবং তাঁদের আদর্শ ধারণ করার আহ্বানও জানান বক্তারা।

আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করা হয়। পরে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালন করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো একইভাবে উদযাপন করা হবে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41