‘ইচ্ছা করেই অ্যাকশন ভেঙেছিলাম’—সাকিবের স্বীকারোক্তি
২০২৪ সালে সারের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলতে গিয়ে সাকিব আল হাসানের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। লাফবরো বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বছরের ডিসেম্বরে নেওয়া পরীক্ষায় তাঁর অ্যাকশন ত্রুটিপূর্ণ প্রমাণিত হলে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) সাকিবকে বোলিং নিষিদ্ধ করে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও একই নিয়মে নিষিদ্ধ হন তিনি।
সম্প্রতি ইউটিউব চ্যানেল ‘বিয়ার্ড বিফোর উইকেট’–এর পডকাস্টে বিস্ময়কর তথ্য দেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। সাকিব জানান—সারের হয়ে ওই সময় ‘কিছুটা ইচ্ছা করেই’ অবৈধ বোলিং অ্যাকশনে বল করেছিলেন তিনি।
হাশিম আমলার উপস্থাপনায় রেকর্ড করা ওই অনুষ্ঠানে সাকিব বলেন, সমারসেটের বিপক্ষে টনটনে চার দিনের ম্যাচে তাঁকে ৭০ ওভারের বেশি বোলিং করতে হয়েছিল। পাকিস্তানে টানা দুটি টেস্ট খেলে ইংল্যান্ডে ফিরে এসে এত দীর্ঘspell তাঁকে শারীরিকভাবে ক্লান্ত করে তোলে, যার প্রভাব পড়ে তাঁর অ্যাকশনে।
সাকিব বলেন, আম্পায়ার চাইলে তাঁকে আগে সতর্ক করতে পারতেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী সন্দেহজনক অ্যাকশন হলে আম্পায়াররা রিপোর্ট করতে বাধ্য—তাই তিনি কোনো অভিযোগ করেননি। প্রথম পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ার পর ফলাফল দেখে নিজের ভুল বোঝেন। সারের কোচিং সেটআপের সহায়তায় নিয়মিত অনুশীলনে অ্যাকশন ঠিক করতে সক্ষম হন তিনি।
এরপর চেন্নাইয়ের পরীক্ষায় ব্যর্থ হলেও লাফবরো বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃতীয়বার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে সক্ষম হন সাকিব। চেন্নাইয়ে অকৃতকার্য হওয়ার পর তাঁকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে রাখা হয়নি। তবে ব্যাটসম্যান হিসেবে সব প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল তাঁর।
বর্তমানে সাকিব খেলছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইন্টারন্যাশনাল টি–টোয়েন্টি লিগে, এমআই এমিরেটসের হয়ে। শারজা ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ম্যাচে লিগে তাঁর অভিষেক হয়। ব্যাট হাতে ১২ বলে ১৬ রান করার পর কৌশলগত কারণে তাঁকে ‘রিটায়ার্ড আউট’ করা হয়—স্বীকৃত টি–টোয়েন্টি ম্যাচে এটি তাঁর প্রথম এবং দেশের দ্বিতীয় ঘটনা।










