রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

নিরাপত্তা উদ্বেগে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ দেখতে না যাওয়ার পরামর্শ ব্লাটারের

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নিরাপত্তা উদ্বেগে যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ দেখতে না যাওয়ার পরামর্শ ব্লাটারের

ফিফার সাবেক প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটার মনে করেন, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে এ বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে সমর্থকদের সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়াই শ্রেয়। সোমবার তিনি এ বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত দেন।

ব্লাটার এই বক্তব্যের মাধ্যমে দুর্নীতিবিরোধী আইনজীবী মার্ক পিথ–এর মন্তব্যকে সমর্থন করেছেন। ফিফার সংস্কার কার্যক্রমে ব্লাটারের দায়িত্বকালীন সময়ে পিথ তার সঙ্গে কাজ করেছিলেন। পিথ আগেই পরামর্শ দিয়েছিলেন, সমর্থকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ দেখা থেকে বিরত থাকা উচিত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্লাটার লেখেন, “এই বিশ্বকাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার ক্ষেত্রে মার্ক পিথ সঠিক পথে রয়েছেন।”

জানুয়ারির শুরুতে মিনিয়াপলিসে ইমিগ্রেশন এজেন্টদের গুলিতে বিক্ষোভকারী রেনি গুডে নিহত হওয়ার ঘটনাকে সমর্থকদের যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়ার একটি প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন পিথ। এছাড়া গত সপ্তাহে আরেক মার্কিন নাগরিক অ্যালেক্স প্রেত্তি–র মৃত্যুর ঘটনাকেও তিনি উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন। এসব বক্তব্যের প্রতি ব্লাটারও সমর্থন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল যৌথভাবে আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত।

সুইজারল্যান্ডের দৈনিক তাগেস-আনজেইগার–কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিথ বলেন, দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক বিরোধীদের কোণঠাসা করা এবং ইমিগ্রেশন বিভাগের অপব্যবহার—সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভক্তদের জন্য উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি করছে।

তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, “ভক্তদের একটাই উপদেশ—যুক্তরাষ্ট্র এড়িয়ে চলুন। বরং টেলিভিশনে খেলা দেখাই নিরাপদ ও সুবিধাজনক।”

পিথ আরও সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সামান্য টানাপোড়েনই কাউকে দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানোর কারণ হতে পারে। ভাগ্য ভালো থাকলে কেউ কেউ হয়তো তা এড়িয়ে যেতে পারবেন।

২০১৫ সালে ফিফায় একাধিক দুর্নীতির কেলেঙ্কারি প্রকাশ পাওয়ার পর ব্লাটার ফিফা প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়েন। পরে তার স্থলাভিষিক্ত হন বর্তমান সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

২০১১ সালে সাবেক উয়েফা প্রেসিডেন্ট মিশেল প্লাতিনি–কে ২০ লাখ সুইস ফ্রাঁ পরামর্শ ফি দেওয়ার মামলায় গত বছর ব্লাটার ও প্লাতিনি চূড়ান্তভাবে খালাস পান।

ফ্রান্সের সাবেক তারকা ফুটবলার প্লাতিনি এই মাসের শুরুতে ইনফান্তিনোকে সমালোচনা করে বলেন, “বর্তমান ফিফা প্রধান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন। তিনি এখন স্বৈরাচারী হয়ে পড়েছেন এবং ধনী ও প্রভাবশালীদেরই বেশি পছন্দ করেন।”

কিশোরগঞ্জে ‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি’ প্রশিক্ষণ শুরু

রেজাউল হক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:১০ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে ‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি’ প্রশিক্ষণ শুরু

সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং পুষ্টিবিষয়ক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে ‘সুস্বাস্থ্যের জন্য ফলিত পুষ্টি’ বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়নুল আলম তালুকদার। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ চলবে।

বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (বারটান), কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণে এসএএও, শিক্ষক-শিক্ষিকা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা, তথ্য আপা, সাংবাদিক, ইমাম-পুরোহিত ও এনজিও কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জয়নুল আলম তালুকদার বলেন, ‘সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বেশি করে শাকসবজি রাখা প্রয়োজন। শুধু সাদা ফুলকপি নয়, বর্তমানে বাজারে সবুজ, হলুদ, কমলা ও বেগুনি রঙের ফুলকপিও পাওয়া যাচ্ছে। এসব সবজিতে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কমলা ও হলুদ রঙের ফুলকপিতে বিটা-ক্যারোটিনসহ ক্যারোটিনয়েড থাকে, যা শরীরে ভিটামিন ‘এ’-তে রূপান্তরিত হয়। অন্যদিকে, বেগুনি ফুলকপির রঙের জন্য দায়ী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অ্যান্থোসায়ানিন। তাই খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি রাখা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।’

প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন বারটানের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম, সহকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহাগ মিয়া এবং কিশোরগঞ্জ সেন্ট্রাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি আশরাফুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা।

প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষকরা সুস্বাস্থ্যের জন্য সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস এবং দৈনন্দিন জীবনে পুষ্টির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতা তৈরিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের পুষ্টিবিষয়ক জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্র ও সমাজে পুষ্টিবিষয়ক সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

বিদায়ের শেষ মুহূর্তে সাংবাদিকদের নিয়ে চা-চক্রে কুলিয়ারচরের ইউএনও

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২:৪১ অপরাহ্ণ
বিদায়ের শেষ মুহূর্তে সাংবাদিকদের নিয়ে চা-চক্রে কুলিয়ারচরের ইউএনও

কর্মক্ষেত্রে পেশাদারিত্ব, জনবান্ধব মনোভাব ও কার্যকর প্রশাসনিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে নিজের একটি স্বতন্ত্র ভাবমূর্তি তৈরি করেছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার। দায়িত্বকাল শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে চা-চক্র ও মতবিনিময় সভার আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিদায় নিলেন তিনি। উপজেলায় প্রথমবারের মতো বিদায়লগ্নে স্থানীয় সাংবাদিকদের সম্মান জানাতে এমন আয়োজন করেন এই কর্মকর্তা।

কুলিয়ারচরে ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি কুলিয়ারচর প্রেসক্লাবের আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেন। ফলে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে তাঁর ছিল দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ ও আন্তরিক সম্পর্ক।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর সরকারি এক আদেশে তাঁর বদলির নির্দেশ জারি হয়। এর পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মেসেঞ্জার গ্রুপের মাধ্যমে স্থানীয় সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানান তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিদায়ী চা-চক্র ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সিনিয়র সাংবাদিক মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, সাংবাদিক মো. নাঈমুজ্জামান নাঈম, আলি হায়দার, মোহাম্মদ আরীফুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী সোহেল, লোকমান হোসাইন, আহমেদ সিফাত, মো. কামরুল ইসলাম মুছা, প্রবীর চন্দ্র সূত্রধর শম্ভু, সজীব আহমেদ, মো. সবুজ মিয়া, মাহিন আহমেদ, আজিজুল ইসলাম ও মোবারক হোসেন উপস্থিত ছিলেন। নারী সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোছা. শরিফুন্নেছা শুভ্রা, ফারজানা আক্তার, শাহীন সুলতানা ও মোছা. নিলুফা আক্তার নীলাসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

বিদায়ী চা-চক্রে ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকারের কর্মকালীন সময়ের বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করা হয়। এ সময় তাঁর গৃহীত জনসেবামূলক উদ্যোগ, প্রশাসনিক তৎপরতা ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন এবং প্রশাসন ও গণমাধ্যমের পারস্পরিক সহযোগিতার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

আবেগঘন বক্তব্যে বিদায়ী ইউএনও মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, “ইউএনও হিসেবে কুলিয়ায়রচরে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার কর্মজীবনের প্রথম ও অন্যতম সেরা প্রাপ্তি। দায়িত্ব পালনকালে উপজেলা প্রশাসনের সহকর্মীবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সহযোগিতা পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। একটি উপজেলার প্রকৃত উন্নয়ন কেবল অবকাঠামোগত নির্মাণে সীমাবদ্ধ নয়; শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, যোগাযোগ, আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তার সমন্বিত অগ্রগতিই প্রকৃত উন্নয়ন।”

মতবিনিময়কালে সাংবাদিকরা বলেন, প্রশাসনিক কার্যক্রমকে জনমুখী করতে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে সুসম্পর্ক অত্যন্ত জরুরি। গণমাধ্যম যেমন জনদুর্দশার কথা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরে, তেমনি সরকারের উন্নয়নকাজের খবরও মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়। নদীবেষ্টিত কুলিয়ারচরের কৃষি, বাণিজ্য ও যোগাযোগ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং নাগরিক সমস্যা দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।

সৌহার্দ্যপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে সভাটি শেষ হয়। সাংবাদিকরা বিদায়ী ইউএনওর বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও স্থানীয় সংবাদকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

পাকুন্দিয়ায় ভূমি ও পৌর প্রশাসনের দায়িত্বে সূফি সাজ্জাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
পাকুন্দিয়ায় ভূমি ও পৌর প্রশাসনের দায়িত্বে সূফি সাজ্জাদ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় নতুন সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেছেন মো. সূফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল। একই সঙ্গে তিনি পাকুন্দিয়া পৌরসভার প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তিনি পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগদান করেন। পরে উপজেলা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পাকুন্দিয়া পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।

মো. সূফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল ৪১তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। পাকুন্দিয়ায় যোগদানের আগে তিনি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর মো. সূফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল ভূমি-সংক্রান্ত সরকারি সেবা সহজীকরণ, সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমানো, সরকারি সম্পত্তি ও ভূমি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ এবং পৌরসভার নাগরিকসেবা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে ভূমি ব্যবস্থাপনা, ভূমি উন্নয়ন কর, সরকারি খাসজমি ও সম্পত্তি সংরক্ষণসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম তদারকি করবেন তিনি। পাশাপাশি পৌর প্রশাসক হিসেবে পৌরসভার প্রশাসনিক ও নাগরিকসেবা কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।

নবাগত এই কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয়েছে।