শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

স্কুলগামী ১,৫০০ শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি: বাজিতপুরের রশি মার্কেটে জমে আছে ময়লার স্তূপ

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১:৫২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
স্কুলগামী ১,৫০০ শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি: বাজিতপুরের রশি মার্কেটে জমে আছে ময়লার স্তূপ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর পৌর এলাকার রশি মার্কেট সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ গলির সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে ময়লা-আবর্জনার স্তূপে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন যত্রতত্র আবর্জনা ফেলার কারণে এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এই সড়ক ব্যবহারকারী প্রায় ১,৫০০ স্কুলগামী শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্যঝুঁকি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রশি মার্কেটের ভেতরের এই গলিপথটি বাজিতপুর শহরের অন্যতম ব্যস্ত চলাচলের রাস্তা। প্রতিদিন সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, ক্রেতা-বিক্রেতা এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত শত শিক্ষার্থী এই পথ ব্যবহার করে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কের পাশে ও বিভিন্ন স্থানে আবর্জনা ফেলা এবং তা অপসারণ না করায় পুরো এলাকা দুর্গন্ধে ছেয়ে গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাস্তার বিভিন্ন স্থানে স্তূপাকারে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা থেকে অসহনীয় দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। পচনশীল বর্জ্যের কারণে মাছি, মশা ও বিভিন্ন রোগবাহক পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়েছে। ফলে পথচারীদের নাক চেপে এবং চরম অস্বস্তির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টি হলেই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। তখন জমে থাকা আবর্জনা পচে ড্রেনের পানির সঙ্গে মিশে আশপাশের পরিবেশ দূষিত করে। অনেক সময় সড়কের ওপর ময়লা ছড়িয়ে পড়ে, ফলে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা চললেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তারা উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ময়লা অপসারণ এবং স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।

এ কারণে স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী এবং শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে। তারা মনে করছেন, প্রশাসনের আশ্বাস বাস্তবে কার্যকর না হওয়ায় জনদুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

কয়েকজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “প্রতিদিন আমাদের সন্তানদের এই দুর্গন্ধযুক্ত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্য দিয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে। এতে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আমরা চাই দ্রুত এই ময়লার স্তূপ অপসারণ করে শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।”

স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও জানান, দুর্গন্ধের কারণে ক্রেতারা অনেক সময় দোকানে আসতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন। এতে ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

স্বাস্থ্য সচেতন নাগরিকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা জমে থাকলে ডেঙ্গু, ডায়রিয়া, টাইফয়েড, চর্মরোগসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও মারাত্মক হতে পারে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তারা নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ, নির্দিষ্ট ডাম্পিং ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেবে এবং দীর্ঘদিনের এই জনদুর্ভোগের অবসান ঘটাবে।

একটি কালভার্টের অপেক্ষায় তিন শতাধিক মানুষ, চরম দুর্ভোগে গাংগাটিয়াবাসী

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
একটি কালভার্টের অপেক্ষায় তিন শতাধিক মানুষ, চরম দুর্ভোগে গাংগাটিয়াবাসী

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার গাংগাটিয়া বাজারসংলগ্ন রজনী রবিদাসের বাড়ির সামনের খালের ওপর একটি কালভার্ট না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন প্রায় ২০টি হিন্দু পরিবারের তিন শতাধিক মানুষ। বাড়িতে যাতায়াতের কোনো নিরাপদ ব্যবস্থা না থাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির ওপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে তাদের। ফলে শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য পরিস্থিতি দিন দিন আরও সংকটজনক হয়ে উঠছে।

এ অবস্থায় দ্রুত একটি কালভার্ট নির্মাণের দাবিতে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষুদিরাম রবিদাস।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাংগাটিয়া বাজারের উত্তর পাশে অবস্থিত রজনী রবিদাসের বাড়িতে প্রায় ২০টি পরিবারের বসবাস। কিন্তু খালের কারণে বাড়িতে প্রবেশের জন্য কোনো সড়ক বা সেতু না থাকায় বাসিন্দাদের বিদ্যুতের খুঁটি ব্যবহার করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, সামান্য বৃষ্টিতেই খালের পানি বেড়ে গেলে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া-আসা ব্যাহত হয় এবং অসুস্থ ব্যক্তি বা গর্ভবতী নারীকে হাসপাতালে নেওয়াও অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে ওঠে।

স্থানীয়দের দাবি, সবচেয়ে মানবিক সংকট দেখা দেয় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে। কারণ, খালের ওপর নিরাপদ সংযোগ না থাকায় মরদেহ বাড়ি থেকে বের করতেও স্বজনদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

আবেদনকারী ক্ষুদিরাম রবিদাস বলেন, “গাংগাটিয়া বাজারসংলগ্ন রজনী রবিদাসের বাড়ির সামনে একটি ছোট কালভার্ট নির্মাণ করা হলে বহু বছরের এই দুর্ভোগের অবসান হবে। শিশুদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত সহজ হবে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হবে।”

তিনি আরও বলেন, “মাননীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আমাদের বিনীত অনুরোধ, বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। তাহলে এলাকাবাসী চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।”

এলাকার বাসিন্দারা জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করা হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই তারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এ বিষয়ে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা বলেন, “আবেদনটি আমরা পেয়েছি। বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, একটি ছোট কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে কয়েক শ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করা সম্ভব। তারা দ্রুত প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

টেস্ট নিউজ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
টেস্ট নিউজ

টেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজ

কৃষি পুনরুদ্ধারে সরকারি সহায়তা: কটিয়াদীতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল প্রদান

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
কৃষি পুনরুদ্ধারে সরকারি সহায়তা: কটিয়াদীতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল প্রদান

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার হাওড়াঞ্চলে সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও খাদ্যশস্য বিতরণ শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টায় কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রথম পর্যায়ে উপজেলার মুমুরদিয়া ও জালালপুর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা নগদ অর্থ এবং ১৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের পক্ষ থেকে কটিয়াদী উপজেলার মোট ১ হাজার ৬৫৮ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য এ মানবিক সহায়তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত কৃষকদের মাঝেও একই ধরনের সহায়তা বিতরণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানার সভাপতিত্বে এবং জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, “দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকদের অবদান অপরিসীম। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সরকারের এই সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি আংশিক পুষিয়ে নিয়ে তারা যেন পুনরায় কৃষিকাজে ফিরতে পারেন, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের যেকোনো সমস্যা দ্রুত প্রশাসনের নজরে আনতে হবে, যাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা সময়মতো নিশ্চিত করা যায়।

সভাপতির বক্তব্যে লাবনী আক্তার তারানা বলেন, “স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। কোনো যোগ্য কৃষক যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাজেদুর রহমান সজল সরকার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম এবং মুমুরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলাউদ্দিন সাবেরী।

এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জায়দুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াস আলী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তসরিফুল হাসিবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সহায়তা পাওয়া কৃষকরা জানান, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে তাদের ধান, বীজতলা এবং বিভিন্ন সবজি চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের দেওয়া নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা তাদের পরিবার পরিচালনা এবং নতুন করে কৃষিকাজ শুরু করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে নগদ অর্থ ও চাল তুলে দেন। পুরো আয়োজনজুড়ে কৃষকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। তারা সরকারের এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও কৃষিখাতে এমন সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।