সিআর সেভেনের রেকর্ড ভেঙ্গেও হাসি নেই মেসির, ছিটকে গেল মায়ামি
পেশাদার ফুটবলের ইতিহাসে বিশ্বের মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে ৯০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টাইন এই মহাতারকার গোলে ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যায় ইন্টার মিয়ামি।
তবে ৭৪ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রাখার পর ন্যাশভিল এসসির কাছে গোল হজম করে তারা। ফলে ম্যাচটি ১-১ সমতায় শেষ হলেও অ্যাওয়ে গোলের নিয়মে কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপ থেকে বিদায় নিতে হয়েছে মিয়ামিকে।
কনকাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপের রাউন্ড অব সিক্সটিনের প্রথম লেগে ন্যাশভিলের মাঠে গোলশূন্য ড্র করেছিল মিয়ামি। দ্বিতীয় লেগেও ১-১ সমতা থাকলেও প্রতিপক্ষের মাঠে গোল করার সুবিধায় এগিয়ে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় ন্যাশভিল এসসি। তাদের হয়ে গোল করেন ক্রিস্টিয়ান এসপিনোজা।
ম্যাচে সার্বিকভাবে আধিপত্য ছিল এমএলএসের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইন্টার মিয়ামিরই। হাভিয়ের মাশ্চেরানোর দল ৫৯ শতাংশ বল দখলে রেখে মোট ৯টি শট নেয়, যার মধ্যে ৬টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে ন্যাশভিলের ৩টি শটের মধ্যে মাত্র একটি লক্ষ্যে ছিল, আর সেটিই গোল হয়ে যায়।
খেলার সপ্তম মিনিটে সতীর্থের পাস পেয়ে একজনকে কাটিয়ে আরেক ডিফেন্ডারের পায়ের ফাঁক দিয়ে নিচু শট নেন লিওনেল মেসি। গোলরক্ষক ছুঁতে পারলেও থামাতে পারেননি সেই বল। এরপর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি মিয়ামি।
৭৪ মিনিটে সমতায় ফেরে ন্যাশভিল। স্টপেজ টাইমে আবারও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকরা, তবে এবার মেসির শট প্রতিপক্ষের ব্লকে আটকে যায়।
টুর্নামেন্ট থেকে ইন্টার মিয়ামির বিদায়ের কারণে নিজের মাইলফলক গোলের উদযাপন দীর্ঘায়িত করতে পারেননি লিওনেল মেসি। তবুও তার এই অর্জন বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
বাস্কেটবলের ‘হল অব ফেম’-এ জায়গা পাওয়া ম্যাজিক জনসন সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, “অবিশ্বাস্য মাইলফলক—কী দুর্দান্ত এক কীর্তি।” প্রতিপক্ষ কোচ বেজি কালাঘানও মেসিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “৯০০তম গোলের জন্য তাকে অভিনন্দন। সে সর্বকালের সেরাদের একজন।”







