মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩

উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

সরকারের জনকল্যাণমুখী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও রূপকল্প বাস্তবায়নে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে ভেদাভেদ ভুলে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, এমপি।

তিনি বলেন, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মাঠ প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন আরও দ্রুত বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কিশোরগঞ্জ জেলার পরিচালন বাজেটের আওতায় গ্রামীণ সড়কের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ (অফ পেভমেন্ট) কার্যক্রমে নিয়োজিত লেবার কন্ট্রাক্টিং সোসাইটি (এলসিএস) শ্রমিকদের মধ্যে সঞ্চয়ী অর্থের চেক বিতরণ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ২০২৬ সালের ৩০ জুন মেয়াদ শেষে কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি পাওয়া ২৬ জন শ্রমিকের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়।

প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও নীতি বাস্তবায়নের অন্যতম চালিকাশক্তি মাঠ প্রশাসন। সরকারের অর্জন ও সাফল্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সর্বোচ্চ সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পর বর্তমান সরকার জনকল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এসব পরিকল্পনা মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে রাজনৈতিক নেতৃত্ব, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনবান্ধব মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালন করলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

বক্তব্য শেষে প্রতিমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ২৬ জন শ্রমিকের হাতে জনপ্রতি ১ লাখ ৯ হাজার টাকার সঞ্চয়ী অর্থের চেক তুলে দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাফফাত আরা সাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিক ইসলাম।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান, কুলিয়ারচর উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. কিতাব আলী মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক এম. এ. হান্নান, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মো. শাহাদাৎ হোসেন শাহ্ আলম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ. এইচ. এম. ইজাজুল হক, ভৈরব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবু মুসা শেখ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ মাসুদ রানা, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আলী জিন্নাহ এবং কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক। এ ছাড়া সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, চেকপ্রাপ্ত এলসিএস শ্রমিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে কুলিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনব্যাপী কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী। সকাল ১০টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর বাংলাবাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। পরে বেলা ১১টার দিকে ছয়সূতী ইউনিয়নের জনতা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

দুপুর ১২টার দিকে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে রাজস্ব খাতের আওতায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কুলিয়ারচরের কালী নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন মাছের পোনা অবমুক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

করিমগঞ্জে গভীর রাতে পেট্রোল ঢেলে পিকআপে আগুন

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
করিমগঞ্জে গভীর রাতে পেট্রোল ঢেলে পিকআপে আগুন

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে বাড়ির পাশে পার্ক করে রাখা একটি জেক পিকআপে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে গাড়িটির ভেতরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে। এ ঘটনায় আনুমানিক ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাড়ির মালিক।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, করিমগঞ্জ উপজেলার কিরাটন ইউনিয়নের কিরাটন গাংপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহীন ইসলাম (৩৫) জীবিকা নির্বাহের একমাত্র অবলম্বন জেক পিকআপটি (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ঢাকা মেট্রো-ন-১৩-৬৬৯০) নিজ বাড়ির সামনে কবরস্থানসংলগ্ন একটি কাঁচা রাস্তায় পার্ক করে রেখেছিলেন। গত সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বাড়ির লোকজনের ডাক-চিৎকারে ঘুম ভাঙলে তিনি বাইরে এসে গাড়িটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন।

এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা মো. সুমন (২৮), মো. ইসমাইল (২৭), আতিবুর মিয়াসহ (৩৬) আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় গাড়িটির ভেতরের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পুড়ে যায়। এতে গাড়িটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ির মালিক শাহীন ইসলাম জানান, পিকআপটি ভাড়ায় চালিয়ে তিনি কোনোমতে সংসার চালাতেন। এটি ছিল তাঁর পরিবারের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম। গাড়িটি পুড়ে যাওয়ায় তিনি এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এ ঘটনায় তিনি করিমগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

ঘটনার নিন্দা জানিয়ে কিরাটন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

এ বিষয়ে করিমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেব খান জানান, লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতায় কিশোরগঞ্জে যুবদলের লিফলেট বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতায় কিশোরগঞ্জে যুবদলের লিফলেট বিতরণ

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে লিফলেট বিতরণ করেছে জেলা যুবদল।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে কেন্দ্রীয় যুবদলের কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মোশতাক আহমেদ শাহীনের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় শহরের বিভিন্ন সড়কে পথচারী, ব্যবসায়ীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করেন যুবদলের নেতাকর্মীরা। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবহিত করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

কর্মসূচিতে জেলা যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

পাগলায় ব্রিজের ঢালে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার, তদন্তের দাবি

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
পাগলায় ব্রিজের ঢালে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার, তদন্তের দাবি

ময়মনসিংহের পাগলা থানা এলাকায় পাগলা–হোসেনপুর সড়কের খুরশিদ মহল ব্রিজের ঢাল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দা বাচ্চু রবিদাস সংশ্লিষ্ট পুলিশ ও তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে লিখিত আবেদন করেছেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

অভিযোগপত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাচ্চু রবিদাস (৫০) ময়মনসিংহের পাগলা থানার গাজীশিমুল এলাকার বাসিন্দা। তাঁর পিতার নাম মৃত লালচাঁন রবিদাস। তিনি আবেদনে উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাগলা থানা এলাকার ৯ নম্বর পাটচরা ইউনিয়নের ঘুরমশিদ মহল এলাকার একটি ব্রিজের ঢালে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, পাগলা থেকে হোসেনপুরগামী এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশে ব্রিজের ঢালে মরদেহটি পড়ে ছিল। পরে স্থানীয়ভাবে ওই নারী মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল বলে জানা যায়। তবে তাঁর পরিচয়, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়নি।

বাচ্চু রবিদাসের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি জানার পর মরদেহ উদ্ধারের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পাগলা থানা ও পাটচরা তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে। অভিযোগপত্রে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন রয়েছে বলে অভিযোগকারী উল্লেখ করেছেন। ওই নারীর পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছিল কি না, তাঁর মৃত্যু দুর্ঘটনাজনিত নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে এবং এ ঘটনায় কোনো অপরাধের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি।

লিখিত আবেদনে বাচ্চু রবিদাস ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এ ধরনের ঘটনায় মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ এবং অপরাধের সংশ্লিষ্টতা থাকলে তা উদ্‌ঘাটন করা গুরুত্বপূর্ণ। তাই অভিযোগপত্রে উত্থাপিত বিষয়গুলো যাচাই করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।

তবে এ বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন কিংবা ওই নারীর পরিচয় শনাক্তের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা প্রয়োজন।