বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

জাল সনদে বিসিএস ক্যাডার, দুই কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১:১৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
জাল সনদে বিসিএস ক্যাডার, দুই কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

জাল সনদ ব্যবহার করে ৩৮তম বিসিএসে প্রশাসন ও পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত দুজনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক দুই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত এ আদেশ দেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা দুজন হলেন প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ঢাকার হাজারীবাগের সঞ্জয় দাস এবং পররাষ্ট্র ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত নেত্রকোনার খালিয়াজুরির আবু সালেহ মো. মুসা।

এর আগে দুদকের সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন তাঁদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে পৃথক আবেদন করেন।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়, সরকারি কর্মচারী হওয়ার উদ্দেশ্যে আর্থিকভাবে লাভবান হতে তাঁরা অসৎ উপায়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে জাল সনদ তৈরি করেন। পরে ওই সনদ প্রকৃত ও বৈধ দলিল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনকে (পিএসসি) বিভ্রান্ত করে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে প্ররোচিত করেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, জাল সনদ ব্যবহারের মাধ্যমে তাঁরা ৩৮তম বিসিএসে ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। পরে চাকরিতে যোগ দিয়ে বেতন-ভাতা উত্তোলনের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্বস্ত সূত্রে দুদক জানতে পেরেছে, তাঁরা দেশত্যাগ করে অন্যত্র পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এ অবস্থায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের বিদেশ গমন বন্ধ রাখা প্রয়োজন।

তবে আদালতের আদেশ ও দুদকের আবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলো তদন্তাধীন; এ বিষয়ে চূড়ান্ত বিচারিক সিদ্ধান্তের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।

বীরত্ব ও আত্মত্যাগে অমর বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
বীরত্ব ও আত্মত্যাগে অমর বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান

মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ ২৮ অক্টোবর। ১৯৭১ সালের এই দিনে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার দলই সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মেশিনগান পোস্ট অকার্যকর করতে দুঃসাহসিক অভিযান চালিয়ে শহীদ হন তিনি। তাঁর অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের ফলে মুক্তিযোদ্ধারা দলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখলে সক্ষম হন।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেন হামিদুর রহমান। মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করা হয়। সাত বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে তিনিই সর্বকনিষ্ঠ।

হামিদুর রহমান ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন যশোর জেলার (বর্তমান ঝিনাইদহ) মহেশপুর উপজেলার খোরদা খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা আক্কাস আলী মণ্ডল এবং মা কায়মুন্নেসা। ১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেন।

১৯৭১ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার দলই সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র যুদ্ধ চলছিল। দলই সীমান্ত ফাঁড়ির একটি মেশিনগান পোস্ট থেকে অবিরাম গুলিবর্ষণের কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হচ্ছিল। ওই পোস্টটি অকার্যকর করতে ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের দায়িত্ব নেন সিপাহি হামিদুর রহমান। তিনি প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সি কোম্পানির সদস্য হিসেবে অভিযানে অংশ নেন।

১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর ভোররাতে হামিদুর রহমান পাহাড়ি খাল দিয়ে বুকে ভর করে শত্রুপক্ষের অবস্থানের দিকে এগিয়ে যান। মেশিনগান পোস্ট লক্ষ্য করে পরপর দুটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করেন তিনি। এরপর শত্রুপক্ষের গুলিতে আহত হলেও অভিযান থামাননি। মেশিনগান পোস্টের কাছে পৌঁছে পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে হাতাহাতি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে পোস্টটি অকার্যকর করতে সক্ষম হন।

তাঁর এই সাহসী অভিযানের ফলে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিবর্ষণ বন্ধ হয় এবং মুক্তিযোদ্ধারা অগ্রসর হয়ে দলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখল করতে সক্ষম হন। তবে সহযোদ্ধাদের বিজয় অর্জনের আগেই প্রাণ হারান হামিদুর রহমান। তাঁর আত্মত্যাগ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অসামান্য বীরত্বের দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

শহীদ হওয়ার পর হামিদুর রহমানকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের হাতিমেরছড়া গ্রামের একটি কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ১০ ডিসেম্বর দেহাবশেষ গ্রহণের পর ১১ ডিসেম্বর ঢাকার মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে পুনরায় সমাহিত করা হয়।

মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করা হয়। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার দলই সীমান্ত এলাকায় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে তাঁর বীরত্বগাথা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্মারক রয়েছে।

প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁর বীরত্ব ও আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তাঁর জীবন ও যুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের তাৎপর্য উপলব্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের স্বাধীনতা অর্জনে হামিদুর রহমানের অবদান চিরস্মরণীয়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে জীবন উৎসর্গ করে তিনি প্রমাণ করেছেন, দেশপ্রেম, সাহস ও আত্মত্যাগের কাছে বয়স কোনো বাধা নয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে তাঁর নাম তাই চিরদিন শ্রদ্ধা ও গৌরবের সঙ্গে উচ্চারিত হবে।

যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের হয়ে সাঁতারে লড়বে নিকলীর মাইশা

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের হয়ে সাঁতারে লড়বে নিকলীর মাইশা

সেনেগালের রাজধানী ডাকারে অনুষ্ঠেয় চতুর্থ যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের হয়ে সাঁতারে অংশ নিতে যাচ্ছেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার মাইশা আক্তার মীম। আন্তর্জাতিক এই ক্রীড়া আসরে তাঁর অংশগ্রহণকে ঘিরে পরিবার, এলাকাবাসী ও নিকলীবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত সেনেগালের ডাকারে অনুষ্ঠিত হবে চতুর্থ যুব অলিম্পিক গেমস। এতে বাংলাদেশের ১০ সদস্যের একটি দল অংশ নেবে। অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং ও সাঁতারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বাংলাদেশের তরুণ ক্রীড়াবিদেরা। দলের সাঁতারু হিসেবে মাইশা আক্তার মীমের পাশাপাশি অংশ নেবেন আবদুল আজিম।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাইশা আক্তার মীম ২৮ অক্টোবর দুপুর ২টায় সেনেগালের উদ্দেশে বিমানে যাত্রা করে। মাইশা কিশোরগঞ্জের নিকলী সদর ইউনিয়নের কুর্শা পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি নিকলী সদর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য নাসমিন আক্তারের মেয়ে। তাঁর বাবা মো. বাবুল মিয়া।

যুব অলিম্পিকের মতো আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে অংশ নেওয়া তরুণ ক্রীড়াবিদদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ। এ প্রতিযোগিতায় মাইশার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের দক্ষতা তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. দৌলতুজ্জামান খান। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম ন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির অতিথি হিসেবে দলের সঙ্গে যাবেন।

অ্যাথলেটিকসে শিপন মিয়ার সঙ্গে থাকবেন কোচ মো. আবদুল্লাহ হেল কাফি। বক্সিংয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন নয়ন ত্রিপুরা জানি, তাঁর কোচ মো. আল আমিন। সাঁতার দলের সঙ্গে থাকবেন সাঁতার ফেডারেশনের সদস্য মো. আবুল হোসেন ঢালি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরার প্রত্যাশা নিয়ে মাইশা আক্তার মীমের এই যাত্রা তাঁর পরিবার ও নিজ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। তাঁর অংশগ্রহণ নিকলীর তরুণদের ক্রীড়াঙ্গনে এগিয়ে আসতেও অনুপ্রাণিত করতে পারে।

অষ্টগ্রামে আনন্দ র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

অষ্টগ্রাম প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে আনন্দ র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা যুবদল। বুধবার (২৮ অক্টোবর) কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন। তাঁদের হাতে ছিল বিভিন্ন রঙের ব্যানার ও ফেস্টুন। ঢাকঢোলের শব্দে মুখর হয়ে ওঠে কর্মসূচিস্থল।

পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অষ্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিংয়ের সামনে থেকে আনন্দ র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সদর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করেন যুবদলের নেতাকর্মীরা।

উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আলী রহমান খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারকে বিতর্কিত করতে একটি গুপ্ত বাহিনী সব সময় চক্রান্ত করছে। এসব চক্রান্ত নস্যাৎ করতে যুবদল সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

আনন্দ র‍্যালি ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সহসভাপতি মাসুদ রেজা চৌধুরী, অষ্টগ্রাম উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোশারফ উদ্দিন হালিমসহ উপজেলা যুবদলের নেতারা এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব যুবায়ের হাসান ইয়ামিন, ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জাবেদ মাহমুদ এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরীফ রেজা চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।