বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

খাদ্যে পুষ্টি নিশ্চিত করতে আইনি বাধ্যবাধকতা চান প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৫৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
খাদ্যে পুষ্টি নিশ্চিত করতে আইনি বাধ্যবাধকতা চান প্রতিমন্ত্রী

খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বিশেষ করে চাল ও আটা-ময়দায় পুষ্টি উপাদান যুক্ত করা বা ফর্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করতে কার্যকর বিধিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে ফর্টিফিকেশন অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (এফএবি) আয়োজিত ‘কনভেনিং পার্টনারশিপ অন ফুড ফর্টিফিকেশন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম।

খাদ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মীর শাহে আলম বলেন, জনগণের কাছে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার পৌঁছে দিতে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি আইনি বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করা জরুরি। লবণ ও ভোজ্যতেলে আয়োডিন ও ভিটামিন যুক্ত করার উদ্যোগ সফল হলেও চাল ও আটার ক্ষেত্রে তা এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

দেশে বছরে প্রায় ৩ কোটি ৯২ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদিত হয় এবং চাহিদা রয়েছে ৩ কোটি ২৫ থেকে ৩ কোটি ২৬ লাখ মেট্রিক টন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চালের উৎপাদন ও মজুত পর্যাপ্ত থাকায় সঠিক পরিকল্পনা ও সময়োপযোগী রূপরেখার মাধ্যমে চালের ফর্টিফিকেশন বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল, এতিমখানা, শিশু সদন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রেশনসহ সরকারি বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে সরবরাহ করা চাল ও আটায় পর্যায়ক্রমে ফর্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।

খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কাজের পরিধি নির্ধারণ এবং পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করার আহ্বানও জানান প্রতিমন্ত্রী।

আর্সেনালকে বিদায় করে ইতিহাস গড়ল ফ্লিটউড

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
আর্সেনালকে বিদায় করে ইতিহাস গড়ল ফ্লিটউড

ইংলিশ লিগ কাপে বড় অঘটনের শিকার হয়েছে আর্সেনাল। ইংল্যান্ডের চতুর্থ বিভাগের দল ফ্লিটউড টাউনের কাছে পেনাল্টি শুটআউটে ৫-৩ গোলে হেরে শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে মিকেল আর্তেতার দল। নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে সমতা থাকার পর টাইব্রেকারে জয় তুলে নেয় ফ্লিটউড।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ইংল্যান্ডের ফ্লিটউডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে পেনাল্টি শুটআউটে আর্সেনালের হয়ে গোল করতে ব্যর্থ হন ব্রুনো গিমারায়েস। তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন ফ্লিটউডের গোলরক্ষক জে লিঞ্চ। এরপর কোনর হগি জয়সূচক পেনাল্টিতে গোল করলে উল্লাসে মেতে ওঠেন স্বাগতিক সমর্থকেরা।

ম্যাচের ২১ মিনিটে অ্যারন লুপালো-বির গোলে এগিয়ে যায় ফ্লিটউড। বিরতির পর ৫০ মিনিটে ভিক্টর ইয়োকেরেস গোল করে আর্সেনালকে সমতায় ফেরান। এরপর নির্ধারিত সময়ের বাকি অংশে আর কোনো দল গোল করতে পারেনি।

ম্যাচের শেষ দিকে ৮৫ মিনিটে প্রতিপক্ষের খেলোয়াড় হ্যারিসন নিলকে লাথি মারার ঘটনায় লাল কার্ড দেখেন আর্সেনালের ১৬ বছর বয়সী তরুণ ফুটবলার ম্যাক্স ডাওম্যান। ফলে ম্যাচের শেষ সময় ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় আর্সেনালকে।

রবিবার লিভারপুলের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নিয়মিত একাদশে বড় পরিবর্তন এনেছিলেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আর্তেতা। এভারটনের বিপক্ষে আগের ম্যাচের একাদশ থেকে নয়জনকে বদলে মাঠে নামান তিনি। তবে এই সিদ্ধান্তের মাশুল দিতে হলো লিগ কাপ থেকে বিদায়ের মধ্য দিয়ে।

চতুর্থ বিভাগের দল ফ্লিটউড লিগ টুতে ১৮তম স্থানে থাকলেও শক্তিশালী আর্সেনালের বিপক্ষে শুরু থেকেই লড়াই করেছে। গোলরক্ষক জে লিঞ্চের দৃঢ়তা এবং টাইব্রেকারে খেলোয়াড়দের সাফল্যে স্মরণীয় জয় পায় দলটি। জয়ের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ফ্লিটউডের কোচ ম্যাট ললর। মাঠে নেমে উল্লাসে যোগ দেন সমর্থকেরাও।

এই হার আর্সেনালের জন্য বড় ধাক্কা। এর আগে শনিবার এভারটনকে ২-০ গোলে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থাকা ম্যানচেস্টার সিটির সমান পয়েন্টে পৌঁছেছিল দলটি। কিন্তু লিগ কাপে অপেক্ষাকৃত নিচের বিভাগের দলের কাছে হেরে এখন ঘুরে দাঁড়ানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঠে নামতে হবে আর্তেতার শিষ্যদের।

সুস্থ প্রজন্ম গড়তে হাত ধোয়ার অভ্যাস জরুরি: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
সুস্থ প্রজন্ম গড়তে হাত ধোয়ার অভ্যাস জরুরি: প্রতিমন্ত্রী

নিয়মিত হাত পরিষ্কার রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য। এসব অভ্যাস নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বনানী বিদ্যানিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডায়রিয়া ও খাদ্যবাহিত রোগ প্রতিরোধে খাবার আগে এবং শৌচাগার ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া অত্যন্ত জরুরি। ফাস্টফুড খাওয়ার সময় হাত ধোয়ার সুযোগ না থাকলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত।

ঢাকা শহরের নাগরিক সেবা ও পানির সরবরাহ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা ওয়াসা প্রতিদিন প্রায় ৩১৪ কোটি লিটার পানি সরবরাহ করে। এর মধ্যে ৭৪ শতাংশ ভূগর্ভস্থ পানি এবং ২৬ শতাংশ নদীর পানি শোধনের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়।

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো এবং ভূমিকম্পের ঝুঁকি এড়াতে আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে পদ্মা নদী থেকে অতিরিক্ত ১০০ কোটি লিটার পানি ঢাকায় সরবরাহের জন্য নতুন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ সময় শিক্ষার্থীদের পানির অপচয় রোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, বর্তমান প্রজন্মের অনেকের মধ্যে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতির কারণে ক্লান্তি দেখা যায়। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন ডি গ্রহণের পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার দিকে নজর দেওয়া উচিত। সুস্থ থাকতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায়ও সম্পৃক্ত হওয়া প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিসেফের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ মালালায় আহমাদযাই, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি (ওআইসি) ড. রাজেস নারওয়াল এবং ইউনিসেফের চিফ অব ওয়াশ পিটার মায়েস।

বক্তারা বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে নিয়মিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়া ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার শপথ পাঠ করানো হয়।

জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচি আনন্দঘন পরিবেশে শেষ হয়।

দুই দশক পেরিয়েও মঙ্গলে সক্রিয় নাসার দুই মহাকাশযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৬ অপরাহ্ণ
দুই দশক পেরিয়েও মঙ্গলে সক্রিয় নাসার দুই মহাকাশযান

মঙ্গলে পৌঁছানোর পর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মহাকাশযান মার্স ওডিসি ও মার্স রিকনাইস্যান্স অরবিটার (এমআরও)। নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দিন ধরে সক্রিয় থেকে মহাকাশ গবেষণায় প্রযুক্তির স্থায়িত্ব ও সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে উঠেছে মহাকাশযান দুটি।

২০০১ সালের ২৪ অক্টোবর মঙ্গলে পৌঁছায় মার্স ওডিসি। অন্যদিকে, ২০০৬ সাল থেকে মঙ্গলকে প্রদক্ষিণ করে তথ্য সংগ্রহ করছে এমআরও। শুরুতে মহাকাশযান দুটিকে মাত্র কয়েক বছর কাজ করার উপযোগী করে তৈরি করা হলেও প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে সেগুলো গবেষণায় অবদান রাখছে।

দীর্ঘদিন ধরে তথ্য সংগ্রহের ফলে মঙ্গল সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের ধারণায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে, গ্রহটিতে অতীতে ও বর্তমানে পানির অস্তিত্ব সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া গেছে। বছরের পর বছর ধরে সংগৃহীত তথ্য মঙ্গলের ভূমির গঠন ও পরিবর্তন সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের আরও স্পষ্ট ধারণা দিয়েছে। ফলে মঙ্গলকে শুধু প্রাণহীন পাথুরে গ্রহ হিসেবে দেখার পরিবর্তে এর পরিবেশ ও ভূপ্রকৃতির পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্য নিয়েও গবেষণা করছেন তাঁরা।

যুক্তরাষ্ট্রের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রহবিজ্ঞানী ব্রায়নি হর্গান মঙ্গল গবেষণায় মহাকাশযান দুটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, নাসার মঙ্গল অভিযানে মার্স ওডিসি ও এমআরও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মঙ্গলে বরফের উপস্থিতি শনাক্ত ও পর্যবেক্ষণে মার্স ওডিসি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। এর মাধ্যমে গ্রহটির জলবায়ু ও ভূতত্ত্ব সম্পর্কে নতুন তথ্য পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

অন্যদিকে, মঙ্গলের পৃষ্ঠে সময়ের সঙ্গে কী ধরনের পরিবর্তন ঘটছে, তা পর্যবেক্ষণ করছে এমআরও। এর সংগৃহীত তথ্য থেকে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন, গ্রহটির বিভিন্ন ভূপ্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য কীভাবে সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হচ্ছে।

মঙ্গলে পাঠানো বিভিন্ন রোবটযানের সঙ্গে পৃথিবীর সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সীমিত। তাই এসব রোবটযানের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে পৃথিবীতে পাঠানোর কাজে মার্স ওডিসি ও এমআরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই দুই মহাকাশযানসহ অন্যান্য মহাকাশযানের সমন্বিত যোগাযোগব্যবস্থা মঙ্গল অনুসন্ধানকে আরও কার্যকর করেছে।

মহাকাশে দীর্ঘদিন ধরে কাজ চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন। মার্স ওডিসি ও এমআরওর দীর্ঘস্থায়ী সাফল্যের পেছনে রয়েছে উন্নত প্রযুক্তি, প্রকৌশলীদের দক্ষতা, বিভিন্ন কারিগরি সমস্যার সমাধান এবং কিছুটা সৌভাগ্য। মহাকাশে থাকা উচ্চশক্তির বিভিন্ন কণা মহাকাশযানের সংবেদনশীল যন্ত্রপাতির ক্ষতি করতে পারে। এসব ঝুঁকি মোকাবিলা করেই মহাকাশযান দুটিকে দীর্ঘদিন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হচ্ছে।

পৃথিবীর কক্ষপথে থাকা উপগ্রহগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সেগুলো পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হলেও মঙ্গলে থাকা মহাকাশযানের ক্ষেত্রে কাজটি অনেক বেশি কঠিন। অনেক সময় সপ্তাহে মাত্র এক বা দুইবার সেগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলির গ্রহ ও মহাকাশ পদার্থবিজ্ঞানী রব লিলিস বলেন, মঙ্গলে থাকা একটি মহাকাশযানকে বেশির ভাগ সময় নিজে নিজেই কাজ চালিয়ে যেতে হয়।

মার্স ওডিসি ও এমআরওর দীর্ঘস্থায়ী সাফল্যের পর মঙ্গল অনুসন্ধানের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবছেন বিজ্ঞানীরা। এই দুই মহাকাশযানের মাধ্যমেই মঙ্গল গবেষণার একটি যুগের অবসান ঘটতে যাচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে ভবিষ্যতের মঙ্গল অভিযানে নতুন পদ্ধতি ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে, যা লাল গ্রহটি অনুসন্ধান ও গবেষণার পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

তবে ভবিষ্যতের অভিযান নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও মার্স ওডিসি ও মার্স রিকনাইস্যান্স অরবিটারের দীর্ঘদিনের সাফল্য মঙ্গলসহ মহাকাশের অন্যান্য অংশ নিয়ে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।