শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটে উৎসাহ: ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি ভোটার অ্যাপে নিবন্ধন

রেজাউল হক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:৪০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটে উৎসাহ: ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি ভোটার অ্যাপে নিবন্ধন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৭২ জন প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পোস্টাল ভোটিং আপডেট তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত এ নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে।

নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৩ জন পুরুষ এবং ১৬ হাজার ৫৮৯ জন নারী ভোটার। দেশভিত্তিক নিবন্ধনে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র—১৮ হাজার ৪২০ জন। এরপর সৌদি আরবে ১৩ হাজার ১৪ জন, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৯ হাজার ৩৯৭ জন, সিঙ্গাপুরে ৯ হাজার ৮৩ জন, কানাডায় ৮ হাজার ৭৬৮ জন, অস্ট্রেলিয়ায় ৭ হাজার ৫৫৩ জন, যুক্তরাজ্যে ৭ হাজার ৫৫১ জন, জাপানে ৬ হাজার ৮১০ জন, ইতালিতে ৫ হাজার ৩৬৯ জন এবং মালয়েশিয়ায় ৫ হাজার ২৭ জন নিবন্ধন করেছেন।

এর আগে প্রবাসী ভোটারদের জন্য নিবন্ধন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ ডিসেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। তবে প্রবাসীদের অনুরোধ এবং প্রয়োজন বিবেচনায় সময় বাড়িয়ে ২৫ ডিসেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি বলেন, “সারা বিশ্ব থেকেই এখন অ্যাপ ডাউনলোড করে প্রবাসীরা ভোট নিবন্ধন করতে পারবেন।”

ইসি সচিব আরও জানান, সরকারি কর্মকর্তা, আইনি হেফাজতে থাকা ভোটার এবং নিজ এলাকায় বাইরে থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্যও ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোটিং (আইসিপিভি) চালু করা হবে। নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে ১৫ দিনের মধ্যে এ প্রক্রিয়ার নিবন্ধন সম্পন্ন করা হবে।

গত ১৮ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ উদ্বোধন করেন এবং ১৪৮টি নির্দিষ্ট দেশে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা করেন। পোস্টাল ব্যালটের জন্য অবশ্যই ভোটদানকারীকে যে দেশে অবস্থান করছেন সেই দেশের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতে হবে।

নিবন্ধনের জন্য গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। অ্যাপটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় ব্যবহারযোগ্য, যেখানে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের নির্দেশনাও দেওয়া আছে। বিদেশে ব্যালট প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সঠিক ঠিকানা প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

ছয় মাস পর খুলল পাগলা মসজিদের ১৩ দানসিন্দুক, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
ছয় মাস পর খুলল পাগলা মসজিদের ১৩ দানসিন্দুক, মিলল ৪৩ বস্তা টাকা

দীর্ঘ ছয় মাস পর কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি লোহার দানসিন্দুক খোলা হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের নেতৃত্বে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পুলিশ, আনসার, র‍্যাব, ফায়ার সার্ভিস, মসজিদ পরিচালনা কমিটি এবং গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে সিন্দুক খোলার কার্যক্রম শুরু হয়।

সিন্দুক খোলার পর এবার মোট ৪৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। বর্তমানে নগদ অর্থ, বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী গণনা ও তালিকাভুক্ত করার কাজ চলছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, ছয় মাস ধরে জমা হওয়া বিপুল দান এবার অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এর আগে সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর পাগলা মসজিদের দানসিন্দুক খোলা হয়েছিল। সে সময় ১৩টি সিন্দুক থেকে ৩৫ বস্তা টাকা উদ্ধার করা হয়। গণনা শেষে নগদ অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালঙ্কার এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীও পাওয়া যায়।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাগলা মসজিদের ব্যাংক হিসাবে জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২ টাকা। সাধারণত তিন থেকে চার মাস পরপর দানসিন্দুক খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। ফলে দানের পরিমাণ আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দেশের অন্যতম আলোচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পাগলা মসজিদে প্রতিদিন হাজারো মানুষ দান-সদকা ও মানত নিয়ে আসেন। শুধু মুসলমান নয়, বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষও গভীর বিশ্বাস ও আস্থা থেকে এখানে দান করে থাকেন। অনেকের বিশ্বাস, আন্তরিক নিয়তে এখানে দান করলে আল্লাহ তাদের মনের আশা পূরণ করেন। সেই বিশ্বাস থেকেই দেশ-বিদেশের মানুষ নগদ অর্থ, বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালঙ্কারসহ নানা মূল্যবান সামগ্রী দান করেন।

শুধু অর্থই নয়, গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি, কবুতর, ধান, চাল, ফলমূলসহ বিভিন্ন সামগ্রীও নিয়মিত দান করা হয়। এসব সামগ্রী নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে মসজিদের তহবিলে জমা দেওয়া হয়।

ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় আড়াই শতাব্দী প্রাচীন এই মসজিদটি ১৯৭৯ সালের ১০ মে থেকে ওয়াকফ এস্টেটের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। মসজিদের নামকরণ নিয়ে প্রচলিত রয়েছে আধ্যাত্মিক সাধক ‘পাগলা সাহেব’-এর স্মৃতি। তাঁর নাম থেকেই ‘পাগলা মসজিদ’ নামটির উৎপত্তি হয়েছে বলে ইতিহাসবিদদের ধারণা।

এদিকে, প্রতিবারের মতো এবারও দানসিন্দুক থেকে ঠিক কত টাকা পাওয়া যায়, তা জানতে দেশজুড়ে মানুষের ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে মোট অর্থ, বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর বিস্তারিত হিসাব প্রকাশ করবে জেলা প্রশাসন ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

করিমগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ৮ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ
করিমগঞ্জে র‌্যাবের অভিযানে ৮ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৮ কেজি গাঁজাসহ তিন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১৪, সিপিসি-২, কিশোরগঞ্জ।

র‌্যাব জানায়, বাংলাদেশকে মাদকমুক্ত করার লক্ষ্যে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৫ জুন) বিকেল আনুমানিক ৪টা ৩৫ মিনিটে করিমগঞ্জ উপজেলার বালিখলা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের সময় বালিখলা এলাকায় স্থাপিত একটি অস্থায়ী চেকপোস্টে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি চালিয়ে তিন মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রুহুল আমিন (৩৫), মো. জুবাই মিয়া (৩৫) এবং আল আমিন (৪০)। তাদের সবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়।

র‌্যাবের উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তাদের দেহ তল্লাশি ও সঙ্গে থাকা মালামাল পরীক্ষা করে ৮ কেজি অবৈধ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৩টি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

র‌্যাব জানায়, উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য, জব্দকৃত আলামত এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব-১৪ জানায়, মাদক নির্মূলে তাদের গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় হাওর পর্যটনকেন্দ্র নিকলী, অব্যবস্থাপনায় সৌন্দর্য হারানোর শঙ্কা

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
জনপ্রিয় হাওর পর্যটনকেন্দ্র নিকলী, অব্যবস্থাপনায় সৌন্দর্য হারানোর শঙ্কা

বর্ষার শুরুতেই প্রাণ ফিরে পেয়েছে কিশোরগঞ্জের হাওরবেষ্টিত পর্যটনকেন্দ্র নিকলী। অথৈ জলরাশি, দিগন্তজোড়া হাওর, ঢেউয়ের দোলা আর মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্ত দেখতে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিড় করছেন হাজারো পর্যটক। তবে পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই নিকলী হাওরের অন্যতম আকর্ষণীয় এলাকাগুলো ময়লা-আবর্জনা, খড়ের স্তূপ ও গোবরের তৈরি জ্বালানিতে (ঘুঁটে) দখল হয়ে পড়ায় নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটক ও ব্যবসায়ীরা।

প্রতি বছরের মতো এবারও জুলাই শুরুর আগ থেকেই থেকে নিকলী হাওর রূপ নিয়েছে এক বিশাল জলরাশির রাজ্যে। উপজেলা পরিষদ চত্বর, মহারকোনা বেড়িবাঁধ, ছাতিরচর এবং আশপাশের এলাকাগুলোতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুরা। বিশেষ করে বিকেলের সূর্যাস্ত উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কিন্তু এই পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই বেড়িবাঁধ ও সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা, রাস্তা ও বাঁধজুড়ে শুকাতে দেওয়া খড় এবং গোবরের তৈরি জ্বালানি (ঘুঁটে) পর্যটকদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণের কারণে নষ্ট হচ্ছে এলাকার নান্দনিকতা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পর্যটকদের কাছে নিকলী হাওরের সৌন্দর্যই সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে ময়লা ফেলা এবং সরকারি জায়গা দখল করে খড় ও ঘুঁটে শুকানোর কারণে পর্যটকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে নিকলীর সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পর্যটকরা বলেন, এত সুন্দর একটি প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্রের এমন নোংরা পরিবেশ হতাশাজনক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং বেড়িবাঁধে দখলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

স্থানীয় ট্রলার মালিক, অটোরিকশা ও ইজিবাইক চালক, রেস্টুরেন্ট এবং আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ষা মৌসুমই তাদের আয়ের প্রধান সময়। পর্যটকদের ওপরই নির্ভর করে তাদের অধিকাংশ ব্যবসা।

তারা বলেন, “সারা বছর আমরা বর্ষার অপেক্ষায় থাকি। পর্যটক এলে আমাদের ব্যবসা সচল থাকে। পর্যটন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্থানীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

এ বিষয়ে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, “বর্ষা মৌসুমে পর্যটকদের আগমনে নিকলীর অর্থনীতি সচল থাকে। এই পর্যটন সম্ভাবনাকে কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। ইতোমধ্যে মাইকিং করে ময়লা-আবর্জনা, খড় ও অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে অভিযান পরিচালনা করে বেড়িবাঁধ ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার এবং দখলমুক্ত করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, শুধু মৌসুমি অভিযান নয়, নিকলী হাওরের পর্যটন এলাকা রক্ষায় স্থায়ী পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। তাদের মতে, এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই হাওর পর্যটনকেন্দ্রের আকর্ষণ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে।