শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ৮ ইউএনও’র রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:০০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ৮ ইউএনও’র রদবদল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন সপ্তাহ আগে দেশের আট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-কে রদবদল করা হয়েছে। তাদের বৃহস্পতিবারের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।

আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বদলি করা ইউএনওদের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটার ইসরাত জাহানকে ভোলার চরফ্যাশনে, চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের মো. আল-আমীনকে ফরিদপুরের নগরকান্দায়, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার রেহেনা আক্তারকে বগুড়ার ধুনটে, হবিগঞ্জের বাহুবলের লিটন চন্দ্র দেকে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে, বগুড়ার ধুনটের প্রীতিলতা বর্মনকে হবিগঞ্জের বাহুবলে, ফরিদপুরের নগরকান্দার মেহরাজ শারবীনকে নেত্রকোনার কলমাকান্দায়, কলমাকান্দার মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় এবং ভোলার চরফ্যাশনের মো. লোকমান হোসেনকে বরগুনার পাথরঘাটায় বদলি করা হয়েছে।

জনপ্রিয় হাওর পর্যটনকেন্দ্র নিকলী, অব্যবস্থাপনায় সৌন্দর্য হারানোর শঙ্কা

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৯:০৪ পূর্বাহ্ণ
জনপ্রিয় হাওর পর্যটনকেন্দ্র নিকলী, অব্যবস্থাপনায় সৌন্দর্য হারানোর শঙ্কা

বর্ষার শুরুতেই প্রাণ ফিরে পেয়েছে কিশোরগঞ্জের হাওরবেষ্টিত পর্যটনকেন্দ্র নিকলী। অথৈ জলরাশি, দিগন্তজোড়া হাওর, ঢেউয়ের দোলা আর মনোমুগ্ধকর সূর্যাস্ত দেখতে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিড় করছেন হাজারো পর্যটক। তবে পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই নিকলী হাওরের অন্যতম আকর্ষণীয় এলাকাগুলো ময়লা-আবর্জনা, খড়ের স্তূপ ও গোবরের তৈরি জ্বালানিতে (ঘুঁটে) দখল হয়ে পড়ায় নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। এতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটক ও ব্যবসায়ীরা।

প্রতি বছরের মতো এবারও জুলাই শুরুর আগ থেকেই থেকে নিকলী হাওর রূপ নিয়েছে এক বিশাল জলরাশির রাজ্যে। উপজেলা পরিষদ চত্বর, মহারকোনা বেড়িবাঁধ, ছাতিরচর এবং আশপাশের এলাকাগুলোতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুরা। বিশেষ করে বিকেলের সূর্যাস্ত উপভোগ করতে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কিন্তু এই পর্যটন মৌসুমের শুরুতেই বেড়িবাঁধ ও সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা, রাস্তা ও বাঁধজুড়ে শুকাতে দেওয়া খড় এবং গোবরের তৈরি জ্বালানি (ঘুঁটে) পর্যটকদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণের কারণে নষ্ট হচ্ছে এলাকার নান্দনিকতা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পর্যটকদের কাছে নিকলী হাওরের সৌন্দর্যই সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে ময়লা ফেলা এবং সরকারি জায়গা দখল করে খড় ও ঘুঁটে শুকানোর কারণে পর্যটকদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে নিকলীর সুনাম ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

পর্যটকরা বলেন, এত সুন্দর একটি প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্রের এমন নোংরা পরিবেশ হতাশাজনক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং বেড়িবাঁধে দখলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।

স্থানীয় ট্রলার মালিক, অটোরিকশা ও ইজিবাইক চালক, রেস্টুরেন্ট এবং আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ষা মৌসুমই তাদের আয়ের প্রধান সময়। পর্যটকদের ওপরই নির্ভর করে তাদের অধিকাংশ ব্যবসা।

তারা বলেন, “সারা বছর আমরা বর্ষার অপেক্ষায় থাকি। পর্যটক এলে আমাদের ব্যবসা সচল থাকে। পর্যটন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে স্থানীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

এ বিষয়ে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, “বর্ষা মৌসুমে পর্যটকদের আগমনে নিকলীর অর্থনীতি সচল থাকে। এই পর্যটন সম্ভাবনাকে কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। ইতোমধ্যে মাইকিং করে ময়লা-আবর্জনা, খড় ও অন্যান্য সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে অভিযান পরিচালনা করে বেড়িবাঁধ ও আশপাশের এলাকা পরিষ্কার এবং দখলমুক্ত করা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, শুধু মৌসুমি অভিযান নয়, নিকলী হাওরের পর্যটন এলাকা রক্ষায় স্থায়ী পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন। তাদের মতে, এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া না হলে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই হাওর পর্যটনকেন্দ্রের আকর্ষণ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাবে।

মসজিদে তওবা করে মাদক ব্যবসা ছাড়ার ঘোষণা ৫ কারবারির

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৪:৪৫ পূর্বাহ্ণ
মসজিদে তওবা করে মাদক ব্যবসা ছাড়ার ঘোষণা ৫ কারবারির

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সতাল পাক্কার মাথা এলাকায় মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয়রা। বায়তুন নূর জামে মসজিদে আয়োজিত এক মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে পাঁচজন মাদক কারবারি প্রকাশ্যে তওবা করে ভবিষ্যতে মাদক ব্যবসাসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেছেন।

অনুষ্ঠানটির প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রহমান। আর পুরো উদ্যোগটির প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন প্রকৌশলী ওমর ফারুক। মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মোজাম্মেল হকের মাধ্যমে আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিরা নিজেদের ভুল স্বীকার করে আল্লাহর কাছে তওবা করেন এবং সুপথে ফিরে আসার প্রতিশ্রুতি দেন।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, যুবসমাজ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। বক্তারা বলেন, মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ভয়াবহ অভিশাপ। মাদক নির্মূলে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, সামাজিক ও ধর্মীয় সচেতনতাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল নূর তারেক বলেন, সদর উপজেলার পাক্কার মাথা এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও মাদকের প্রভাব উদ্বেগজনক। সরকার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেবেন না। কোনো অপরাধ বা মাদক-সংক্রান্ত তথ্য থাকলে গোপনে পুলিশকে জানাতে হবে। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের চলাফেরা ও কর্মকাণ্ডের প্রতি নজর রাখারও আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান সমন্বয়ক আব্দুর রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য বাংলাদেশকে মাদকমুক্ত করা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা কারও বাড়িঘর ভাঙচুর বা কাউকে আঘাত করতে চাই না। যারা ভুল পথে চলে গেছে, তাদের আল্লাহর ঘরে এনে তওবার মাধ্যমে সুপথে ফিরিয়ে আনাই আমাদের উদ্দেশ্য। সমাজকে মাদকমুক্ত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”

প্রধান উদ্যোক্তা প্রকৌশলী ওমর ফারুক বলেন, “দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের আন্দোলন ও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও হামলা, ভাঙচুর কিংবা বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। আমরা সেই পথ বেছে নিইনি। বরং তাদের বুঝিয়ে-সুঝিয়ে, অনুতপ্ত করে স্বেচ্ছায় মাদক ব্যবসা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে উদ্বুদ্ধ করেছি। আজকের তওবা সেই উদ্যোগেরই অংশ। যারা তওবা করেছেন, তারা আর কখনো মাদক ব্যবসায় জড়াবেন না বলে সবার সামনে অঙ্গীকার করেছেন। ভবিষ্যতেও মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের মানবিক ও সচেতনতামূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বায়তুন নূর জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, ইটনা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মো. মোবারক হুসেন এবং বায়তুন নূর জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মোজাম্মেল হক।

আত্মসমর্পণকারী পাঁচ মাদক কারবারি হলেন— শাহানশাহ (পিতা: আরফান শাহ), মো. রুবেল মিয়া (পিতা: মৃত আব্দুর রহিম), মো. রাসেল মিয়া (পিতা: মৃত জামাল উদ্দিন), মো. টুটুল মিয়া (পিতা: হুসেন মিয়া) এবং মো. সাঈদী (পিতা: আলী হুসেন)। তারা সবাই কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার সতাল ভট্টাচার্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত এলাকাবাসী আত্মসমর্পণকারী ব্যক্তিদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে সহযোগিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি মাদকমুক্ত এলাকা গড়ে তুলতে সামাজিকভাবে সবাইকে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

বনানীর বাসা থেকে রাতভর অভিযানের পর গ্রেপ্তার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
বনানীর বাসা থেকে রাতভর অভিযানের পর গ্রেপ্তার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান

সংগ্রহীত ছবি

শ্রম আইনসংক্রান্ত একটি মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে নাভানা গ্রুপ ও আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) ভোরে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ তাকে আটক করে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া শুরু করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি সাজেদুল ইসলাম শুভ্র বনানীর একটি ভবনে অবস্থান করছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত থেকে পুলিশ ওই ভবনের সামনে অবস্থান নেয় এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা দীর্ঘ সময় গেট না খোলায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের রাতভর ভবনের বাইরে অবস্থান করতে হয়। ঘটনাস্থলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় ভবনের ভেতরে অবস্থানরত কয়েকজন ব্যক্তি, যার মধ্যে চালক ও দেহরক্ষীও ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের সঙ্গে অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, ঢাকার প্রথম শ্রম আদালতে দায়ের করা একটি শ্রম বিরোধসংক্রান্ত মামলায় আদালতের রায় দীর্ঘদিন বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলাটি আফতাব অটোমোবাইলসের সাবেক এক কর্মকর্তার পাওনা অর্থ পরিশোধসংক্রান্ত বিরোধ থেকে উদ্ভূত বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

আদালতের তথ্য অনুযায়ী, পাওনা অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সফিউল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানটিকেও প্রতিপক্ষ করা হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, শ্রম আদালতের রায় কার্যকর না হওয়ায় গত ৩ মে ২০২৬ সংশ্লিষ্ট আদালত সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

গ্রেপ্তারের পর সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।