মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জ-৫: স্বতন্ত্র প্রার্থীর চাপে বিএনপি, ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জ-৫: স্বতন্ত্র প্রার্থীর চাপে বিএনপি, ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা

বাঁ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান ইকবাল, বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর অধ্যাপক রমজান আলী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর–নিকলী) আসনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতার পর থেকে একসময় মুসলিম লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনটি পরবর্তী সময়ে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি পেলেও এবারের নির্বাচনে দলটির ভেতরেই বড় ধরনের বিভাজন দেখা দিয়েছে।

দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলায় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল তৃণমূলে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। সামাজিক কর্মকাণ্ড, উন্নয়নমূলক উদ্যোগ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার কারণে দুই উপজেলাতেই তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, “দল আমাকে মূল্যায়ন করছিল। কিন্তু অন্য দলের একজন প্রার্থী তার দলের নিবন্ধন না থাকায় রাতের আঁধারে নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে আমার মার্কা লুট করে নিয়েছে। এই বিচারের ভার আমি বাজিতপুর–নিকলীর জনগণের হাতে তুলে দিলাম। দুই যুগের বেশি সময় ধরে পরিবার-পরিজনের খোঁজ না নিয়ে হামলা-মামলা ও জেল-জুলুম সহ্য করে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি। আজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হচ্ছে—এটা আমার জন্য হৃদয়ের রক্তক্ষরণের মতো।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন এবং এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করবেন।

প্রথমদিকে কেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালকে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিএনপি ও ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদাকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, সৈয়দ এহসানুল হুদার দল বাংলাদেশ জাতীয় দল নিবন্ধন না থাকায় গত ২২ ডিসেম্বর দলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপিতে যোগ দেয়। এরপর তিনি ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান।

উঠান বৈঠকে সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি বাজিতপুর–নিকলীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করবেন। তবে মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয় ভোটাররা। মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বিএনপির ভেতরে স্পষ্ট বিভাজন তৈরি হয়েছে। একাংশ ধানের শীষের পক্ষে থাকলেও তৃণমূলের বড় একটি অংশ শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

পরবর্তীতে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে হাঁস প্রতীক বরাদ্দ পান। এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার নামে বিএনপি থেকে একাধিক ধাপে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ৫৮জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের পরও মাঠে ইকবালের পক্ষে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের তৎপরতা আরও বেড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে মাঠ চাঙা করার চেষ্টা চললেও তা আশানুরূপ ফল দিচ্ছে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সাধারণ মানুষের ধারণা—বিএনপির ভোট এবার দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, যা ধানের শীষের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

এদিকে ১১ দলীয় জোট থেকে মনোনীত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কিশোরগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে দিন-রাত মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি দুই উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ভোটারদের সমর্থন চাইছেন। উঠান বৈঠকে অধ্যাপক রমজান আলী বলেন, নির্বাচিত হলে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী জলমহাল জনগণের জন্য উন্মুক্ত করবেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান ও সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম দলীয় নিবন্ধন না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হরিণ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। উঠান বৈঠকে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে দিঘীরপাড়–পাটুলি এলাকায় চামড়ার ট্যানারি স্থাপনসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবেন।

এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. দেলোয়ার হোসেন (হাতপাখা), জাতীয় পার্টি থেকে মাহবুব আলম (নাঙ্গল), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে মো. সাজ্জাদ হোসেন (হারিকেন) এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মো. অলিউল্লাহ (মোমবাতি) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।

মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মাঠের বাস্তবতায় হাঁস, ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা—এই তিন প্রতীকের মধ্যেই মূল লড়াই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সব মিলিয়ে শেষ মুহূর্তে এসে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

বর্ণিল আয়োজনে কিশোরগঞ্জে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ণ
বর্ণিল আয়োজনে কিশোরগঞ্জে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন

বছর ঘুরে আবারও এলো বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। জীর্ণ-পুরাতন, অশুভ ও অসুন্দরকে পেছনে ফেলে নতুনের আহ্বান নিয়ে শুরু হয়েছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। এ উপলক্ষে কিশোরগঞ্জে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার(১৪ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কিশোরগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী পুরাতন স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরিবেশনায় অংশ নেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। পরে বেলুন উড়িয়ে বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনের পর বর্ণিল আনন্দ শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি পুরাতন স্টেডিয়াম থেকে শুরু হয়ে আখড়াবাজার মোড়সহ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় স্টেডিয়ামে এসে শেষ হয়। ঢাক-ঢোল, মুখোশ, ব্যানার ও লোকজ উপকরণে সাজানো এই শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।

শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য তুলে ধরে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, শিশু একাডেমি ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে একুশে পদকপ্রাপ্ত গুণীজন ইসলাম উদ্দীন পালাকারের পরিবেশনা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান এবং জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার ড. এম. এম. ফরহাদ হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুধীজন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের সময় সবাই দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করেন। পরে দলীয় নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেওয়া হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।

একই দিনে কিশোরগঞ্জ সরকারি গুরুদয়াল কলেজ, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)-এর শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও পৃথকভাবে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করেন। এসব আয়োজন শহরের উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

এদিকে, বৈশাখী মেলায় বিভিন্ন স্টলে দেশীয় পণ্য ও লোকজ সামগ্রী প্রদর্শন করা হয়, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপর উপস্থিতিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পুরো আয়োজন সম্পন্ন হয়। নববর্ষকে ঘিরে কিশোরগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ছিল উৎসবের আমেজ। নতুন বছরের প্রত্যাশা ও শুভকামনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো শহর।

কুলিয়ারচরে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় পুলিশি অভিযানে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে রবিবার (১২ এপ্রিল) বড়চারা বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন নিকলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এম নঈমুল ইসলাম মোস্তাক। তার সঙ্গে অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযান চলাকালে বড়চারা বাজার এলাকা থেকে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ জানায়, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে দুই চোর-ছিনতাইকারী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে দুই চোর-ছিনতাইকারী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনে চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে রেলওয়ে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা তাদের আটক করেন।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নওরা গ্রামের সুমন পাঠানের ছেলে মেহেদি হাসান (২৪) এবং নরসিংদী জেলার পলাশ থানাধীন চরনগরদী গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (২২)।

ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ আহমেদ জানান, আটককৃতরা চিহ্নিত চোর ও ছিনতাইকারী। তারা স্টেশন এলাকায় সুযোগ বুঝে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা ও মালামাল চুরি করত। কখনও নির্জন স্থানে যাত্রীদের পেয়ে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ছিনতাই করত বলেও অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, তাদের বিরুদ্ধে রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। আটক দুই আসামির বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে যথাক্রমে দুই মাস ও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।