বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জ-৫: স্বতন্ত্র প্রার্থীর চাপে বিএনপি, ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জ-৫: স্বতন্ত্র প্রার্থীর চাপে বিএনপি, ত্রিমুখী লড়াইয়ে ভোট বিভক্ত হওয়ার শঙ্কা

বাঁ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান ইকবাল, বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীর অধ্যাপক রমজান আলী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর–নিকলী) আসনে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। স্বাধীনতার পর থেকে একসময় মুসলিম লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনটি পরবর্তী সময়ে বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি পেলেও এবারের নির্বাচনে দলটির ভেতরেই বড় ধরনের বিভাজন দেখা দিয়েছে।

দীর্ঘ দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলায় বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সাবেক জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল তৃণমূলে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। সামাজিক কর্মকাণ্ড, উন্নয়নমূলক উদ্যোগ এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার কারণে দুই উপজেলাতেই তার ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।

উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বলেন, “দল আমাকে মূল্যায়ন করছিল। কিন্তু অন্য দলের একজন প্রার্থী তার দলের নিবন্ধন না থাকায় রাতের আঁধারে নিজ দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়ে আমার মার্কা লুট করে নিয়েছে। এই বিচারের ভার আমি বাজিতপুর–নিকলীর জনগণের হাতে তুলে দিলাম। দুই যুগের বেশি সময় ধরে পরিবার-পরিজনের খোঁজ না নিয়ে হামলা-মামলা ও জেল-জুলুম সহ্য করে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি। আজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হচ্ছে—এটা আমার জন্য হৃদয়ের রক্তক্ষরণের মতো।”

তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে দল-মত নির্বিশেষে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন এবং এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে কাজ করবেন।

প্রথমদিকে কেন্দ্র থেকে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালকে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিএনপি ও ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদাকে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, সৈয়দ এহসানুল হুদার দল বাংলাদেশ জাতীয় দল নিবন্ধন না থাকায় গত ২২ ডিসেম্বর দলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বিএনপিতে যোগ দেয়। এরপর তিনি ধানের শীষ প্রতীকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পান।

উঠান বৈঠকে সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি বাজিতপুর–নিকলীর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করবেন। তবে মাঠের বাস্তবতা ভিন্ন বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয় ভোটাররা। মনোনয়নকে কেন্দ্র করে বিএনপির ভেতরে স্পষ্ট বিভাজন তৈরি হয়েছে। একাংশ ধানের শীষের পক্ষে থাকলেও তৃণমূলের বড় একটি অংশ শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

পরবর্তীতে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে হাঁস প্রতীক বরাদ্দ পান। এ অবস্থায় দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার নামে বিএনপি থেকে একাধিক ধাপে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের মোট ৫৮জন নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের পরও মাঠে ইকবালের পক্ষে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের তৎপরতা আরও বেড়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে মাঠ চাঙা করার চেষ্টা চললেও তা আশানুরূপ ফল দিচ্ছে না বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। সাধারণ মানুষের ধারণা—বিএনপির ভোট এবার দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, যা ধানের শীষের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

এদিকে ১১ দলীয় জোট থেকে মনোনীত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কিশোরগঞ্জ জেলা আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী দাড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে দিন-রাত মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি দুই উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ভোটারদের সমর্থন চাইছেন। উঠান বৈঠকে অধ্যাপক রমজান আলী বলেন, নির্বাচিত হলে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী জলমহাল জনগণের জন্য উন্মুক্ত করবেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবেন।

অন্যদিকে বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান ও সভাপতি অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম দলীয় নিবন্ধন না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে হরিণ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। উঠান বৈঠকে তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে দিঘীরপাড়–পাটুলি এলাকায় চামড়ার ট্যানারি স্থাপনসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবেন।

এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. দেলোয়ার হোসেন (হাতপাখা), জাতীয় পার্টি থেকে মাহবুব আলম (নাঙ্গল), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ থেকে মো. সাজ্জাদ হোসেন (হারিকেন) এবং বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট থেকে মো. অলিউল্লাহ (মোমবাতি) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।

মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মাঠের বাস্তবতায় হাঁস, ধানের শীষ ও দাড়িপাল্লা—এই তিন প্রতীকের মধ্যেই মূল লড়াই সীমাবদ্ধ থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সব মিলিয়ে শেষ মুহূর্তে এসে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে হোসেনপুরে বিএনপির মিছিল

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে হোসেনপুরে বিএনপির মিছিল

নিষিদ্ধ সংগঠনের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় নেতাকর্মীরা দেশবিরোধী সব ধরনের ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন এবং দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

মিছিলে হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম জুয়েল, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম মাহাব্বুর রহমান মাহাবুব, আবু বাক্কার সিদ্দিক বাক্কার, আবুল হাসিম সবুজ, ফরিদ আহম্মেদ, সাদ্দাম হোসেন চাঁন মিয়া, রবিউল আলম রবিন, এ আই খান শিবলু, মোস্তাফিজ রহমান টুটুল, হোসেনপুর পৌর বিএনপি র সভাপতি এ কে এম শফিকুল হক শফিক, সাধারণ সম্পাদক মানছুরুল হক রবিনসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

আয়োজকেরা জানান, দেশকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে বিএনপির এ ধরনের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

ভৈরবে জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রি, তিন আড়তদারকে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
ভৈরবে জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রি, তিন আড়তদারকে জরিমানা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে চিংড়ি মাছে ক্ষতিকর জেলি মিশিয়ে বিক্রির দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে ৭০ কেজি জেলি মেশানো চিংড়ি জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা চিংড়ি মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ভৈরবের পুলতাকান্দা এলাকার নৈশকালীন মৎস্য আড়তে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হকের নেতৃত্বে একটি দল পুলতাকান্দা নৈশকালীন মৎস্য আড়তে অভিযান চালায়।

অভিযানে ডলফিন মৎস্য আড়ত থেকে জেলি মেশানো ২৫ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। জেলি মেশানো চিংড়ি বিক্রির দায়ে আড়ত মালিক ফরহাদ মিয়াকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

একই অভিযানে অন্তর ফিস এন্টারপ্রাইজ থেকে জেলি মেশানো ৩৫ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক অন্তর বর্মণকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ছাড়া বিসমিল্লাহ মৎস্য আড়ত থেকে জেলি মেশানো ১০ কেজি চিংড়ি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় আড়ত মালিক সেলিম মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানে ভৈরব উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সারোয়ার হোসেন, ভৈরব নৌপুলিশের উপপরিদর্শক মো. রহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এএইচএম আজিমুল হক জানান, মৎস্য আড়তে অভিযান চালিয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ কেজি ক্ষতিকর জেলি মেশানো চিংড়ি জব্দ করা হয়েছে। এসব চিংড়ি বিক্রির দায়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযান শেষে জব্দ করা চিংড়ি মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

অষ্টগ্রামে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবার পেল আর্থিক সহায়তা ও ঢেউটিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবার পেল আর্থিক সহায়তা ও ঢেউটিন

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ, গরিব ও অসহায় এবং অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ও গৃহহীন ১২৪টি পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক ও গৃহ নির্মাণ উপকরণ হিসেবে ঢেউটিন বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাথী দাস।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সংসদ সদস্য ফজলুর রহমানের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সায়েদ আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মুকুল, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মজনু মিয়া, উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়িত মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় অষ্টগ্রাম উপজেলার ১২৪টি পরিবারের মধ্যে ২৫টি পরিবারের প্রত্যেককে দুই বান্ডেল করে ঢেউটিন ও ছয় হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয়।

এ ছাড়া বাকি ৯৯টি পরিবারের প্রত্যেককে চার হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তার চেক দেওয়া হয়েছে।