মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩

ভৈরবে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, নৌকা চুরির বিরোধের জেরে হত্যার অভিযোগ

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ভৈরবে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, নৌকা চুরির বিরোধের জেরে হত্যার অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছুরিকাঘাতে সাজ্জাদ মিয়া (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার। সোমবার (৩ আগস্ট) রাত প্রায় ১০টার দিকে উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকার ইউসুফ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা সাজ্জাদকে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান।

নিহত সাজ্জাদ মিয়া লক্ষ্মীপুর এলাকার আরমান মিয়ার ছেলে। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ দিন আগে সাজ্জাদ মিয়ার মামা স্বপন মিয়ার একটি নৌকা চুরির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার রাতে লক্ষ্মীপুর এলাকায় সাজ্জাদের সঙ্গে স্থানীয়ভাবে পরিচিত আনার ওরফে ‘কাইল্যা’ নামে এক ব্যক্তির বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সাজ্জাদকে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সাজ্জাদের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত আনারের বিরুদ্ধে অতীতেও একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। তারা জানান, প্রায় ১৮ বছর আগে সংঘটিত একটি আলোচিত তিন হত্যার মামলায় তিনি আসামি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন কারাভোগের পর প্রায় এক বছর আগে এলাকায় ফিরে আসেন। এরপর তিনি আবারও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিহতের বাবা আরমান মিয়া বলেন, “আমার সম্বন্ধী স্বপন মিয়ার নৌকা কয়েকদিন আগে চুরি হয়। সেই ঘটনার জের ধরে আমার ছেলেকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমি এ হত্যার বিচার চাই।”

নিহতের মা শিউলি বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “রাতে ছেলে মাছ ধরতে বের হয়েছিল। পরে খবর পাই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমি আমার সন্তানের হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কিশোর কুমার ধর বলেন, “রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাজ্জাদ মিয়াকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার বাম কাঁধে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।”

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নৌকা চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে প্রায় ৬ কোটি টাকার প্রকল্প, কাজ পরিদর্শনে ইউএনও

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৪২ অপরাহ্ণ
শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের উন্নয়নে প্রায় ৬ কোটি টাকার প্রকল্প, কাজ পরিদর্শনে ইউএনও

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের সৌন্দর্য বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের অগ্রগতি মঙ্গলবার সরেজমিনে পরিদর্শন করেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হাসান মারুফ। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ঈদুল ফিতরের সময় শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠ পরিদর্শনকালে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল মাঠটির সার্বিক উন্নয়নের আশ্বাস দেন। এর ধারাবাহিকতায় সরকার প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করে।

প্রকল্পের আওতায় ঈদগাহ মাঠে মাটি ভরাট করে ভূমি উঁচু করা, জলাবদ্ধতা নিরসনে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ এবং চারপাশে সুরক্ষামূলক স্লোপ নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে পুরো মাঠ ঘিরে দৃষ্টিনন্দন সীমানা প্রাচীর ও নতুন প্রবেশদ্বার নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এ ছাড়া দূর-দূরান্ত থেকে আগত লাখো মুসল্লির অজুর সুবিধার্থে ঈদগাহ সংলগ্ন পুকুরের তিন পাশে ঘাটলা নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের আওতায় সংলগ্ন মসজিদকে তিনতলা ভবনে উন্নীত করার পাশাপাশি আধুনিক ওজুখানা, ওয়াশরুম এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধাও নির্মাণ করা হবে।

পরিদর্শন শেষে ইউএনও কামরুল হাসান মারুফ বলেন, ‘আগামী ঈদুল ফিতরের আগেই মাঠ ভরাট, সীমানা প্রাচীর এবং পুকুরের ঘাটলা নির্মাণের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রকল্পের অন্যান্য অবকাঠামোগত কাজ বাস্তবায়ন করা হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসন্ন ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য কিশোরগঞ্জ সফরকে সামনে রেখে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠকে সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও দৃষ্টিনন্দনভাবে প্রস্তুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

পরিদর্শনকালে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা স্থানীয় মুসল্লি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন। উন্নয়ন কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠের ঐতিহাসিক মর্যাদা আরও সমুন্নত হবে। পাশাপাশি ঈদের জামাতে অংশ নিতে আসা লাখো মুসল্লির জন্য আধুনিক, নিরাপদ ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত হবে।

তাড়াইলে প্রতিবন্ধী ভিক্ষুককে পিটিয়ে হত্যা, ছিনতাইয়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে প্রতিবন্ধী ভিক্ষুককে পিটিয়ে হত্যা, ছিনতাইয়ের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে হুইলচেয়ারে চলাফেরা করা এক বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত হাবুল মিয়া (৫২) তাড়াইল উপজেলার বরুহা (রাজঘাট) গ্রামের মৃত মন্নাছ মিয়ার ছেলে। তিনি স্থানীয় তাড়াইল সিএনজি স্ট্যান্ডে ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২ আগস্ট) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৪০ মিনিটে নিজ বাড়ির সামনের কাঁচা সড়কে অবস্থান করছিলেন হাবুল মিয়া। এ সময় অজ্ঞাতপরিচয় দুই থেকে তিনজন দুর্বৃত্ত কাঠ দিয়ে তাঁর মাথায় সজোরে আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। হামলার পর দুর্বৃত্তরা তাঁর সঙ্গে থাকা টাকা-পয়সা নিয়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।

বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় হাবুল মিয়া চিৎকার করে সাহায্য চাইতে পারেননি। পরে তাঁর গোঙানির শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।

আহত অবস্থায় প্রথমে তাঁকে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার দুপুর ২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হাবুল মিয়ার স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকেন। তিনি গ্রামের বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।

এ ঘটনায় নিহতের খালাতো ভাই আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে তাড়াইল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

তাড়াইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে বড় পরিবর্তন, দাতার ভোগদখলের অধিকার বহাল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে বড় পরিবর্তন, দাতার ভোগদখলের অধিকার বহাল

সম্পত্তি দান করলেও দাতা তার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের আইনি অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন—এমন বিধান রেখে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা।

বর্তমানে প্রচলিত ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ অনুযায়ী, কেউ সম্পত্তি দান করলে তার মালিকানা ও ভোগদখলের অধিকার সম্পূর্ণভাবে গ্রহীতার কাছে চলে যায়। তবে নতুন সংশোধনী কার্যকর হলে সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর হলেও দাতা জীবদ্দশায় সেই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহার করার আইনি অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন। অর্থাৎ, দানকৃত সম্পত্তির মালিকানা গ্রহীতার কাছে গেলেও দাতার জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার অক্ষুণ্ন থাকবে।

একই বৈঠকে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’-এর খসড়ারও নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই আইন গুম প্রতিরোধ, গুমের ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিচার, নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো তৈরি করবে।

খসড়া আইনে গুম হওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য আদালতের মাধ্যমে তল্লাশি পরোয়ানা জারির বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা, ডিজিটাল সাক্ষ্য গ্রহণ, সাক্ষী, অভিযোগকারী, তথ্য প্রকাশকারী এবং ভুক্তভোগীর পরিচয় ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ আইনে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের তদন্তের অগ্রগতি, ঘটনার প্রকৃত তথ্য এবং গুম হওয়া ব্যক্তির অবস্থান বা পরিণতি জানার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি আইনগত সহায়তা, চিকিৎসাসেবা, পুনর্বাসন এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য পৃথক তহবিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।

খসড়া অনুযায়ী, দণ্ডিত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুযোগ থাকবে। কোনো কারণে তা সম্ভব না হলে রাষ্ট্র ক্ষতিপূরণ প্রদান করবে।

এ ছাড়া মন্ত্রিসভা ‘অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা, ২০২৬’ এবং ‘ঔষধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি, ২০২৬’ বাতিলের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। তবে ১৯৯৪ সালের অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা এবং সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা বহাল থাকবে।

মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সম্পত্তি দানসংক্রান্ত আইনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। একই সঙ্গে গুম প্রতিরোধ ও ভুক্তভোগীদের অধিকার সুরক্ষায় একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠার পথও সুগম হবে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41