শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১ ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১ ১৪৩২

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাত আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাত আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয়

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের সাতটি সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। জয়ী সাতজন হলেন—রুমিন ফারহানা, লুৎফর রহমান খান আজাদ, শেখ মজিবুর রহমান, আব্দুল হান্নান, আতিকুল আলম, সালমান ওমর এবং এ জেড এম রেজওয়ানুল হক।
জয়ী এই সাতজনই নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতা ছিলেন। তবে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন। এ কারণে নিজ নিজ এলাকায় তারা বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
কে কোন আসন থেকে জয়ী
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক)
এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা (হাঁস প্রতীক) বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের জুনায়েদ আল হাবিবের চেয়ে তিনি ৩৭ হাজার ৫৬৮ ভোট বেশি পান। রুমিন ফারহানা এর আগে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে এবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন।
টাঙ্গাইল–৩ (ঘাটাইল)
এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী লুৎফর রহমান খান আজাদ জয়ী হয়েছেন। বিএনপির সাবেক নেতা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী লুৎফর রহমান খান আজাদ মোটরসাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ৯০১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ওবায়দুল হক নাসির পেয়েছেন ৮২ হাজার ৭৬৯ ভোট। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।
কিশোরগঞ্জ–৫ (বাজিতপুর–নিকলী)
এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ৭৯ হাজার ৬০৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪৫০ ভোট। শেখ মজিবুর রহমান ২০১৮ সালে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
চাঁদপুর–৪ (ফরিদগঞ্জ)
এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হান্নান বিজয়ী হয়েছেন। উপজেলা বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত আব্দুল হান্নান পেয়েছেন ৭৪ হাজার ১৭৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ১৫৫ ভোট।
কুমিল্লা–৭ (চান্দিনা)
এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল আলম ওরফে শাওন (কলস প্রতীক) ৯১ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সভাপতি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেদোয়ান আহমদ পেয়েছেন ৪৮ হাজার ৫০৯ ভোট।
ময়মনসিংহ–১ (হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া)
এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর জয়ী হয়েছেন। বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭ হাজার ২৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩৬ ভোট। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় সালমান ওমরকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।
দিনাজপুর–৫
এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী এ জেড এম রেজওয়ানুল হক ১ লাখ ১৪ হাজার ৪৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আব্দুল আহাদ পেয়েছেন ১ লাখ ১০ হাজার ১৯৫ ভোট। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন এ কে এম কামরুজ্জামান। রেজওয়ানুল হক বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলায় গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট এগিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ জেলায় গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট এগিয়ে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে কিশোরগঞ্জ জেলায় ‘হ্যাঁ’ ভোট সামনে আছে, যেখানে আনুমানিক ৮ লাখ ৭৬ হাজার ১৮৭ জন ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন, এবং ৩ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার ‘না’ ভোট দিয়েছেন।
এই তথ্যটি বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের বেসরকারি গণনা ও ফলাফলের ভিত্তিতে সংগৃহীত।
দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত গণভোটে সাধারণত ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের গণনা জেলা ও আসনভিত্তিকভাবে করা হয়, এবং কিশোরগঞ্জের ফলাফলেও ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যাই ‘না’ ভোটের চেয়ে অনেক বেশি। এতে দেখা গেছে জনগণের বড় অংশ গণভোটের পক্ষে মত ব্যক্ত করেছেন।
দেশব্যাপী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট বিপুলভাবে বিজয়ী হয়েছে বলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এ তথ্য জানিয়েছে; মোট দেশজুড়ে প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ভোট ‘হ্যাঁ’, আর ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ভোট ‘না’ পড়ে।

কিশোরগঞ্জ-২ আসনে ধানের শীষের জালাল উদ্দিন বেসরকারিভাবে বিজয়ী

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ-২ আসনে ধানের শীষের জালাল উদ্দিন বেসরকারিভাবে বিজয়ী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-২(কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলামকে ২২ হাজার ৬শত ৯৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।
বৃহস্পতিবার উৎসবমুখর পরিবেশে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত লাইনে দাড়িয়ে সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। পুরুষের চেয়ে নারী ভোটরদের উপস্থিতি ছিলো বেশি। ভোট গ্রহণ ও গণনা শেষে দিবাগত রাতে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা তিনি তাঁর কার্যালয়ে ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি’র প্রার্থী এডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬শত ৬৯ ভোট। দাড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াতের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯শত ৭৫ ভোট। এ আসনে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ায় মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লক্ষ ৩২ হাজার ৫শত ১৬টি। মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১শত ৭১ টি। পোস্টাল ভোটসহ সর্বমোট ১শত ৭১ টি কেন্দ্রে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লক্ষ ৮০ হাজার ০১১ টি। মোট বাতিল ভোটের সংখ্যা ৭ হাজার ৩শত ৯৫ টি এবং সর্বমোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লক্ষ ৭২ হাজার ৬শত ১৬ টি।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী নুর উদ্দীন আহমেদ মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ১ হাজার ৩শত ১৩ ভোট, মোঃ আনিসুজ্জামান খোকন ময়ূর প্রতীকে পেয়েছেন ৩শত ৬৩ ভোট, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোঃ আফজাল হোসেন ভূঁইয়া লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ১শত ১৩ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মো. আবুল বাশার রেজওয়ান হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৫শত ৬৬ ভোট, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) মনোনীত প্রার্থী মো. বিল্লাল হোসেন টেলিভিশন ২শত ২২ ভোট এবং গণধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মোঃ শফিকুল ইসলাম ট্রাক প্রতীকে ৩শত ৯৫ ভোট। এই আসনে শতকরা ভোটের হার ৫২.৫৮%।
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, পোস্টাল ভোটসহ ১৭১টি কেন্দ্রের ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন ২২ হাজার ৬৯৪ ভোটের এগিয়ে থেকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
ফলাফল ঘোষণার সময় বিজয়ী প্রার্থী এডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন এবং ফল ঘোষণার পর তিনি জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা কাছ থেকে ফলাফলের একটি খসড়া কপি গ্রহণ করেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় হতে কিশোরগঞ্জের ছয় আসনের বেসরকারি ফল ঘোষণা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় হতে কিশোরগঞ্জের ছয় আসনের বেসরকারি ফল ঘোষণা

কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬-এর বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির প্রার্থী এবং একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ–১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর)
১৮১টি ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ১৮টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোটের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম ১ লাখ ২৪ হাজার ৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা হেদায়েতউল্লাহ হাদী (রিকশা প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ১৩২ ভোট।
কিশোরগঞ্জ–২ (পাকুন্দিয়া–কটিয়াদী)
১৭০টি কেন্দ্রের ৯৮৮টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোট গণনা শেষে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম মোড়ল (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯৭৫ ভোট।
কিশোরগঞ্জ–৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল)
১৫১টি কেন্দ্রের ৮২৩টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোটের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক ১ লাখ ১২ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. কর্নেল জিহাদ খান (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৪৭৬ ভোট।
কিশোরগঞ্জ–৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম)
১৫০টি কেন্দ্রের ৭৯৬টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোট গণনা শেষে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ১ লাখ ৩২ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রোকন রেজা পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮২৯ ভোট।
কিশোরগঞ্জ–৫(বাজিতপুর-নিকলী)
১১৯টি কেন্দ্রের ৬৬৪টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোটের ফলাফলে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ৭৯ হাজার ৬০৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা (ধানের শীষ প্রতীক) পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪৫০ ভোট।
কিশোরগঞ্জ–৬(কুলিয়ারচর-ভৈরব)
১৪২টি কেন্দ্রের ৮১৬টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোট গণনা শেষে বিএনপির প্রার্থী মো. শরীফুল আলম ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন (রিকশা প্রতীক) পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৫ ভোট।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, বেসরকারিভাবে ঘোষিত এসব ফলাফলের চূড়ান্ত অনুমোদন ও সরকারি ঘোষণা দেবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।