রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ ১৪৩২

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় হতে কিশোরগঞ্জের ছয় আসনের বেসরকারি ফল ঘোষণা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় হতে কিশোরগঞ্জের ছয় আসনের বেসরকারি ফল ঘোষণা

কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬-এর বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা।
ঘোষিত ফল অনুযায়ী, জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির প্রার্থী এবং একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ–১ (কিশোরগঞ্জ সদর–হোসেনপুর)
১৮১টি ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ১৮টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোটের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. মাজহারুল ইসলাম ১ লাখ ২৪ হাজার ৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা হেদায়েতউল্লাহ হাদী (রিকশা প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ১৩২ ভোট।
কিশোরগঞ্জ–২ (পাকুন্দিয়া–কটিয়াদী)
১৭০টি কেন্দ্রের ৯৮৮টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোট গণনা শেষে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম মোড়ল (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৯৭৫ ভোট।
কিশোরগঞ্জ–৩ (করিমগঞ্জ–তাড়াইল)
১৫১টি কেন্দ্রের ৮২৩টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোটের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. ওসমান ফারুক ১ লাখ ১২ হাজার ৪৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. কর্নেল জিহাদ খান (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ৪৭৬ ভোট।
কিশোরগঞ্জ–৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম)
১৫০টি কেন্দ্রের ৭৯৬টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোট গণনা শেষে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ১ লাখ ৩২ হাজার ৪৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রোকন রেজা পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৮২৯ ভোট।
কিশোরগঞ্জ–৫(বাজিতপুর-নিকলী)
১১৯টি কেন্দ্রের ৬৬৪টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোটের ফলাফলে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ৭৯ হাজার ৬০৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা (ধানের শীষ প্রতীক) পেয়েছেন ৬৬ হাজার ৪৫০ ভোট।
কিশোরগঞ্জ–৬(কুলিয়ারচর-ভৈরব)
১৪২টি কেন্দ্রের ৮১৬টি ভোটকক্ষ ও পোস্টাল ভোট গণনা শেষে বিএনপির প্রার্থী মো. শরীফুল আলম ১ লাখ ৮৭ হাজার ১৫৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন (রিকশা প্রতীক) পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৯৫ ভোট।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, বেসরকারিভাবে ঘোষিত এসব ফলাফলের চূড়ান্ত অনুমোদন ও সরকারি ঘোষণা দেবে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান, পাকুন্দিয়ায় র‍্যালি ও মশক নিধন কার্যক্রম

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান, পাকুন্দিয়ায় র‍্যালি ও মশক নিধন কার্যক্রম

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুপম দাসের নেতৃত্বে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

পরে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুপম দাস। এরপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পাকুন্দিয়া থানা এবং পৌরসদর বাজার এলাকায় এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজ রিফাত জাহান, পাকুন্দিয়া পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ রোভার স্কাউটের সদস্যরা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাজিতপুরে উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাজিতপুরে উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সমন্বিত পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। পরে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় মশা নিধন মেশিনের মাধ্যমে ওষুধ ছিটিয়ে মশা দমন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে উপজেলা চত্বর থেকে একটি সচেতনতামূলক র‌্যালি বের করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম সোহাগ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, বাজিতপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. সোহাগ, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাজাহান সিরাজসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।

অভিযান চলাকালে কর্মকর্তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে না রাখার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন

“নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, সবাই মিলে সুস্থ থাকি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় কিশোরগঞ্জ শহরের আখড়া বাজার ব্রিজসংলগ্ন শাপলা চত্বরে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর–হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, জেলা পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন, জেলা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভার পৌর প্রশাসক জেবুন নাহার শাম্মী, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফ, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শফিকুর রহমান এবং পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

এ সময় শহরের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই আগাম সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। এডিস মশা পরিষ্কার পানিতে জন্মায় উল্লেখ করে তারা বাসাবাড়ি, ছাদ, বাগান ও আশপাশে কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমে না রাখার পরামর্শ দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম এ কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালনার নির্দেশনা দেন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, প্রতি শনিবার এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পৌর প্রশাসক জেবুন নাহার শাম্মী বলেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত অভিযান চলমান থাকবে।

বক্তারা আরও বলেন, এডিস মশা মূলত দিনের বেলাতেই বেশি কামড়ায়। তাই দিনের বেলাতেও মশারি ব্যবহারসহ ব্যক্তিগত সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। কারও জ্বর দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনে ডেঙ্গু পরীক্ষা করার আহ্বান জানানো হয়। জ্বর কমে গেলেও ডেঙ্গুর জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বাড়ি না ফেরার পরামর্শ দেন তারা।

কিশোরগঞ্জ পৌরসভা জানায়, এই কর্মসূচির আওতায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফগিং, লার্ভিসাইড স্প্রে, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে।