মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২ ১৪৩২
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২ ১৪৩২

পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনার নাম: ১৬ বছরেও মীমাংসা হয়নি বিচার প্রক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শেখ হাসিনার নাম: ১৬ বছরেও মীমাংসা হয়নি বিচার প্রক্রিয়া

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়া দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো শেষ হয়নি। বহুল আলোচিত এই মামলাটি বর্তমানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলার বিভিন্ন সাক্ষীর জবানবন্দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শেখ ফজলে নূর তাপস, মির্জা আজম, জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ তৎকালীন কয়েকজন মন্ত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। বিস্ফোরক মামলার চিফ প্রসিকিউটর বোরহান উদ্দিন বলেন, সাক্ষ্যে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় আসামির সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৮০০ জন। মোট ১ হাজার ২০০ জন সাক্ষীর মধ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। প্রসিকিউশন পক্ষের দাবি, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন সাক্ষীর জবানবন্দিতে নতুন করে আরও কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে এসেছে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। ঘটনাটি দেশের ইতিহাসে অন্যতম নৃশংস অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

এ ঘটনায় বিচারিক আদালত ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে হাইকোর্ট ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। এছাড়া ১৮৫ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২২৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে, ২৮৩ জন আসামি খালাস পান।

মামলাটি এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় আসামি ও নিহত সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারগুলোকে অপেক্ষার প্রহর গুনতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সত্য উদঘাটিত হবে।

কিশোরগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে অনলাইন জুয়া খেলায় জড়িত একজন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে অনলাইন জুয়া খেলায় জড়িত একজন গ্রেপ্তার

সিপিসি-২, র‍্যাব-১৪, কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ সদর থানার যশোদল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অনলাইন জুয়া খেলার সঙ্গে জড়িত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে পরিচালিত ওই অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় মো. ওবায়দুল্লাহকে (৩২)।

র‍্যাব জানায়, উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করে জুয়া খেলায় ব্যবহৃত নগদ ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৭০ টাকা এবং জুয়া খেলার বিভিন্ন অ্যাপস সংবলিত দুটি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা আলামতগুলো জব্দ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় র‍্যাব।

কটিয়াদীতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ইউএনওর বাজার তদারকি জোরদার

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ইউএনওর বাজার তদারকি জোরদার

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও সবজির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাজার তদারকি জোরদার করেছে উপজেলা প্রশাসন।

গতকাল মঙ্গলবার(২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কটিয়াদী বাজারে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আফরোজ মারলিজ। এ সময় তিনি বিভিন্ন দোকান ঘুরে নিত্যপণ্যের মূল্যতালিকা যাচাই করেন এবং বিক্রয়মূল্য পর্যবেক্ষণ করেন।

অভিযানকালে সবজি, ফল, চাল, ডাল ও মশলার দোকানে পণ্যের মূল্যতালিকা পরীক্ষা করা হয়। পাশাপাশি নির্ধারিত দামে পণ্য বিক্রি হচ্ছে কি না, তা তদারকি করা হয়। ইউএনও বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে কেউ যেন অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বৃদ্ধি করতে না পারে, সে জন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, ভেজাল ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সব ব্যবসায়ীকে দোকানের দৃশ্যমান স্থানে মূল্যতালিকা প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দ্রব্যমূল্য যেন সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকে, সে লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে অনিয়ম পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

এ সময় স্যানিটারি ইন্সপেক্টর দিদারুল আলম রাসেল উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ বলেন, নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কারাগার থেকে জানাজায়: বাবার লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ছাত্রলীগ কর্মী বাদশা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
কারাগার থেকে জানাজায়: বাবার লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ছাত্রলীগ কর্মী বাদশা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার দ্বীপেচর গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে, উপজেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী বাদশা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অংশ নিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। বাবার মৃত্যুসংবাদ পেয়ে তিনি কারাগার থেকে সাময়িক মুক্তির অনুমতি নিয়ে নিজ এলাকায় আসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জানাজার নামাজে অংশ নেওয়ার সময় বাবাকে শেষবারের মতো দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাদশা। তাঁর এই হৃদয়বিদারক মুহূর্ত উপস্থিত মুসল্লিদেরও আবেগাপ্লুত করে তোলে।

এ সময় পরিবার-পরিজন, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসী তাঁকে সান্ত্বনা দেন। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুম দুলাল মিয়ার দাফন সম্পন্ন করা হয়।

এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) জানাজা ও দাফন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।