শরীফুল আলমসহ ৮ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব কমল, বাড়ল দুই উপদেষ্টার
নতুন সরকারের আটজন প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দুই রাজনৈতিক উপদেষ্টার দায়িত্ব ও দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। এর ফলে প্রতিমন্ত্রীদের অধীন থাকা মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা কমানো হয়েছে। পুনর্বণ্টনের অংশ হিসেবে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এখন থেকে শুধু বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।
আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দপ্তর ও দায়িত্ব পুনর্বণ্টন করেন।
অন্যদের মধ্যে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে শুধু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদকে রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানকে নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জোনায়েদ সাকি) শুধু পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীনকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুরকে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
পৃথক প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রীর ১০ উপদেষ্টার মধ্যে দুজনের দায়িত্ব বাড়ানো হয়েছে। নজরুল ইসলাম খান রাজনৈতিক উপদেষ্টার পাশাপাশি কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ রাজনৈতিক উপদেষ্টার পাশাপাশি শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় ১০ জনকে উপদেষ্টা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।
শিল্প ও বাণিজ্য খাতে দায়িত্ব থেকে শরীফুল আলমের সরে আসার বিষয়টি কিশোরগঞ্জবাসীর জন্য হতাশার বলে মনে করছেন অনেকে। শিল্প ও বাণিজ্যে পিছিয়ে থাকা কিশোরগঞ্জ জেলার মানুষ তার হাত ধরে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও নতুন দিনের স্বপ্ন দেখেছিলেন বলে স্থানীয় মহলের অভিমত।







