সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ২৬ ১৪৩২
সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬, ২৬ ১৪৩২

তেলের পাম্পে ‘তেল নেই’ ঘোষণা: যুদ্ধের ছায়া, নাকি কৃত্রিম সংকট?

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
তেলের পাম্পে ‘তেল নেই’ ঘোষণা: যুদ্ধের ছায়া, নাকি কৃত্রিম সংকট?

প্রতীকী ছবি

রাজধানী ঢাকার রাজপথে গতকাল এক অদ্ভুত বৈপরীত্যের ছবি ফুটে উঠেছে। একদিকে সরকারের নীতিনির্ধারক ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আশ্বাস—‘তেলের কোনো অভাব নেই, মজুত পর্যাপ্ত’; অন্যদিকে সাধারণ মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা—‘পাম্পে তালা, মাইকে তেল নেই ঘোষণা’। মধ্যপ্রাচ্যের ইরানইসরায়েল যুদ্ধের আঁচ যেন হাজার মাইল দূরের বাংলাদেশের তেলের বাজারেও এসে লেগেছে।

গতকাল সকাল থেকে ঢাকা শহরের অলিগলি ও প্রধান সড়কগুলোতে যে হাহাকার দেখা গেছে, তা কেবল তেলের সংকট নয়; বরং সাধারণ মানুষের জীবন–জীবিকার ওপর এক বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকেই রাজধানীর চিত্র বদলাতে শুরু করে। বিকেলে যেখানে দীর্ঘ সারি ছিল, শনিবার সকালে সেখানে দেখা গেছে সুনসান নীরবতা কিংবা ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড।

অথচ গতকালই জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রাজধানীর কয়েকটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করে দাবি করেন, দেশে তেলের কোনো সংকট নেই এবং আগামী সপ্তাহেই নতুন তেলের জাহাজ বন্দরে পৌঁছাবে। কিন্তু মন্ত্রীদের এই আশ্বাস মাঠপর্যায়ে তেমন কোনো স্বস্তি ফেরাতে পারেনি। বরং পাম্প মালিকদের একাংশের রহস্যময় আচরণ এবং সরবরাহ ব্যবস্থার স্থবিরতা সাধারণ মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

রাজধানীর তেজগাঁও, সাতরাস্তা ও ধানমন্ডি এলাকার বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রবেশপথ দড়ি দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। কর্মচারীরা অলস সময় পার করছেন।

পাম্প মালিকদের দাবি, ডিপো থেকে তেলের সরবরাহ কমে গেছে। তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) বলছে ভিন্ন কথা। তাদের মতে, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পাম্প মালিকদের একটি অংশ ভবিষ্যতে দাম বাড়ার আশায় তেল মজুত করে রাখছে অথবা কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে।

মগবাজারের একটি পাম্পের ব্যবস্থাপক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “গতকাল রাতেও তেলের জন্য মানুষ মারামারি করেছে। আমাদের যে পরিমাণ তেল ছিল, তা রাতেই শেষ হয়ে গেছে। নতুন করে ডিপো থেকে গাড়ি আসেনি।”

তবে সাধারণ মানুষের অভিযোগ, কিছু পাম্প পরিচিত গ্রাহকদের কাছে বা বেশি দামে গোপনে তেল বিক্রি করছে। এই অরাজকতা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর কোনো নজরদারি চোখে পড়েনি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ইরান ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করলেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে এর প্রভাব এখনই তেলের ‘শূন্য মজুত’ পর্যায়ে পৌঁছানোর কথা নয়। তাদের মতে, এটি মূলত একটি ‘মনস্তাত্ত্বিক সংকট’।

এই সংকটের পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হচ্ছেঃ  ১. প্যানিক বায়িং: অনেকেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনে মজুত করছেন।  ২. গুজব: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে’ ধরনের বার্তায় মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পাম্পে ভিড় করছেন।  ৩. বাজার নিয়ন্ত্রণহীনতা: সরকারের আশ্বাসের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতার মিল না থাকায় মানুষের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। দ্রুত তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে এবং পাম্পগুলোতে তদারকি বাড়ানো না হলে এর প্রভাব সরাসরি নিত্যপণ্যের বাজারেও পড়তে পারে। পরিবহন ধর্মঘট বা ভাড়া বৃদ্ধির মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়বে।

যারা দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল, তাদের কথা বিবেচনায় রেখে সরকারকে কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরাঃ ডিপো থেকে সরবরাহ ত্বরান্বিত করা: বর্তমান মজুত থেকে দ্রুত পাম্পগুলোতে তেল পৌঁছে দেওয়া।  ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা: তেল থাকা সত্ত্বেও ‘নেই’ বলে বিক্রি বন্ধ রাখা পাম্পগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।  সঠিক তথ্য প্রকাশ: প্রতিদিন কোন পাম্পে কত তেল সরবরাহ হচ্ছে, তা সরকারিভাবে প্রকাশ করা।

যুদ্ধ পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তেই হোক না কেন, তার মাশুল যেন দেশের খেটে খাওয়া মানুষকে দিতে না হয়—এটাই এখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা।

নিকলীতে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

শেখ উবাইদুল হক সম্রাট প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫১ অপরাহ্ণ
নিকলীতে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানায় পুলিশের উদ্যোগে ওপেন হাউজ ডে-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১২টায় নিকলী থানা ভবনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিকলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম। ওসি (তদন্ত) আক্তার খানের সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাজিতপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার তৃপ্তি মণ্ডল।

ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং স্থানীয় যুবসমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনায় ঈদকে সামনে রেখে বাজারে জাল টাকা বিনিময় প্রতিরোধ, যানজট নিরসন, মহিলা পকেটমারদের দৌরাত্ম্য রোধ, নিকলীর বিভিন্ন স্থানে মাদক বিক্রি ও ভাসমান ইয়াবা বিক্রেতাদের প্রতিরোধসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে পুলিশ ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এসব বিষয়ে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে মাদকসহ অন্যান্য অপরাধ দমনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় দৈনিক কিশোরগঞ্জের নিজস্ব প্রতিবেদক, নিকলী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ উবাইদুল হক সম্রাট সহ অন্যান্য সাংবাদিক উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশ নেন।

বাজিতপুরে নদীর ওপর বহুতল ভবনের পাইলিং: পরিবেশ ও জননিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে নদীর ওপর বহুতল ভবনের পাইলিং: পরিবেশ ও জননিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার হিলচিয়া বাজার সংলগ্ন কাদাঙ্গী নদীর ওপর নির্মিত গুরুই–নিকলী সড়কের ব্রিজের পাশ ঘেঁষে বহুতল ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে পাইলিং কাজ চলায় পরিবেশ ও জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই নদীর ওপর এ ধরনের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

জানা যায়, হিলচিয়া মৌজার ৭৮৩ নম্বর খতিয়ানের ৯৬২ নম্বর দাগের মৃত জগতীশ চন্দ্র সাহার ছেলে ঝুন্টু লাল সাহার ৯১ শতাংশ জমিতে নদী ও ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে সাততলা ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে কয়েক মাস ধরে পাইলিং কার্যক্রম চলছে। এলাকাটি হিলচিয়া বাজার থেকে নিকলী–বাজিতপুর সংযোগ সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হওয়ায় প্রতিদিন হাজারো যানবাহন ও মানুষের চলাচল রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আসাদ অভিযোগ করে বলেন, “নদীর ওপর শ্রেণি পরিবর্তন ছাড়া এবং পরিবেশগত বিষয় বিবেচনা না করেই ব্রিজের গা ঘেঁষে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। পাইলিংয়ের কারণে ভবিষ্যতে ব্রিজের স্থায়িত্ব ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়।”

একই ধরনের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ড্রাইভার রহমত আলী। তিনি বলেন, “নদীর ওপর এভাবে ভবন নির্মাণের ঘটনা খুব একটা দেখা যায় না। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে অনেক সময় হুমকির মুখেও পড়তে হয়। তাই অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে চান না।”

গুরুই ইউনিয়নের বাসিন্দা মতিউর রহমান জানান, বর্ষা মৌসুমে এই নদীটি তিনটি উপজেলার পানি প্রবাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ। তিনি বলেন, “কটিয়াদী, বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলার ভললার বিলের পানি কাদাঙ্গী নদী দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ঘোড়াউত্রা নদীতে গিয়ে মিশে। বর্ষা মৌসুমে শত শত নৌকা ও জেলেরা মাছ নিয়ে হিলচিয়া মাছের আড়তে আসে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে কৃষি, মৎস্য ও নৌ-যোগাযোগে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

এ বিষয়ে হিলচিয়া ইউনিয়নের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. সবুজ মিয়া বলেন, “বহুতল ভবন নির্মাণের বিষয়টি আমাদের জানা আছে এবং রেকর্ডপত্রে মালিকানার তথ্যও রয়েছে। তবে জমির শ্রেণি পরিবর্তন বা পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো ছাড়পত্র নেওয়া হয়েছে কি না—সে বিষয়ে আমি অবগত নই। ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে পাইলিংয়ের ফলে ঝুঁকি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”

হিলচিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাজহারুল হক নাহিদ জানান, “আমার পরিষদ থেকে এ ধরনের বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য কোনো অনুমোদন দেওয়া হয়নি।”

এ বিষয়ে জমির মালিক ঝুন্টু লাল সাহা বলেন, “জমিটি আমার নিজস্ব মালিকানাধীন। এখনো শ্রেণি পরিবর্তন করা হয়নি, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রও নেওয়া হয়নি এবং ইউনিয়ন পরিষদ থেকেও কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি। আমি মূলত এলাকার উন্নয়নের কথা ভেবেই ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। যদি এলাকাবাসী এতে আপত্তি করে, তাহলে আমি কাজ বন্ধ করে দেব।”

তিনি আরও বলেন, “ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে মাটির সয়েল টেস্ট সম্পন্ন করার পর ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করে নিয়ম মেনে শ্রেণি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করব। কোনোভাবেই ব্রিজ বা পরিবেশের ক্ষতি করার মতো কিছু করা হচ্ছে না। প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো নির্দেশনা থাকলে আমরা তা মেনে চলব।”

বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম সোহাগ বলেন, “বর্তমান সরকার নদীর নাব্যতা রক্ষা ও পুনরুদ্ধারে কাজ করছে। জমির মালিকের দাবি অনুযায়ী এটি তার নিজস্ব জমি হলেও বিষয়টি যাচাই করা হবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথভাবে মাপজোক ও তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নদীর ওপর বা গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ সংলগ্ন স্থানে বহুতল ভবন নির্মাণের আগে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (EIA), যথাযথ শ্রেণি পরিবর্তন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যতে সড়ক যোগাযোগ, নৌ-চলাচল ও জননিরাপত্তায় বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

হোসেনপুরে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫৬ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা। সভায় দিবস দুটি যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

সভায় বক্তব্য দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহসীন মাসনাদ, হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. এহসানুল হক, ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ হোসেনপুর শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা কারিমুল্লাহ, সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম, সঞ্জিত চন্দ্র শীল ও এস কে শাহীন নবাব।

এছাড়াও সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল এবং ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পুষ্পস্তবক অর্পণ, কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

বক্তারা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।