বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কক্সবাজারের মাদক পাচারচক্রের চার সদস্য কিশোরগঞ্জে গ্রেপ্তার, উদ্ধার বিপুল ইয়াবা

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কক্সবাজারের মাদক পাচারচক্রের চার সদস্য কিশোরগঞ্জে গ্রেপ্তার, উদ্ধার বিপুল ইয়াবা

কিশোরগঞ্জে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ৭ হাজার ৬৯০ পিস ইয়াবাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৬ লাখ ৯১ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে কিশোরগঞ্জ মডেল থানার বিন্নাটি বাজার এলাকায় ঈশাখা ট্রান্সপোর্ট অফিসের পশ্চিম পাশে ঢাকা মেট্রো-ব-১২-১৬০১ নম্বরের ‘সাগরিকা’ পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযানে ওই বাসে তল্লাশি চালানো হয়। অভিযানে বাসের বিভিন্ন আসনে বসা চার যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- দেলুয়ারা বেগম (৩৪), আব্দুল গফুর (৩৯), রশিদা বেগম (৩৮) ও আব্দুল আজিজ (৪৫)। তাদের সবার বাড়ি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার দক্ষিণ সিপাহীর পাড়া (দক্ষিণ নলবিলা) এলাকায়।

অভিযানকালে দেলুয়ারা বেগমের কাছ থেকে ৪ হাজার পিস, আব্দুল গফুরের কাছ থেকে ১ হাজার পিস, রশিদা বেগমের কাছ থেকে ১ হাজার পিস এবং আব্দুল আজিজের কাছ থেকে ১ হাজার ৬৯০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এসব ইয়াবা বিশেষ কৌশলে শরীর ও পোশাকের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছে অভিযানকারী দল।

উদ্ধারকৃত ইয়াবার মোট ওজন ৭৯৬ গ্রাম। পাশাপাশি মাদক ব্যবসায় ব্যবহারের অভিযোগে চারটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মো. ওবায়দুল্লাহ খান এ ঘটনায় কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১০(ক), ১০(খ) এবং ৪১ ধারায় রুজু করা হয়েছে।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পরস্পরের আত্মীয় এবং দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তারা বিক্রির উদ্দেশ্যে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা বহন ও সংরক্ষণ করছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত আলামত থেকে নমুনা সংগ্রহ করে রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। বাকি আলামতও যথাযথ প্রক্রিয়ায় সিলগালা করে বিভাগীয় হেফাজতে রাখা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তথ্য-উপাত্ত যাচাইয়ের মাধ্যমে তাদের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তি ও মাদক চক্রের সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে মাদকের উৎস, সরবরাহ নেটওয়ার্ক এবং সম্ভাব্য গন্তব্য সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তরবিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

সাব্বির আহমদ মানিক প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২:০২ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তরবিষয়ক পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তরের মাধ্যমে পুষ্টি নিশ্চিতকরণ, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ কংগ্রেসে কৃষি উন্নয়ন, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ এবং অংশীজনদের সমন্বিত ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ী, কিশোরগঞ্জের উপপরিচালক ড. মো. সাদিকুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মো. সাদিকুর রহমান বলেন, কৃষির টেকসই উন্নয়ন এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং কৃষকদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই খাতে রূপান্তর করতে হলে মাঠপর্যায়ে প্রযুক্তিনির্ভর চাষাবাদ, কৃষিপণ্যের মূল্য সংযোজন এবং বাজারজাতকরণ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্ব দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাজিতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল আলম। সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম।

এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা তন্ময় বিশ্বাস, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাসির উদ্দিন মুন্সী, উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা।

আলোচনা সভায় কৃষির আধুনিকায়ন, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, যুব উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রকল্পের সম্ভাবনা ও কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, কৃষি উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমন্বিত অংশীদারত্ব গড়ে তোলা জরুরি।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও পুষ্টি সংবেদনশীল কৃষি ব্যবস্থার বিকাশের মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণের আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।

কংগ্রেস শেষে প্রকল্পের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

বাজিতপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

কিশোরীদের আত্মকর্মসংস্থান, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক এক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচি এবং ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে প্রকল্পভুক্ত ‘স্বপ্নসারথী’ দলের ১৪ জন কিশোরী অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মশালাটি পরিচালনা করেন বাজিতপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। তিনি কিশোরীদের হাঁস-মুরগি পালনকে একটি লাভজনক ও সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তা কার্যক্রম হিসেবে গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেন।

প্রশিক্ষণে হাঁস-মুরগির রোগব্যাধি প্রতিরোধ, খাদ্য ব্যবস্থাপনা, খামার পরিচালনা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বাজারজাতকরণ কৌশল সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারী কিশোরীরা আগ্রহের সঙ্গে প্রশিক্ষণে অংশ নিয়ে নিজেদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও বাস্তবমুখী পরামর্শ গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন ব্র্যাকের সামাজিক ক্ষমতায়ন ও আইনি সুরক্ষা কর্মসূচির অফিসার মো. জুয়েল মিয়া এবং কমিউনিটি অর্গানাইজার কহিনুর আক্তার।

এ ছাড়া প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত থেকে কিশোরীদের উৎসাহ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচির সহকারী শাখা ব্যবস্থাপক (দাবি) মিজানুর রহমান এবং শাখা ব্যবস্থাপক (দাবি) মো. আব্দুল মান্নান।

বক্তারা বলেন, কিশোরীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত করা গেলে তারা পরিবার ও সমাজে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার মাধ্যমে তারা বাল্যবিবাহ, শিক্ষাঝরে পড়া এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলায় অধিক সক্ষম হয়ে উঠবে।

তারা আরও বলেন, দক্ষতা উন্নয়নমূলক এ ধরনের প্রশিক্ষণ কিশোরীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তাদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি ভবিষ্যতে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে, যা তাদের আর্থিক স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অংশগ্রহণকারী কিশোরীরা জানান, প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তারা নিজেদের উদ্যোগে হাঁস-মুরগি পালন শুরু করতে আগ্রহী। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হলে তারা উপকৃত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।

ধুলিহরে সড়কে নেমে বিক্ষোভ এলাকাবাসীর; মামলার বাদীর পরিবারকে হুমকির অভিযোগ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
ধুলিহরে সড়কে নেমে বিক্ষোভ এলাকাবাসীর; মামলার বাদীর পরিবারকে হুমকির অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানে মুখর এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে শত শত নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার ধুলিহর এলাকায় হোসেনপুর-কিশোরগঞ্জ সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ধুলিহরসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, গত ৩ জুন উপজেলার ধুলিহর এলাকায় ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা রোজিনা খাতুন বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীদের দাবি, মামলার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে বাদী পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি ও চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে।

বক্তারা বলেন, “একটি শিশুর ওপর এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার অভিযোগ শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্য উদ্বেগের বিষয়। আমরা চাই, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।”

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কয়েকজন নারী বলেন, “শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। এ ধরনের ঘটনার অভিযোগের দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ প্রবণতা কমবে।”

মানববন্ধনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ভুক্তভোগী পরিবারের নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

এ বিষয়ে হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসী জানান, মামলার অগ্রগতি এবং অভিযুক্তের গ্রেপ্তারের বিষয়ে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না দেখা গেলে তারা আরও বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে পারেন। একই সঙ্গে তারা ঘটনার দ্রুত নিষ্পত্তি ও বিচারিক প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।