সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

কটিয়াদীতে জমি দখলের অভিযোগ, ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

খায়রুল ইসলাম প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কটিয়াদীতে জমি দখলের অভিযোগ, ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আতখলা গ্রামে এক নিরীহ পরিবারের ১৬৫ শতক জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. সাজ্জাদ হোসেন কিশোরগঞ্জের আমল গ্রহণকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি (নং-৩৬৪) ১৭ জনকে আসামি করে দায়ের করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন আতখলা গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে মো. রতন ভূঁইয়া ওরফে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (৬২)।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, তিনি মৃত গোলাপ মিয়ার ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট জমির বৈধ মালিক ও ভোগদখলকারী। তার দাবি, ওই সম্পত্তি তার বাবা এবং চাচা মো. কামাল হোসেন ভূঁইয়ার নামে রেকর্ডভুক্ত। জমির নামজারি (খারিজ) সম্পন্ন রয়েছে এবং নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ করে আসছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রতিপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের নিরীহ ও অসহায় মনে করে নালিশি ১৬৫ শতক জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে। একপর্যায়ে মো. রতন ভূঁইয়া ওরফে রিয়াজ উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে কয়েকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমি দখল করে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে একাধিকবার আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

সর্বশেষ গত ২৪ জুলাই (শুক্রবার) জুমার নামাজের পর বাদীর বাড়ির প্রাঙ্গণে উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উদ্যোগে আরেকটি সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, ওই বৈঠকে বিবাদীপক্ষ উপস্থিত হয়নি।

বৈঠকে উপস্থিত বিএনপি নেতা মো. বাবলু মিয়া, স্থানীয় বাসিন্দা হাজী মো. রফিকুল ইসলাম ও মো. আশরাফুল ইসলাম সোহাগসহ কয়েকজন জানান, তারা জমির কাগজপত্র পর্যালোচনা করেছেন। তাদের দাবি, উপস্থাপিত কাগজপত্র অনুযায়ী জমির মালিকানা মো. সাজ্জাদ হোসেনের বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তারা প্রকৃত মালিকের দখল নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মামলার বাদী মো. সাজ্জাদ হোসেন অভিযোগ করেন, প্রধান বিবাদী রতন ভূঁইয়া তাকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন। এতে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বৈধ জমি ফেরত পেতে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে আদালতের পরবর্তী আদেশের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভিপি সোহেলের সুস্থতা কামনায় গোপীনাথ জিউর আখড়ায় বিশেষ প্রার্থনা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ
ভিপি সোহেলের সুস্থতা কামনায় গোপীনাথ জিউর আখড়ায় বিশেষ প্রার্থনা

কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল) খানের রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) কিশোরগঞ্জ শহরের বত্রিশ এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী গোপীনাথ জিউর আখড়ায় এ প্রার্থনা সভার আয়োজন করা হয়।

প্রার্থনা সভার শুরুতে শ্রী শ্রী গোপীনাথ জিউর উদ্দেশে বিশেষ পূজা-অর্চনা ও নামকীর্তন অনুষ্ঠিত হয়। পরে সমবেত ভক্তরা জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল) খানের দ্রুত রোগমুক্তি, সুস্থতা এবং দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নেন। এ সময় তাঁর ব্যক্তিগত ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিক সাফল্যও কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানের আয়োজক শ্রী শ্রী গোপীনাথ ও গৌর-নিতাই জিউর আখড়া পরিচালনা কমিটির নেতারা জানান, খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল) খান দীর্ঘদিন ধরে মন্দিরের বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করে আসছেন। এজন্য তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তাঁরা দ্রুত সুস্থতা ও দীর্ঘ জীবন কামনা করেন।

প্রার্থনা সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, মন্দিরের সেবক এবং বিপুলসংখ্যক ভক্ত উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। একই সঙ্গে জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল) খানের দ্রুত আরোগ্যের জন্য সকলের কাছে প্রার্থনার আহ্বান জানানো হয়।

ভক্তদের বিশ্বাস ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে তাঁর দ্রুত সুস্থ হয়ে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে ফিরে আসার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপস্থিতরা।

লোকালয়ে শেয়ালের বিচরণে আতঙ্ক, কুলিয়ারচরে একদিনে ১২ জন হাসপাতালে

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
লোকালয়ে শেয়ালের বিচরণে আতঙ্ক, কুলিয়ারচরে একদিনে ১২ জন হাসপাতালে

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় লোকালয়ে শেয়ালের উপদ্রব উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) শেয়ালের কামড়ে ৯ জন এবং বিড়ালের কামড়ে আরও ৩ জন আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। সব মিলিয়ে একদিনে প্রাণীর কামড়ে আহত ১২ জন চিকিৎসা নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শেয়ালের কামড়ে আহতরা হলেন—সালুয়া ইউনিয়নের বাজরা মাছিমপুর গ্রামের নারগিস আক্তার (৩৯), মেহেরা বানু (৭০) ও পেয়ারা বানু (৬৫); ফরিদপুর ইউনিয়নের নলবাইদ গ্রামের ফারুক (৫০), আবির (৯), মোশাররফ (৩৫), দিপালী রানী (২৯), মুসানা (৩২) ও সিয়াম (২২)।

এ ছাড়া বিড়ালের কামড়ে আহত হয়েছেন ভাটি জগৎচর গ্রামের মুক্তা (২০), ছয়সূতি ইউনিয়নের দাড়িয়াকান্দি গ্রামের ফারহান (৩) এবং মানিকদী গ্রামের সাকিবুল (১২)।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে লোকালয়ে শেয়ালের বিচরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দিনের বেলাতেও শেয়ালকে বসতিপূর্ণ এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এতে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত শেয়ালের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।

কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আদনান আখতার বলেন, ‘রোববার শেয়ালের কামড়ে সাতজন এবং এর আগের দুই দিনে আরও পাঁচজন চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে আহতদের কারও অবস্থা গুরুতর নয় এবং কাউকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠাতে হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘শেয়াল, বিড়াল বা অন্য যেকোনো প্রাণীর কামড়কে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। আক্রান্ত স্থান দ্রুত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ভালোভাবে ধুয়ে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা গ্রহণ করা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, জলাতঙ্ক একটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য কিন্তু চিকিৎসা ছাড়া প্রাণঘাতী রোগ। তাই প্রাণীর কামড়ের ঘটনা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, ‘বিষয়টি উদ্বেগজনক। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা মজুত রয়েছে। আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি লোকালয়ে শেয়ালের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে লোকালয়ে বন্য প্রাণীর বিচরণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি দেখতে কটিয়াদীতে দুই প্রতিমন্ত্রী

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি দেখতে কটিয়াদীতে দুই প্রতিমন্ত্রী

আগামী ১৬ আগস্ট জাতীয় মৎস্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য কটিয়াদী সফরকে সামনে রেখে সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানস্থল, উন্মুক্ত জলাশয় ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালা উদ্দিন টুকু এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম। রোববার (২৬ জুলাই) এ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীজুড়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে।

বিকেলে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় প্রথমে উপজেলার জালালপুর ও লোহাজারী ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত জিয়ার কাটা খালের খননকাজ পরিদর্শন করেন। পরে তারা চারিপাড়া সরকারি মৎস্য হ্যাচারি ঘুরে দেখেন এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি ও কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এরপর সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানস্থল হিসেবে কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠ, কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউটের খেলার মাঠ পরিদর্শন করেন। এ সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জনসমাগম ধারণক্ষমতা, যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং সার্বিক আয়োজনের উপযোগিতা পর্যালোচনা করা হয়।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির স্থান হিসেবে উপজেলার মসুয়া ইউনিয়নের বেতাল দিঘিও পরিদর্শন করেন তারা।

পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল), জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আশফাক আহমেদ জুন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মো. রুহুল আমিন আকিল, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেদ কনক, পরিচালক (প্রশাসন) এস. এম. রেজাউল করিম, ঢাকা বিভাগের পরিচালক মো. আহসান হাসিব খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কাউসারসহ জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় সাংবাদিকদের বলেন, সম্ভাব্য অনুষ্ঠানস্থল ও উন্মুক্ত জলাশয় পরিদর্শন করা হয়েছে। সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা শেষে ঢাকায় গিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দিবসটির উদ্বোধন করবেন। একই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলার পাঁচ হাজার শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষীর হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কর্মসূচি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে। অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41