রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

ইন্টারমিডিয়েট বহাল রাখার দাবীতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫, ৩:০৫ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ইন্টারমিডিয়েট বহাল রাখার দাবীতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ

ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা  আজ (১২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছে। তারা দাবি করেছে—ঢাকা কলেজের ইন্টারমিডিয়েট কার্যক্রম বন্ধ করে কলেজকে একটি সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি মডেলে রূপান্তর করা যাবে না; কলেজের ঐতিহ্য রক্ষাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।

এক ছাত্র বলেন, “আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট—ঢাকা কলেজ একইভাবে থাকবে। ১৮৪ বছরের ঐতিহ্য আছে, এবং ইন্টারমিডিয়েটের অস্তিত্ব আমরা বজায় রাখতে চাই। খসড়া পরিকল্পনায় যদি কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ইন্টারমিডিয়েট ধাপে ধাপে বিলীন হতে পারে—আমরা সেটা মেনে নেবো না।”

শিক্ষার্থী বলেন তারা বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও আইনজীবীদের সাথে আলোচনা করেছেন এবং প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গেছেন। তাদের বক্তব্য—যে কেউ বিশ্ববিদ্যালয়-ধাঁচের মডেল চাইতে পারে, কিন্তু সেটা ঢাকাব কলেজের নামে কার্যকর করা উচিত হবে না।

 

[ঈসা]

আধুনিক সাংবাদিকতায় ৩৫ সাংবাদিককে মাল্টিমিডিয়া ও এআই প্রশিক্ষণ

আমিনুল ইসলাম কায়েস প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
আধুনিক সাংবাদিকতায় ৩৫ সাংবাদিককে মাল্টিমিডিয়া ও এআই প্রশিক্ষণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া, আটপাড়া, মদন ও নান্দাইল উপজেলার ৩৫ সাংবাদিকের অংশগ্রহণে তিন দিনব্যাপী মাল্টিমিডিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় সাংবাদিকদের আধুনিক প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসির খান চৌধুরীর কাছে দাবি জানান কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ। কেন্দুয়া-আটপাড়া আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, কেন্দুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. সেকুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হাই সেলিমসহ প্রেসক্লাবের সম্পাদকবৃন্দ ও সম্মানিত সদস্যরা এ দাবি জানান।

সাংবাদিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশকে (পিআইবি) কেন্দুয়া, আটপাড়া, মদন, নেত্রকোনা সদর ও নান্দাইল উপজেলার সাংবাদিকদের জন্য তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের আয়োজনের নির্দেশনা প্রদান করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ সেপ্টেম্বর কেন্দুয়ায় সংবাদ সংগ্রহ, উপস্থাপন ও যাচাইয়ের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি বিষয়ে সাংবাদিকদের আরও দক্ষ করে তুলতে তিন দিনব্যাপী মাল্টিমিডিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ফ্যাক্ট চেকিং প্রশিক্ষণ শুরু করে পিআইবি। প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী। এতে কেন্দুয়া, আটপাড়া, মদন, নেত্রকোনা সদর ও নান্দাইল উপজেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ৩৫ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণে সংবাদ তৈরিতে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহার, মোবাইল সাংবাদিকতা, ছবি ও ভিডিও ধারণ, ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবাদ উপস্থাপন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দায়িত্বশীল ব্যবহার এবং অনলাইনে তথ্য ও গুজব যাচাইয়ের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে হাতে-কলমে শিক্ষা ও আলোচনা করা হয়।

পাশাপাশি তথ্যের সত্যতা যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব ও নৈতিকতার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি তথ্য যাচাই, নির্ভুলতা ও সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রশিক্ষণটি গত ২ অক্টোবর শেষ হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেন্দুয়া-আটপাড়া আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে সাংবাদিকতার ধরনও বদলে যাচ্ছে। এখন শুধু লিখিত সংবাদ তৈরির দক্ষতা যথেষ্ট নয়; একজন সাংবাদিককে একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য কনটেন্ট তৈরির দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে এআইনির্ভর বিভিন্ন টুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করাও জরুরি।

তাঁরা বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহার সাংবাদিকতার কাজকে দ্রুত ও সহজ করলেও তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সাংবাদিকেরই। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্য ও গুজব যাচাই ছাড়া প্রকাশ করলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তাই আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পেশাগত নৈতিকতার সমন্বয় জরুরি।

তিন দিনের এ প্রশিক্ষণ সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে আরও নির্ভুল, দ্রুত ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন পিআইবির মহাপরিচালক।

কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চালান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৫৬ অপরাহ্ণ
কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চালান

কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আনা পারমাণবিক জ্বালানি ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ইউরেনিয়াম বহনকারী বিশেষ বহরটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রবেশ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম।

ইউরেনিয়াম পরিবহনের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনটি বিশেষ লরিতে করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চালানটি রূপপুরে নেওয়া হয়।

এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে রাশিয়া থেকে আসা ইউরেনিয়ামবাহী বিশেষ কার্গো বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানটি রাত সাড়ে ১১টা থেকে পৌনে ১২টার মধ্যে অবতরণের পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে জ্বালানি সড়কপথে রূপপুরে পাঠানো হয়।

প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি সরবরাহ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বর পর্যন্ত একাধিক চালানে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর প্রথম চালানটি দেশে পৌঁছানোর কথা থাকলেও ইউরেনিয়ামবাহী কার্গো উড়োজাহাজটির পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ে তা আনা সম্ভব হয়নি। পরে বিকল্প ব্যবস্থায় চালানটি বাংলাদেশে আনা হয়।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য প্রয়োজনীয় প্রথম চালানের জ্বালানি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে আসে। চলতি বছরের এপ্রিলের শেষ থেকে মে মাস পর্যন্ত ধাপে ধাপে প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টর কোরে ১৬৩টি জ্বালানি অ্যাসেম্বলি স্থাপন করা হয়।

এদিকে প্রথম ইউনিটের অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে। সাম্প্রতিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য একাধিক ফ্লাইটে আরও জ্বালানি অ্যাসেম্বলি বাংলাদেশে আনার কথা রয়েছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ভিভিইআর-১২০০ ইউনিট রয়েছে। দুটি ইউনিট থেকে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের সহযোগিতায় নির্মাণাধীন প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৩ সালে। প্রকল্পটির ব্যয় ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।

ভৈরবে দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
ভৈরবে দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দোকানপাটসহ বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের পাশে পৌর শহরের কমলপুর লোকাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভাঙচুরের ঘটনা নিশ্চিত করে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘যতটুকু জানতে পেরেছি, জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল। তবে যেকোনো ঘটনায় হামলা, ভাঙচুর ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ কাম্য নয়। অপরাধীদের শনাক্ত করে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

স্থানীয়রা জানান, বিরোধপূর্ণ জমিটি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আইনি লড়াইও চলছে। এরই মধ্যে শনিবার দুপুরে একদল লোক সেখানে গিয়ে দোকানপাট ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ ওঠে। জমির মালিকের নিজস্ব কোনো দোকান না থাকলেও সেখানে ভাড়াটিয়াদের দোকানপাট ও বাড়িঘর রয়েছে। ভাঙচুরের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ভুক্তভোগী ও হাবীব এন্টারপ্রাইজের মালিক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘জমির মালিক রুবেল মিয়ার কাছ থেকে আমি দোকান ভাড়া নিয়েছি। শনিবার ৩ অক্টোবর দুপুরে একদল লোক আমার প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। তারা আমার নগদ ১৮ লাখ টাকা ও কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে গেছে।’

হাবিবুর রহমান আরও বলেন, ‘মুর্শিদ মিয়া নামের এক ব্যক্তি এই জমিটি নিজের বলে দাবি করেন। তিনিসহ কনক মিয়া ও আরও বেশ কয়েকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।’

জমির মালিক দাবিদার রুবেল মিয়া অভিযোগ করে বলেন, ‘জমি নিয়ে মুর্শিদ মিয়ার সঙ্গে আমার বিরোধ চলছে। আমি নানাবাড়ির সম্পত্তি পেয়েছি এবং জমির কাগজপত্র আমাদের নামেই রয়েছে। শনিবার দুপুরে মুর্শিদ মিয়া ও কনক মিয়া দলবল নিয়ে এসে জমি দখলের চেষ্টা করেন। তাঁরা দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাঙচুর করে চলে যান।’

তবে রুবেল মিয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে মুর্শিদ মিয়া বলেন, ‘আমি জমিটির ক্রয়সূত্রে মালিক। দুই বছর আগেও আমি দোকানপাটের ভাড়া তুলেছি। আদালতের ভুয়া রায় এনে রুবেল মিয়া একদল লোককে প্রতিষ্ঠান ভাড়া দিয়েছেন। আমি জমিটি কনক মিয়া নামের একজনের কাছে বিক্রি করে দিয়েছি।’

অভিযুক্ত কনক মিয়াও জমিটির মালিকানা দাবি করে বলেন, ‘আমি জমিটি মুর্শিদ মিয়ার কাছ থেকে কিনেছি এবং কাগজপত্রও সঠিক রয়েছে। এখন জমি দখল করতে গেলে বাধা দেওয়া হয়। এ সময় মালিকপক্ষের সঙ্গে আমাদের ঝামেলা হয়।’

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় কারা জড়িত, তা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় এলাকায় যাতে নতুন করে কোনো সংঘর্ষ বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।