সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

অষ্টগ্রামে ভেঙে ফেলা ‘জিয়া প্যাভিলিয়ন’ পুনর্নির্মাণের দাবি

আলী রহমান খান প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
অষ্টগ্রামে ভেঙে ফেলা ‘জিয়া প্যাভিলিয়ন’ পুনর্নির্মাণের দাবি

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে ‘জিয়া প্যাভিলিয়ন’ পুনর্নির্মাণের দাবি উঠেছে। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত এই স্থাপনা পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তাঁরা। সংসদ সদস্যও স্থাপনাটি পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ভাষ্য, ‘জিয়া প্যাভিলিয়ন’ অষ্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসেরও একটি অংশ। জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসীদের কাছে স্থাপনাটি ছিল আবেগ ও রাজনৈতিক চেতনার প্রতীক। তাঁদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে স্থাপনাটি ভেঙে ফেলা হয় এবং এর ইট খুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এ ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য পাওয়া যায়নি।

অষ্টগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ বলেন, “এর সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি জড়িয়ে ছিল। বিগত সময়ে ফ্যাসিস্টরা বাংলাদেশ থেকে জিয়াউর রহমানের সব স্মৃতি মুছে ফেলার যে নীলনকশা বাস্তবায়ন করেছিল, জিয়া প্যাভিলিয়ন তারই একটি জ্বলন্ত উদাহরণ।”

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মুকুল বলেন, “বিগত ফ্যাসিবাদের আমলে চরম রাজনৈতিক আক্রোশ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শহীদ জিয়ার স্মৃতি মুছে ফেলার জন্য প্যাভিলিয়নটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “ভাঙচুরের পর থেকে বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ছিল। বিএনপি ক্ষমতায় এলে এই স্মৃতিচিহ্ন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে—এটি ছিল আমাদের দীর্ঘদিনের সংকল্প। বর্তমানে সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আমরা তাঁকে দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছি। অনতিবিলম্বে জিয়া প্যাভিলিয়ন পুনর্নির্মাণ করা হোক। পাশাপাশি, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, “জিয়া প্যাভিলিয়ন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেছি। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে অষ্টগ্রামে ‘জিয়া প্যাভিলিয়ন’ পুনর্নির্মাণ করা হবে। তাঁদের মতে, স্থাপনাটি পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হলে অষ্টগ্রামের ক্রীড়া, সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি স্মৃতিচিহ্ন আবারও ফিরে আসবে।

জনসেবা ও পারিবারিক ঐতিহ্য নিয়ে দানাপাটুলীতে আলোচনায় মোশারফ হোসেন

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ
জনসেবা ও পারিবারিক ঐতিহ্য নিয়ে দানাপাটুলীতে আলোচনায় মোশারফ হোসেন

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ১১ নম্বর দানাপাটুলী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন মো. মোশারফ হোসেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গণসংযোগ, জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড এবং ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে তিনি স্থানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বলে জানা গেছে।

মো. মোশারফ হোসেন একটি ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান। তাঁর দাদা ছিলেন দানাপাটুলী এলাকার দানবীর ও সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হাজী আমির উদ্দিন। স্থানীয়ভাবে শিক্ষা বিস্তার ও দ্বীনি কার্যক্রমের প্রসারে তাঁর অবদান রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। তিনি ‘আলহাজ্ব আমির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়’সহ একাধিক মসজিদ, মাদ্রাসা ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। পরিবারের এই ঐতিহ্য ও সামাজিক অবদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যাশা নিয়ে মোশারফ হোসেনও এলাকার মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।

রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি ধর্মীয় অঙ্গনেও দায়িত্ব পালন করছেন মোশারফ হোসেন। তিনি ১১ নম্বর দানাপাটুলী ইউনিয়ন শাখা তাবলীগ জামাতের আমীর এবং একই ইউনিয়নের ইমাম ওলামা পরিষদের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তাঁর নেতৃত্ব ও প্রচেষ্টায় দানাপাটুলী ইউনিয়নে তাবলীগ জামাতের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা দাবি করেন। তাঁদের মতে, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে ইউনিয়নটির ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে ইতিবাচক পরিচিতি তৈরি হয়েছে।

এলাকাবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকা, অসুস্থ ব্যক্তিদের খোঁজখবর নেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক সংকটে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখেন মোশারফ হোসেন। অসুস্থ ব্যক্তিদের দেখতে হাসপাতালে যাওয়া এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মতো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিতি পেয়েছেন বলে তাঁর সমর্থকেরা জানান।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের অধিকারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি তাঁকে সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে আলোচনায় এনেছে। তবে এসব কর্মকাণ্ডের প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে, তা নির্ভর করবে ভোটারদের মনোভাব ও নির্বাচনী পরিস্থিতির ওপর।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোশারফ হোসেনের সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা থাকলেও তিনি চূড়ান্তভাবে প্রার্থী হবেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত কারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং ভোটাররা কাকে বেছে নেবেন, তা নির্ধারিত হবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে।

জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং পারিবারিক ঐতিহ্যকে সামনে রেখে দানাপাটুলী ইউনিয়নের রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান তুলে ধরার চেষ্টা করছেন মোশারফ হোসেন। তবে তাঁর সম্ভাব্য প্রার্থিতা ও স্থানীয় জনপ্রিয়তার বিষয়টি নির্বাচনের আগে আরও স্পষ্ট হবে।

পুলিশের সোর্স দাবি করা বুলবুল এবার ডিবির হাতে আটক

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
পুলিশের সোর্স দাবি করা বুলবুল এবার ডিবির হাতে আটক

ভৈরবের শ্রীনগরে পুলিশের নাম ব্যবহার করে মাদক কারবারিদের কাছ থেকে মাসোয়ারা আদায় এবং মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগিতার অভিযোগে আলোচনায় থাকা বুলবুল মিয়া ওরফে বুলুকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (২৬ অক্টোবর) তাঁর আটকের খবর জানা গেছে। তবে কোন মামলায়, কী অভিযোগে এবং কখন তাঁকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত কয়েক দিন ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও স্থানীয় নিউজ পেজে বুলবুলের বিরুদ্ধে পুলিশের নাম ব্যবহার করে মাদক কারবারিদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করার অভিযোগও উঠে আসে।

তবে বুলবুল মিয়া তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তাঁর দাবি, পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কারণে তাঁকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।

এদিকে সোমবার ডিবির হাতে তাঁর আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। তবে আটকের কারণ, তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এবং এ ঘটনায় কোনো মামলা রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

দেশে সারের সংকট নেই, ডিলার নিয়োগের অনিয়ম তদন্তের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:০৬ অপরাহ্ণ
দেশে সারের সংকট নেই, ডিলার নিয়োগের অনিয়ম তদন্তের নির্দেশ

দেশে বর্তমানে সারের কোনো সংকট নেই এবং চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কৃষি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও অসংগতির অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি। বিশেষ করে লালমনিরহাট, বরগুনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, নওগাঁ ও যশোর জেলার ডিলার নিয়োগসংক্রান্ত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এসব তথ্য ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়। কমিটির সভাপতি মো. শাহাদাত হোসেন বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। পরে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৈঠকের সিদ্ধান্ত ও আলোচনার বিষয়গুলো জানানো হয়।

বৈঠকের শুরুতে আলোচ্যসূচি অনুযায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণী নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি আগের বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করা হয়।

বৈঠকে কমিটির সভাপতি বলেন, সার বিতরণ ব্যবস্থাপনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট কৃত্রিম সংকট দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে নিরসন করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে দেশে সারের কোনো সংকট নেই; বরং চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের সার কারখানাগুলো পূর্ণোদ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারলে ভবিষ্যতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উদ্বৃত্ত সার বিদেশে রপ্তানির সুযোগও তৈরি হতে পারে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমানের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সার বিতরণ, মজুত ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সারের অবৈধ মজুত, বিপণন এবং অন্যান্য অনিয়ম চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে। অপর দুই সদস্য হলেন সংসদ সদস্য মো. রোকন উদ্দীন বাবুল ও মোছা. সাবিরা সুলতানা। কমিটিটি সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সার বিতরণ ও ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম চিহ্নিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন করবে।

সারের ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও অসংগতির অভিযোগ নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। যেসব এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ উঠেছে, সেসব ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি।

কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, যেসব ক্ষেত্রে ডিলারশিপের চুক্তি এখনো সম্পাদিত হয়নি, সেসব ক্ষেত্রে অভিযোগ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চুক্তি সম্পাদন স্থগিত রাখতে হবে। অন্যদিকে, যেসব ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে, সেসব অভিযোগ যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিশেষ করে লালমনিরহাট, বরগুনা, সাতক্ষীরা, ফরিদপুর, নওগাঁ ও যশোর জেলার ডিলারশিপ নিয়োগসংক্রান্ত অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে কমিটি।

বৈঠকে সভাপতির অভিপ্রায় অনুযায়ী কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদসহ কমিটির সদস্য সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. রোকন উদ্দীন বাবুল, মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মোছা. সাবিরা সুলতানা এবং মো. গোলাম রছুল অংশ নেন।

এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তরের মহাপরিচালক, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রধান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।