শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩

মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে হকারদের সংবাদ সম্মেলন

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে হকারদের সংবাদ সম্মেলন

কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া ঝুমনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি নিয়ে অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে আঠারো বাড়ি কাছারি মাঠে কিশোরগঞ্জের প্রকৃত হকার–ব্যবসায়ীরা সংবাদ সম্মেলন করে কঠোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, জাকারিয়া ঝুমনকে জড়িয়ে ‘চাঁদাবাজির গল্প’ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ।

তাদের ভাষ্য, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ বানোয়াট, মনগড়া ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে সৃষ্টি করা। একটি স্বার্থান্বেষী মহল জেনে–বুঝে জাকারিয়া ঝুমনের সম্মানহানি ও সামাজিক অবস্থান ধ্বংসের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হকাররা স্পষ্টভাবে বলেন, জাকারিয়া ঝুমন কখনোই হকারদের কাছ থেকে এক টাকা চাঁদাও নেননি; বরং যখনই কেউ অন্যায়ভাবে টাকা তুলতে এসেছে, তিনি আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আজ হকারদের নামে মিথ্যা গল্প বানিয়ে তাকে অপরাধী সাজানো হচ্ছে।

হকাররা আরও জানান, সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে যেসব বক্তব্য হকারদের নামে প্রচার করা হয়েছে, তার একটিও তাদের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি। বরং তাদের না জানিয়ে তৃতীয় পক্ষের সাজানো বক্তব্য ব্যবহার করে জাকারিয়া ঝুমনের চরিত্রহনন করা হয়েছে।

হকার হাবিবুর রহমান ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, “আমরা যারা প্রতিদিন ফুটপাতে রুটি–রুজি করি, তাদের নামে যে মিথ্যা রিপোর্ট ছাপা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। জাকারিয়া ভাইকে আমরা চিনি; তিনি কখনোই কোনো অন্যায় কাজে জড়িত ছিলেন না।”

রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই অপপ্রচার হকারদের অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি মহল ব্যক্তিগত শত্রুতা ও হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জাকারিয়া ঝুমনকে টার্গেট করছে। সাম্প্রতিক সময়ে ফুটপাত ইস্যু নিয়ে উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যক্তি সুযোগ নিয়ে জাকারিয়া ঝুমনকে জড়ানোর চেষ্টা করছে, যাতে তাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করা যায়।

হকার আল-আমীন বলেন, “যারা চাঁদাবাজি করে, ফুটপাত দখল করে, দোকান ভাঙচুর করে—তারা আলাদা। তাদের সঙ্গে জাকারিয়া ঝুমনের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং তিনি হকারদের নিরাপত্তা দিয়েছেন।”

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জাকারিয়া ঝুমন কখনোই হকারদের কাছ থেকে টাকা নেননি, কোনো সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন না, ফুটপাতে বসার জন্য কারও কাছ থেকে জামানত নেওয়া হয়নি, কোনো হকারকে মারধর বা ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনাও সত্য নয়। বরং তিনি সবসময় হকারদের সমস্যায় পাশে দাঁড়িয়েছেন।

হকাররা বলেন, তাদের দেওয়া কোনো বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করলেই প্রমাণ পাওয়া যাবে। একদল মানুষ জেনে–বুঝে মিথ্যা কাহিনি সাজাচ্ছে।

হকার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এসব ভিত্তিহীন সংবাদ শহরে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে, হকার–ব্যবসায়ী সম্পর্ক নষ্ট করছে এবং প্রশাসনকে ভুল পথে পরিচালিত করছে। তাদের মতে, প্রশাসনকে ভুল বোঝানোর জন্যই জাকারিয়া ঝুমনের নামে চাঁদাবাজির গল্প বানানো হচ্ছে।

এক হকার বলেন, “যেখানে আসল দখলদার, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা রয়েছে, তাদের বাদ দিয়ে একজন নির্দোষ মানুষকে টার্গেট করা হচ্ছে। এটা একটি হীন রাজনৈতিক খেলা।”

জাকারিয়া ঝুমন বলেন, “আমি নির্দোষ। প্রতিহিংসার কারণে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে। আমাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে। আমার সঙ্গে শতাধিক হকার রয়েছে—আমি কখনো চাঁদাবাজি করিনি, কাউকে করতে দিইওনি।”

তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে যারা বক্তব্য দিয়েছে তাদের বেশির ভাগই প্রকৃত হকার নন। ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজির সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত, তাদের নাম আড়াল করতেই তাকে জড়ানো হচ্ছে।

হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ছাই তরুণ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ছাই তরুণ ব্যবসায়ীর স্বপ্ন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে অগ্নিকাণ্ডে তরুণ ব্যবসায়ী ইমরান মিয়ার দোকানে থাকা বিপুল পরিমাণ বিস্কুট ও খাদ্যসামগ্রী পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। প্রবাস থেকে দেশে ফিরে নতুন করে ব্যবসা শুরু করা এই তরুণের স্বপ্ন আগুনে অনেকটাই ভস্মীভূত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের ধনকুড়া গ্রামের হেলিপ্যাডসংলগ্ন একটি দোকানে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ইমরান মিয়া উপজেলার নিরাহারগাতী গ্রামের বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাস থেকে দেশে ফিরে প্রায় তিন মাস আগে অলিম্পিক ও হক নামের দুটি কোম্পানির বিস্কুটসহ বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রীর ডিলারশিপ নেন ইমরান মিয়া। তাঁর দোকান থেকে হোসেনপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার খুচরা দোকানে এসব পণ্য সরবরাহ করা হতো।

বৃহস্পতিবার রাতে প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে তালা দিয়ে বাড়ি চলে যান ইমরান। পরে গভীর রাতে ওই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় এক রিকশাচালক দোকানে আগুন জ্বলতে দেখতে পান। বিষয়টি তিনি দোকানের মালিককে জানালে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে হোসেনপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই দোকানে থাকা বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ইমরান মিয়া বলেন, “দুটি কোম্পানির প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল দোকানে ছিল। কিছু মালামাল উদ্ধার করা গেলেও অধিকাংশই পুড়ে গেছে। নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। আগুনে আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল।”

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসার পুঁজি ও পণ্যসামগ্রীর বড় একটি অংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

হোসেনপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শামসুল হক বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।”

অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত বা মূল্যায়নের পর আরও স্পষ্ট হবে।

তাড়াইলে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

রুহুল আমিন প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৬ অপরাহ্ণ
তাড়াইলে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক র‍্যালি বের হয়ে তাড়াইল সদর বাজারের কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী কালী মন্দির প্রাঙ্গণে এসে একত্রিত হয়।

সাচাইল শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দির, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, তাড়াইল শ্রীশ্রী কেন্দ্রীয় কালী মন্দির এবং বরুহা শ্রীশ্রী পঞ্চতত্ত্ব মন্দিরের যৌথ আয়োজনে এ র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের উদ্যোগে নিজ নিজ এলাকা থেকে বের হওয়া র‍্যালিগুলো তাড়াইল সদর বাজারের কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী কালী মন্দির প্রাঙ্গণে এসে মিলিত হয়। পরে কেন্দ্রীয় কালী মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী শীতল প্রসাদ পাল আগত ভক্তদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এরপর সম্মিলিত র‍্যালিটি কেন্দ্রীয় কালী মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে তাড়াইল সদর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালনা আখড়ায় গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

র‍্যালিতে শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, কীর্তন ও ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ছিল উৎসাহ-উদ্দীপনা।

র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট তাড়াইল উপহোজেলা শাখার সভাপতি অজয় সরকার ও সাধারণ সম্পাদক অনুকুল বিশ্বাস। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন তাড়াইল উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাজহারুল ইসলাম মুকুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক সামির সেন সাকি, কেন্দ্রীয় কালী মন্দির কমিটির সভাপতি শ্রী শীতল প্রসাদ পালসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি অজয় সরকার বলেন, শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী সত্য, ন্যায়, মানবতা ও শান্তির শিক্ষা দেয়। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সবাইকে এগিয়ে যেতে হবে।

ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক অনুকুল বিশ্বাস বলেন, শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ মানুষের মধ্যে মানবিকতা, ন্যায়বোধ ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। সব ধর্মের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক সম্প্রীতিই সমাজের সৌন্দর্য। জন্মাষ্টমীর এ আয়োজনের মাধ্যমে শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক—এটাই তাঁদের প্রত্যাশা।

র‍্যালি শেষে কালনা আখড়ায় ধর্মীয় আলোচনা, নামসংকীর্তন ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়। দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

রেকর্ডের ঠিকানা বদলায়, সঙ্গী বদলায় না: তামিম-হৃদয়ের মহাকাব্যের নীরব সাক্ষী রাজা

শাহীন আলম প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪০ অপরাহ্ণ
রেকর্ডের ঠিকানা বদলায়, সঙ্গী বদলায় না: তামিম-হৃদয়ের মহাকাব্যের নীরব সাক্ষী রাজা

বাংলাদেশের লাল বলের ক্রিকেটে ইতিহাসের পাতায় লেখা দুটি মহাকাব্যিক ইনিংস—তামিম ইকবালের ৩৩৪ এবং তাওহীদ হৃদয়ের ৩৫০। বিস্ময়করভাবে, দুই ঐতিহাসিক কীর্তির সঙ্গেই কোনো না কোনোভাবে জড়িয়ে আছে রেজাউর রহমান রাজার নাম।

২০২০ সালে তামিম ইকবালের ৩৩৪ রানের অবিস্মরণীয় ইনিংসের পর মাঠে দাঁড়িয়ে গার্ড অব অনার দেওয়ার গৌরবময় মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন রাজা। সময়ের স্রোত পেরিয়ে এবার নিজেই হয়ে উঠলেন আরেক ইতিহাসের অংশ- তাওহীদ হৃদয়ের ৩৫০ রানের মহাকাব্যিক ইনিংসে ছিলেন তাঁর ব্যাটিং সঙ্গী, দৃঢ় হাতে সামলেছেন অন্য প্রান্ত।

একবার ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে সম্মান জানিয়েছেন, আরেকবার ইতিহাসের পাশে দাঁড়িয়ে গড়েছেন স্মরণীয় মুহূর্ত।

তামিমের ৩৩৪ থেকে হৃদয়ের ৩৫০—দুই প্রজন্মের দুই মহাকাব্য, আর দুটির মাঝখানে এক রাজা।
বাংলাদেশের লাল বলের ক্রিকেটের এই গল্পে রেজাউর রহমান রাজা তাই শুধু একজন ক্রিকেটার নন—তিনি হয়ে থাকলেন ইতিহাসের দুই স্মরণীয় অধ্যায়ের নীরব সাক্ষী ও সহযাত্রী।