বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে হকারদের সংবাদ সম্মেলন

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১২ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে হকারদের সংবাদ সম্মেলন

কিশোরগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া ঝুমনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি নিয়ে অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে আঠারো বাড়ি কাছারি মাঠে কিশোরগঞ্জের প্রকৃত হকার–ব্যবসায়ীরা সংবাদ সম্মেলন করে কঠোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, জাকারিয়া ঝুমনকে জড়িয়ে ‘চাঁদাবাজির গল্প’ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অংশ।

তাদের ভাষ্য, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সম্পূর্ণ বানোয়াট, মনগড়া ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে সৃষ্টি করা। একটি স্বার্থান্বেষী মহল জেনে–বুঝে জাকারিয়া ঝুমনের সম্মানহানি ও সামাজিক অবস্থান ধ্বংসের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এমন অপপ্রচার চালাচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হকাররা স্পষ্টভাবে বলেন, জাকারিয়া ঝুমন কখনোই হকারদের কাছ থেকে এক টাকা চাঁদাও নেননি; বরং যখনই কেউ অন্যায়ভাবে টাকা তুলতে এসেছে, তিনি আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আজ হকারদের নামে মিথ্যা গল্প বানিয়ে তাকে অপরাধী সাজানো হচ্ছে।

হকাররা আরও জানান, সাম্প্রতিক প্রতিবেদনগুলোতে যেসব বক্তব্য হকারদের নামে প্রচার করা হয়েছে, তার একটিও তাদের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি। বরং তাদের না জানিয়ে তৃতীয় পক্ষের সাজানো বক্তব্য ব্যবহার করে জাকারিয়া ঝুমনের চরিত্রহনন করা হয়েছে।

হকার হাবিবুর রহমান ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, “আমরা যারা প্রতিদিন ফুটপাতে রুটি–রুজি করি, তাদের নামে যে মিথ্যা রিপোর্ট ছাপা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। জাকারিয়া ভাইকে আমরা চিনি; তিনি কখনোই কোনো অন্যায় কাজে জড়িত ছিলেন না।”

রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই অপপ্রচার হকারদের অভিযোগ সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে একটি মহল ব্যক্তিগত শত্রুতা ও হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জাকারিয়া ঝুমনকে টার্গেট করছে। সাম্প্রতিক সময়ে ফুটপাত ইস্যু নিয়ে উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যক্তি সুযোগ নিয়ে জাকারিয়া ঝুমনকে জড়ানোর চেষ্টা করছে, যাতে তাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করা যায়।

হকার আল-আমীন বলেন, “যারা চাঁদাবাজি করে, ফুটপাত দখল করে, দোকান ভাঙচুর করে—তারা আলাদা। তাদের সঙ্গে জাকারিয়া ঝুমনের কোনো সম্পর্ক নেই। বরং তিনি হকারদের নিরাপত্তা দিয়েছেন।”

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জাকারিয়া ঝুমন কখনোই হকারদের কাছ থেকে টাকা নেননি, কোনো সিন্ডিকেট পরিচালনা করেন না, ফুটপাতে বসার জন্য কারও কাছ থেকে জামানত নেওয়া হয়নি, কোনো হকারকে মারধর বা ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনাও সত্য নয়। বরং তিনি সবসময় হকারদের সমস্যায় পাশে দাঁড়িয়েছেন।

হকাররা বলেন, তাদের দেওয়া কোনো বক্তব্য বিকৃত করা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করলেই প্রমাণ পাওয়া যাবে। একদল মানুষ জেনে–বুঝে মিথ্যা কাহিনি সাজাচ্ছে।

হকার ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা মনে করেন, এসব ভিত্তিহীন সংবাদ শহরে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে, হকার–ব্যবসায়ী সম্পর্ক নষ্ট করছে এবং প্রশাসনকে ভুল পথে পরিচালিত করছে। তাদের মতে, প্রশাসনকে ভুল বোঝানোর জন্যই জাকারিয়া ঝুমনের নামে চাঁদাবাজির গল্প বানানো হচ্ছে।

এক হকার বলেন, “যেখানে আসল দখলদার, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীরা রয়েছে, তাদের বাদ দিয়ে একজন নির্দোষ মানুষকে টার্গেট করা হচ্ছে। এটা একটি হীন রাজনৈতিক খেলা।”

জাকারিয়া ঝুমন বলেন, “আমি নির্দোষ। প্রতিহিংসার কারণে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছে। আমাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করতে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে। আমার সঙ্গে শতাধিক হকার রয়েছে—আমি কখনো চাঁদাবাজি করিনি, কাউকে করতে দিইওনি।”

তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে যারা বক্তব্য দিয়েছে তাদের বেশির ভাগই প্রকৃত হকার নন। ফুটপাত দখল ও চাঁদাবাজির সঙ্গে যারা সম্পৃক্ত, তাদের নাম আড়াল করতেই তাকে জড়ানো হচ্ছে।

বনানীর বাসা থেকে রাতভর অভিযানের পর গ্রেপ্তার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
বনানীর বাসা থেকে রাতভর অভিযানের পর গ্রেপ্তার নাভানা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান

সংগ্রহীত ছবি

শ্রম আইনসংক্রান্ত একটি মামলায় জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে নাভানা গ্রুপ ও আফতাব অটোমোবাইলস লিমিটেডের ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) ভোরে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ তাকে আটক করে আদালতে সোপর্দের প্রক্রিয়া শুরু করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি সাজেদুল ইসলাম শুভ্র বনানীর একটি ভবনে অবস্থান করছেন। এ তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত থেকে পুলিশ ওই ভবনের সামনে অবস্থান নেয় এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ভবনের নিরাপত্তাকর্মীরা দীর্ঘ সময় গেট না খোলায় পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের রাতভর ভবনের বাইরে অবস্থান করতে হয়। ঘটনাস্থলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের দাবি, অভিযানের সময় ভবনের ভেতরে অবস্থানরত কয়েকজন ব্যক্তি, যার মধ্যে চালক ও দেহরক্ষীও ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পালনরত সদস্যদের সঙ্গে অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, ঢাকার প্রথম শ্রম আদালতে দায়ের করা একটি শ্রম বিরোধসংক্রান্ত মামলায় আদালতের রায় দীর্ঘদিন বাস্তবায়ন না হওয়ায় সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলাটি আফতাব অটোমোবাইলসের সাবেক এক কর্মকর্তার পাওনা অর্থ পরিশোধসংক্রান্ত বিরোধ থেকে উদ্ভূত বলে আদালতের নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

আদালতের তথ্য অনুযায়ী, পাওনা অর্থ পরিশোধ না করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সফিউল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানটিকেও প্রতিপক্ষ করা হয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়, শ্রম আদালতের রায় কার্যকর না হওয়ায় গত ৩ মে ২০২৬ সংশ্লিষ্ট আদালত সাজেদুল ইসলাম শুভ্রসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

গ্রেপ্তারের পর সাজেদুল ইসলাম শুভ্রকে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে হাজির করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

হোসেনপুরে ইউএনওর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনজন গাঁজাসেবীর কারাদণ্ড

মশিউর রহমান চন্দন প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ
হোসেনপুরে ইউএনওর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিনজন গাঁজাসেবীর কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় গাঁজা সেবনের দায়ে তিন ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাহিদ ইভার নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার পৌরসভার মোরগ মহাল এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিচার শেষে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার দ্বীপেশ্বর গ্রামের আব্দুল মোতালিবের ছেলে রফিক মিয়া (৫০), একই গ্রামের মৃত আব্দুলের ছেলে কাসেম (৫৮) এবং পূর্ব দ্বীপেশ্বর গ্রামের হাসিম উদ্দিনের ছেলে ইমন মিয়া (২৩)।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, রফিক মিয়াকে ১ মাসের কারাদণ্ড, কাসেমকে ৩ মাসের কারাদণ্ড এবং ইমন মিয়াকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনের প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার মোরগ মহাল এলাকার একটি দোকানে মাদক সেবনের অভিযোগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে তিনজনকে আটক করা হলে তারা গাঁজা সেবনের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরবর্তীতে আদালত আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাজী নাহিদ ইভা বলেন, “হোসেনপুর উপজেলাকে মাদকমুক্ত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

ফেসবুক বিজ্ঞাপন ঘিরে প্রতারণার মামলা,আইনজীবী শফিক নজরুলের ৪ দিনের রিমান্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৮:৩৩ পূর্বাহ্ণ
ফেসবুক বিজ্ঞাপন ঘিরে প্রতারণার মামলা,আইনজীবী শফিক নজরুলের ৪ দিনের রিমান্ড

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ের ছবি ব্যবহার করে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আইনজীবী অ্যাডভোকেট শফিক নজরুলের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল মামুন সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, বার কাউন্সিল পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে চটকদার প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে শফিক নজরুলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি জাইমা রহমান ও অ্যাটর্নি জেনারেলের মেয়ের ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। তদন্তের স্বার্থে চক্রের অন্য সদস্য, অর্থ লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য উদঘাটনের জন্য তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

শুনানিকালে আদালতের অনুমতি নিয়ে শফিক নজরুল নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, তিনি কোনো প্রতারণার সঙ্গে জড়িত নন এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। আদালতে তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে দেওয়া তার সাজেশন থেকে প্রশ্ন কমন এসেছিল এবং সে কারণে তাকে হয়রানি করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, আসামিপক্ষ রিমান্ড আবেদন বাতিল ও জামিনের আবেদন জানায়। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করলে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ‘LAW DOCTOR’ নামে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ‘১০০টি এমসিকিউ পড়লেই নিশ্চিত পাস’—এ ধরনের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হতো। অভিযোগ রয়েছে, শফিক নজরুল নিজেকে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় দিয়ে পরীক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করতেন এবং পাস করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অর্থ দাবি করতেন।

একজন অভিযোগকারী দাবি করেছেন, তার কাছ থেকে মোট ৮ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং ধাপে ধাপে ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা গ্রহণ করা হয়। তবে ১২ জুন অনুষ্ঠিত বার কাউন্সিল পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর তিনি প্রতারণার অভিযোগ এনে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।