রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কিশোরগঞ্জের সকল আসনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কিশোরগঞ্জের সকল আসনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম ধাপে কিশোরগঞ্জ–১, ২ ও ৩ আসনের প্রার্থীদের এবং দ্বিতীয় ধাপে কিশোরগঞ্জ–৪, ৫ ও ৬ আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

কিশোরগঞ্জ–১ (সদর–হোসেনপুর): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক। দশ দলীয় জোটের প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হেদায়েত উল্লাহ হাদী পেয়েছেন রিকশা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. এনামুল হক পেয়েছেন কাস্তে, বাসদের প্রার্থী মো. মাসুদ মিয়া পেয়েছেন মই, বাসদ (মার্কসবাদী) প্রার্থী আলাল মিয়া পেয়েছেন কাঁচি, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহমদ আলী পেয়েছেন দেয়ালঘড়ি, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির তারেক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম পেয়েছেন আম এবং একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) রেজাউল করিম খান চুন্নু পেয়েছেন মোরগ প্রতীক।

কিশোরগঞ্জ–২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া): বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর মো. শফিকুল ইসলাম পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, গণ অধিকার পরিষদের মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ট্রাক, ইসলামী আন্দোলনের মো. আবুল বাশার রেজওয়ান পেয়েছেন হাতপাখা, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের মো. বিল্লাল হোসেন পেয়েছেন টেলিভিশন, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আফজাল হোসেন ভূঁইয়া পেয়েছেন লাঙ্গল, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান খোকন পেয়েছেন ময়ূর এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ নুর উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীক।

কিশোরগঞ্জ–৩ (তাড়াইল–করিমগঞ্জ): বিএনপির প্রার্থী ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতের জেহাদ খান দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ আলমগীর হোসাইন হাতপাখা, জাতীয় পার্টির আবু বক্কর সিদ্দিক লাঙ্গল, গণতন্ত্রী পার্টির দিলোয়ার হোসাইন ভূঁইয়া কবুতর, এনপিপির মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম আম এবং একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী একেএম আলমগীর পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক।

কিশোরগঞ্জ–৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম): বিএনপির মো. ফজলুর রহমান পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতের মো. রোকন রেজা শেখ দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের বিল্লাল আহমেদ মজুমদার হাতপাখা, এনপিপির জয়নাল আবদিন আম, ইনসানিয়াত বিপ্লবের নুরুল ইসলাম আপেল, খেলাফত মজলিসের খায়রুল ইসলাম ঠাকুর রিকশা, স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহিন রেজা চৌধুরী ঘোড়া এবং স্বতন্ত্র নারী প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক।

কিশোরগঞ্জ–৫ (বাজিতপুর–নিকলী): বিএনপির সৈয়দ এহসানুল হুদা পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতের মো. রমজান আলী দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের মো. দেলাওয়ার হোসাইন হাতপাখা, জাতীয় পার্টির মো. মাহবুবুল আলম লাঙ্গল, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মো. সাজ্জাদ হোসেন হারিকেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. অলিউল্লাহ মোমবাতি, স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল হাঁস এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এইচ এম কাইয়ুম (হাসনাত কাইয়ুম) পেয়েছেন হরিণ প্রতীক।

কিশোরগঞ্জ–৬ (ভৈরব–কুলিয়ারচর): বিএনপির মো. শরীফুল আলম পেয়েছেন ধানের শীষ, ইসলামী আন্দোলনের মো. মুসা খান হাতপাখা, খেলাফত মজলিসের আতাউল্লাহ আমিন রিকশা, জাতীয় পার্টির মো. আয়ুব হোসেন লাঙ্গল, সিপিবির ডা. মো. হাবিল মিয়া কাস্তে, এনপিপির মো. নজরুল ইসলাম আম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. রুবেল হোসেন মোমবাতি, গণ ফোরামের শাফিউদ্দিন আহমেদ উদীয়মান সূর্য এবং ইনসানিয়াত বিপ্লবের নাঈমুল হাসান পেয়েছেন আপেল প্রতীক।

নিয়ামতপুরে দুই মাদক কারবারিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
নিয়ামতপুরে দুই মাদক কারবারিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর বাজার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক কারবারিকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (১৬ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় তাদের এ দণ্ড দেওয়া হয়।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন নিয়ামতপুর ইউনিয়নের বাহিরচর গ্রামের আইজুদ্দিনের ছেলে সাফায়েতুল (২১) এবং দেহন্দা ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে রাব্বুল (২০)।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির।

তিনি জানান, মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির শতভাগ বাস্তবায়নে করিমগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরও বলেন, মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতা প্রয়োজন। এ বিষয়ে তিনি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মস্তোফার দাফন সম্পন্ন

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মস্তোফার দাফন সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও কটিয়াদী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহকারী (কেরানি) মো. মস্তোফার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার দুপুরে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ফেকামারা ফাজিল কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। কটিয়াদী উপজেলা প্রশাসন-এর পক্ষ থেকে কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাবনি আক্তার তারানা রাষ্ট্রের পক্ষে সালাম গ্রহণ করেন।

এ সময় জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত মরহুমের মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয় এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

পরে একই স্থানে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে মরহুমকে দাফন করা হয়।

গার্ড অব অনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. শ্যামল মিয়া, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক মো. ঈসরাইল মিয়া, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিক, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মোড়ল, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, কটিয়াদী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সাবেক সভাপতি মো. কুতুব উদ্দিন, উপজেলা কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলুসহ কটিয়াদী সাব-রেজিস্ট্রি অফিস দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মো. মস্তোফা দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার পশ্চিম ফেকামারা গ্রামে নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার ছেলে, চার মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

করিমগঞ্জে ২২ দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ

মোছা. জান্নাতুল মাওয়া প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৩:৩৫ অপরাহ্ণ
করিমগঞ্জে ২২ দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় ২২ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)। এ সময় শিক্ষার্থীদের মোট ৩ লাখ ৪৮ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়।

শনিবার দুপুরে করিমগঞ্জ পৌরসভার নয়াকান্দি এলাকায় অবস্থিত ডিএসকে কিশোরগঞ্জ-২ আঞ্চলিক অফিসের মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএসকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. শহীদুজ্জামান ভূঞা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএসকে কিশোরগঞ্জ-২ অঞ্চলের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মো. সজল মিয়া।

অনুষ্ঠানে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ২২ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে এসএসসি উত্তীর্ণ ১৫ জন শিক্ষার্থীকে ১২ হাজার টাকা করে এবং এইচএসসি উত্তীর্ণ সাতজন শিক্ষার্থীকে ২৪ হাজার টাকা করে বৃত্তি প্রদান করা হয়।

এ সময় বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শিক্ষা বিস্তারে সহায়তা এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ডিএসকে। সংস্থাটি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে নিজেদের উপকারভোগী সদস্যদের সন্তানদের পাশাপাশি হতদরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদেরও বৃত্তি দিয়ে থাকে।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, এ বছর জেলায় মোট ১৩১ জন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে ২১ লাখ ৩৬ হাজার টাকার শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ পূর্ব জোনে ৫৩ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সারাদেশে ডিএসকের শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় মোট এক কোটি ১০ লাখ ২৮ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।