ভৈরবে নো-পার্কিং জোনে অভিযান, থ্রি-হুইলার ও মোটরসাইকেল আটক করে জরিমানা
ভৈরব, ১৪ মার্চ (প্রতিনিধি): কিশোরগঞ্জের ভৈরব-এ ঈদযাত্রা স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক ও ভৈরব–কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ। দুর্জয় মোড়ের দুই শত গজের মধ্যে কোনো যানবাহন কিংবা থ্রি-হুইলার দাঁড় করিয়ে যানজট সৃষ্টি করলে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার আওতায় আনা হচ্ছে।
শনিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে হাইওয়ে পুলিশের সিলেট জোনের পুলিশ সুপার রেজাউল করিম-এর নেতৃত্বে সড়কে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দুর্জয় মোড় দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের একটি ভোগান্তির জায়গা হিসেবে পরিচিত। মোড়টির আশপাশে বিভিন্ন বাস কাউন্টার এবং যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং ও থ্রি-হুইলারের বেপরোয়া চলাচলের কারণে এখানে প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হয়।
ঈদযাত্রাকে যানজটমুক্ত রাখতে ভৈরব প্রশাসন ও হাইওয়ে পুলিশ ভৈরব–ঢাকা, ভৈরব–সিলেট এবং কিশোরগঞ্জ সড়কের নির্দিষ্ট অংশে প্রায় দুই শত ফুট এলাকাকে নো-পার্কিং জোন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
ঈদ সামনে রেখে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে অভিযান চালিয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যাটারিচালিত রিকশা, সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল আটক করে থানায় নেওয়া হয়। পরে চালকেরা ভবিষ্যতে সড়কে যানজট সৃষ্টি করবেন না—এ মর্মে মৌখিক মুচলেকা দিলে প্রতিটি যানবাহনের কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে জরিমানা আদায় করে সেগুলো ছেড়ে দেয় পুলিশ।
হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নো-পার্কিং জোনের মধ্যে বাস, মিনিবাস, রিকশা, অটোরিকশা, সিএনজি বা মোটরসাইকেল দাঁড় করালেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হাইওয়ে পুলিশের সিলেট জোনের পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, “ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের ভৈরবের দুর্জয় মোড়ে থ্রি-হুইলার, সিএনজি এবং বড় যানবাহন যত্রতত্র দাঁড়ানোর কারণে প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হয়। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। তাই এখানে নো-পার্কিং জোন ঘোষণা করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “নো-পার্কিং জোনের দুই শত ফুটের মধ্যে কোনো যানবাহন দাঁড়িয়ে যাত্রী বা মালামাল ওঠানামা করালে কিংবা অপ্রয়োজনে দাঁড়িয়ে যানজট সৃষ্টি করলে তাদের আইনের আওতায় এনে জেল-জরিমানা করা হবে। ঈদে মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে পরিবারের সঙ্গে উৎসব উদযাপন করতে পারে, সে লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”













