রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩

ঈদযাত্রা ও সেচে স্বস্তি দিতে জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঈদযাত্রা ও সেচে স্বস্তি দিতে জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার

সেচে ডিজেলের চাহিদা পূরণ এবং ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে জ্বালানি তেল বিক্রিতে চালু থাকা রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহার করেছে সরকার।

সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজ এ ঘোষণা দেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে আর কোনো রেশনিং থাকছে না। ফলে সবাই চাহিদামতো ডিজেল, পেট্রল ও অকটেন কিনতে পারবেন। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জ্বালানির সংকট যাতে না হয়, সে জন্য আমদানি বাড়াতে ভারতসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

এদিকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বর্তমানে ইরান–ইসরায়েল যুদ্ধ-এর কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ লাইনে কিছু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার আগে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে ইতোমধ্যে আমদানিকৃত কয়েকটি জ্বালানি তেলের জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর-এ পৌঁছেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনগণের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচ কার্যক্রম সচল রাখতে জ্বালানি তেল বিতরণে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৫ মার্চ থেকে দেশের সব বিতরণ পয়েন্টে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।

জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত বাড়ে এবং একই সময়ে বোরো ধানের মৌসুমে সেচের জন্য ডিজেলের চাহিদাও বৃদ্ধি পায়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই আপাতত রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনে পরে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হতে পারে।

এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে গত ৬ মার্চ থেকে দেশে জ্বালানি তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করা হয়। তখন মোটরসাইকেলের জন্য দৈনিক দুই লিটার, স্পোর্টস ইউটিলিটি যান ও মাইক্রোবাসের জন্য ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ ও লোকাল বাসের জন্য ৭০ থেকে ৮০ লিটার এবং দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের জন্য দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল বিক্রির সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে সীমা দুই লিটার থেকে বাড়িয়ে পাঁচ লিটার করা হয় এবং সামগ্রিক রেশনিং ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামানো হয়। তবে ঈদ সামনে রেখে এখন সেই সীমাবদ্ধতা পুরোপুরি তুলে নেওয়া হলো।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, রেশনিং ব্যবস্থার কারণে গত কয়েক দিনে অনেক এলাকায় ফিলিং স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। কিছু জেলায় পাম্প মালিকদের অভিযোগ ও সরবরাহ সংকটের কারণে সাময়িকভাবে তেল উত্তোলনও বন্ধ ছিল। ফলে পরিবহন খাত ও সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।

পেট্রলপাম্প মালিকদের সংগঠনের নেতারা বলেন, সীমিত সরবরাহ ও বিক্রির বিধিনিষেধের কারণে পাম্প পরিচালনায় জটিলতা তৈরি হচ্ছিল। ঈদ সামনে রেখে রেশনিং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত পরিবহন খাত ও জ্বালানি বাজারে স্বস্তি আনবে।

তবে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। তাই সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে আবারও নতুন নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।

মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি দেখতে কটিয়াদীতে দুই প্রতিমন্ত্রী

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি দেখতে কটিয়াদীতে দুই প্রতিমন্ত্রী

আগামী ১৬ আগস্ট জাতীয় মৎস্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য কটিয়াদী সফরকে সামনে রেখে সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানস্থল, উন্মুক্ত জলাশয় ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালা উদ্দিন টুকু এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম। রোববার (২৬ জুলাই) এ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীজুড়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে।

বিকেলে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় প্রথমে উপজেলার জালালপুর ও লোহাজারী ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত জিয়ার কাটা খালের খননকাজ পরিদর্শন করেন। পরে তারা চারিপাড়া সরকারি মৎস্য হ্যাচারি ঘুরে দেখেন এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি ও কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এরপর সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানস্থল হিসেবে কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠ, কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউটের খেলার মাঠ পরিদর্শন করেন। এ সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জনসমাগম ধারণক্ষমতা, যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং সার্বিক আয়োজনের উপযোগিতা পর্যালোচনা করা হয়।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির স্থান হিসেবে উপজেলার মসুয়া ইউনিয়নের বেতাল দিঘিও পরিদর্শন করেন তারা।

পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল), জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আশফাক আহমেদ জুন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মো. রুহুল আমিন আকিল, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেদ কনক, পরিচালক (প্রশাসন) এস. এম. রেজাউল করিম, ঢাকা বিভাগের পরিচালক মো. আহসান হাসিব খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কাউসারসহ জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় সাংবাদিকদের বলেন, সম্ভাব্য অনুষ্ঠানস্থল ও উন্মুক্ত জলাশয় পরিদর্শন করা হয়েছে। সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা শেষে ঢাকায় গিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দিবসটির উদ্বোধন করবেন। একই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলার পাঁচ হাজার শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষীর হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কর্মসূচি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে। অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবনকারী যুবকের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবনকারী যুবকের জেল

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গাঁজা সেবনের দায়ে সোয়েব উদ্দিন শরীফ (৩৫) নামে এক যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপম দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সোয়েব উদ্দিন শরীফ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের কয়ারখালী গ্রামের আবদুল বারিকের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে শরীফ পাকুন্দিয়া উপজেলার ঠুটারজঙ্গল এলাকায় গাঁজা সেবন করছিলেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে গাঁজাসহ আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

পরবর্তীতে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপম দাস মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস বলেন, ‘অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

বাজিতপুরে খেলতে গিয়ে খালে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৫:৫২ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে খেলতে গিয়ে খালে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে খালে ডুবে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে পৌর এলাকার মিরারবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই শিশু হলো— মিরারবন্দ এলাকার মো. সুজন মিয়ার তিন বছর বয়সী ছেলে তাহসিন মিয়া এবং একই এলাকার মো. শাউন মিয়ার সাড়ে তিন বছর বয়সী মেয়ে মাওয়া আক্তার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে খেলার ছলে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে শিশু দুটি বাড়ির সামনের খালের পানিতে পড়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাদের দেখতে না পেয়ে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির সামনের খাল থেকে শিশু দুটিকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

পরে তাদের দ্রুত ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে বাজিতপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাজিতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।’

স্থানীয়দের ভাষ্য, বাড়ির সামনের খালটি বর্ষা মৌসুমে পানিতে পূর্ণ থাকায় শিশুদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে যাওয়ায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41