রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

আদমপুরে ২০ বছর ধরে পরিত্যক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলে, চিকিৎসা বঞ্চিত হাজারো মানুষ

আলী রহমান খান প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৫ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
আদমপুরে ২০ বছর ধরে পরিত্যক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র দখলে, চিকিৎসা বঞ্চিত হাজারো মানুষ

চারপাশে সারি সারি টিনের দোকান। জমজমাট বেচাকেনা। দোকানগুলোর মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে একটি জরাজীর্ণ দোতলা ভবন—জানালা-দরজাহীন, দেয়ালের প্লাস্টার খসে পড়েছে, বেরিয়ে এসেছে মরিচাধরা রড। ভেতরে জমে আছে ময়লা-আবর্জনা। অথচ একসময় এই ভবনটিই ছিল লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা। বর্তমানে অবহেলা, তদারকির অভাব ও দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতায় বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার আদমপুর মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র।

১৯৬৫ সালে অষ্টগ্রাম উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নে প্রায় ৪২ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। তবে প্রায় দুই দশক ধরে চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ধীরে ধীরে এটি দখল করে নেয় স্থানীয় প্রভাবশালী একটি মহল। অভিযোগ রয়েছে, চিকিৎসা কর্মকর্তা মো. শিবির আহমেদ অবসরে যাওয়ার পর আর কোনো কর্মকর্তা নিয়োগ না হওয়ায় কেন্দ্রটি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। সেই সুযোগে প্রথমে অস্থায়ীভাবে দোকান বসানো হলেও পরে স্থায়ীভাবে দখল নিয়ে ব্যবসা শুরু করা হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্য, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে আদমপুর ইউনিয়নের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার, যা হাওরাঞ্চলের দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে যেতে হয়। এ কারণে এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিই ছিল এলাকাবাসীর একমাত্র চিকিৎসা ভরসা। পাশের আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নেও কোনো স্বাস্থ্য কেন্দ্র না থাকায় সেখানকার মানুষও এখানে চিকিৎসা নিতে আসতেন। বর্তমানে কেন্দ্রটি দখল হয়ে যাওয়ায় ভেতরে আবর্জনা জমে রয়েছে, এমনকি মানুষের মলত্যাগের কারণে দুর্গন্ধে ভেতরে প্রবেশ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী কামরুল হাসান, মহসিন, রাসেল মিয়া, মজিবর মিয়া, কেবল মিয়া, বুলবুল মিয়া, সোহেল মিয়া, মোহাম্মদ মিয়া, মিজান মিয়া ও শওকত আলী জানান, তারা কেউ কেউ সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল করিম বাদলকে মাসিক এক হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করছেন। আবার অনেকেই নিজ উদ্যোগে দোকান নির্মাণ করে ভাড়া ছাড়াই ব্যবসা চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল করিম বাদল বলেন, “৪২ শতাংশ জমি সরকারের নামে জরিপে রয়েছে। এর মধ্যে ৩ শতাংশ জমি নিয়ে আমাদের ক্রয়সূত্রে মালিকানার দাবি রয়েছে, যা আদালতে বিচারাধীন। সরকার চাইলে আমরা জমি ছেড়ে দিতে প্রস্তুত।” তিনি আরও জানান, একটি পক্ষ আদালতের রায়ে প্রায় ১৭ শতাংশ জমি ভোগদখল করছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা রইস উদ্দিন (৭৫) বলেন, “আগে আমরা এই কেন্দ্র থেকেই চিকিৎসা পেতাম। এখন চিকিৎসার জন্য অষ্টগ্রাম, হবিগঞ্জ বা কিশোরগঞ্জ যেতে হয়। বর্ষায় নৌকায় এবং শুষ্ক মৌসুমে হেঁটে বা ছোট যানবাহনে যেতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।”

আদমপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হারিস মিয়া বলেন, “স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসার জন্যও ৫০ কিলোমিটার দূরে হবিগঞ্জ যেতে বাধ্য হচ্ছে। এতে তাদের ২ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হচ্ছে।”

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মোন্নাফ বলেন, “স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও কর্তৃপক্ষের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। বিষয়টি সংসদ সদস্যকেও জানানো হয়েছিল, তবে প্রভাবশালী মহলের কারণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।”

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রবীন বিশ্বাস জানান, কেন্দ্রটির জমি দখলকে কেন্দ্র করে মামলা চলমান রয়েছে। তবে আদমপুরে পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউবি) নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অষ্টগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিলভিয়া স্নিগ্ধা বলেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। তিনি দ্রুত পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

এদিকে, কিশোরগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্টরা জানান, কেন্দ্রটি এখনো পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়নি। মামলা নিষ্পত্তি হলে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, পাশের আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নে ১০ শয্যা বিশিষ্ট একটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের ভবন নির্মিত হলেও এখনো সেখানে চিকিৎসা কার্যক্রম চালু হয়নি।

বিন্নাটি বাজারে সাউন্ড ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে বাউল সন্ধ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
বিন্নাটি বাজারে সাউন্ড ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে বাউল সন্ধ্যা

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি বাজারে সাউন্ড ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বাউল সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে বিন্নাটি বাজারের মোল্লা মার্কেট চত্বরে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিন্নাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইব্রাহীম মোল্লার সভাপতিত্বে আয়োজিত বাউল সন্ধ্যায় প্রধান অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান (ভিপি সোহেল)।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শিল্পীরা বাউল ও লোকসংগীত পরিবেশন করেন। বাদ্যশিল্পীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা ও শিল্পীদের গানকে ঘিরে পুরো অনুষ্ঠানস্থলে সৃষ্টি হয় প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আবহ। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান বলেন, সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা সবসময়ই আমাদের পছন্দের। সমাজে সুস্থ ও ইতিবাচক সাংস্কৃতিক চর্চা বজায় রাখা প্রয়োজন। অসুস্থ বিনোদন থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য ও সুন্দর সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।

তিনি বলেন, বাউল ও লোকসংগীত আমাদের সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশীয় সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাপ, স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক আবু হানিফ, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিলন, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার, সদর উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক রাসেলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বাউল সন্ধ্যায় শিল্পীদের পরিবেশনায় দর্শক-শ্রোতারা মুগ্ধ হন। আয়োজকেরা জানান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধকে আরও সমৃদ্ধ করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কিশোরগঞ্জের নতুন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের নতুন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান

দুই এলএনজি টার্মিনাল সচল, তবু কাটছে না গ্যাস-সংকট

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ
দুই এলএনজি টার্মিনাল সচল, তবু কাটছে না গ্যাস-সংকট

আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের সংকট কাটছে না। নতুন একটি এলএনজিবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছানোর পর গতকাল শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে আমেরিকান কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি চালু হয়েছে। তবে একই সময়ে দেশীয় সামিট গ্রুপের ভাসমান টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। ফলে দুটি টার্মিনাল সচল থাকলেও আজ রোববার সকাল থেকে জাতীয় গ্রিডে মোট ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। অথচ টার্মিনাল দুটির সম্মিলিত সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল চালু হওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে—এমন প্রত্যাশা ছিল শিল্পকারখানা, আবাসিক গ্রাহক ও পরিবহন খাতসংশ্লিষ্টদের। কিন্তু দুটি টার্মিনাল একসঙ্গে সচল হওয়ার পরও সরবরাহ বেড়েছে সামান্যই। ফলে দীর্ঘদিনের গ্যাস-সংকট থেকে দ্রুত স্বস্তি পাওয়ার যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি।

পেট্রোবাংলার ক্রয় বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, দুটি টার্মিনালের পূর্ণ সক্ষমতা অনুযায়ী এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতি মাসে ১১টি কার্গো প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে আসছে মাত্র পাঁচটি। ফলে আমদানি করা এলএনজির সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, পরিস্থিতি এখন বেশ এলোমেলো। কবে নাগাদ এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরবে, তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এলএনজি কিনে কক্সবাজারের মহেশখালী উপকূলে থাকা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ করে সরকার। টার্মিনাল দুটি নিজেরা এলএনজি আমদানি করে না। আমদানি করা এলএনজিকে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করাই এসব টার্মিনালের মূল কাজ।

এর আগে টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটির কারণে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল। পরে ত্রুটি মেরামত করে টার্মিনাল চালু করা হয়। বর্তমানে টার্মিনাল সচল থাকলেও পর্যাপ্ত এলএনজি না পাওয়ায় সরবরাহে নতুন সংকট তৈরি হয়েছে।

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল যখন এলএনজি-সংকটে ভুগছিল, তখন সামিটের টার্মিনাল তার সক্ষমতার চেয়েও বেশি—সর্বোচ্চ প্রায় ৫৭০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত—গ্যাস সরবরাহ করেছিল। কিন্তু বর্তমানে সামিটের টার্মিনালও কার্গো-সংকটে পড়েছে। ফলে সরকারি নির্দেশনায় ওই টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) এক কর্মকর্তা জানান, রোববার সকাল ১০টায় এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল থেকে ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। টার্মিনালটির সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

অন্যদিকে, সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমিয়ে ২৪০ মিলিয়ন ঘনফুট করা হয়েছে। ফলে দুটি টার্মিনাল মিলিয়ে জাতীয় গ্রিডে ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, সামিটের টার্মিনাল সচল থাকলেও সাগরে বর্তমানে কোনো এলএনজিবাহী জাহাজ নেই। ফলে বাধ্য হয়েই সরবরাহ কমাতে হয়েছে। নতুন কার্গো না আসা পর্যন্ত এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে এলএনজি কেনার পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, উন্মুক্ত দরপত্র বা তালিকাভুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে এলএনজি না কিনে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণ করতে গিয়েই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ডিপিএমের আওতায় অনুমোদিত কোনো এলএনজিবাহী জাহাজও এখন পর্যন্ত দেশে পৌঁছায়নি।

এ অবস্থায় সরকার স্পট মার্কেট থেকে উচ্চমূল্যে এলএনজি কেনার চেষ্টা করছে। তবে সেখান থেকেও কাঙ্ক্ষিত সাড়া মিলছে না। ফলে দুটি ভাসমান টার্মিনাল সচল থাকার পরও জাতীয় গ্রিডে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

গ্যাসের ঘাটতির কারণে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন, আবাসিক ও পরিবহন খাতে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। দীর্ঘদিনের সরবরাহ সংকটের মধ্যে নতুন করে এলএনজি-সংকট তৈরি হওয়ায় সরকার কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।