শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি নিষিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রি নিষিদ্ধ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ কার্যকর করা হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সুপারিশে আইনটি সংশোধন করা হয়েছে।

গত বুধবার আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ এ অধ্যাদেশ জারি করে। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকাশ্য স্থানে ধূমপানের জন্য জরিমানার পরিমাণ ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই হাজার টাকা করা হয়েছে।

একই সঙ্গে উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার—সব ক্ষেত্রেই ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ নতুন বাজারে আসা সব ধরনের তামাকপণ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান অমান্য করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘তামাকজাত দ্রব্য’-এর সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করে ই-সিগারেট, ইলেকট্রনিক নিকোটিন ডেলিভারি সিস্টেম (ইএনডিএস), হিটেড টোব্যাকো প্রোডাক্ট (এইচটিপি), নিকোটিন পাউচসহ সব ধরনের বিকাশমান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর জানায়, ‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিনজাত দ্রব্য’-এর পৃথক সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ‘পাবলিক প্লেস’-এর সংজ্ঞাও সম্প্রসারিত করা হয়েছে। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে সব পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি যে কোনো তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ থাকবে।

অধ্যাদেশে ই-সিগারেট ও অন্যান্য বিকাশমান তামাকপণ্যের উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রি ও ব্যবহারকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড অথবা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতার বিড়ির উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ ছাড়া তামাক বা তামাকজাত দ্রব্যের সঙ্গে যে কোনো ক্ষতিকর আসক্তিমূলক উপাদান মেশানোকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেটের অন্তত ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে রঙিন স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ও ছবি ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং ছাড়া এসব পণ্য বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে।

ভৈরবে তেলের সংকটে নৌযান চলাচল ব্যাহত, অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ

জয়নাল আবেদীন রিটন প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
ভৈরবে তেলের সংকটে নৌযান চলাচল ব্যাহত, অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে জ্বালানি তেলের সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে নৌযান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে করে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন—উভয় ক্ষেত্রেই স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

বন্দরনগরী ভৈরব বাজার দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসাকেন্দ্র। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নৌকা, লঞ্চ ও স্টিমারযোগে বিপুল পরিমাণ পণ্য এখানে আসে। আবার এখান থেকে ব্যবসায়ীরা পণ্য কিনে নিজ নিজ এলাকায় নিয়ে যান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তেলের সংকট ও দাম বৃদ্ধির কারণে নৌযান মালিক ও চালকরা চরম সংকটে পড়েছেন।

সরেজমিনে জানা গেছে, ভৈরব বাজারের পণ্য পরিবহন ও যাত্রী চলাচলের একটি বড় অংশই নৌপথনির্ভর। কিন্তু পর্যাপ্ত জ্বালানি না পাওয়ায় নৌকা, ট্রলার, খেয়া নৌকা, লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

নৌযান মালিকদের অভিযোগ, ডিলারদের কাছ থেকে চাহিদামতো তেল না পাওয়ায় খুচরা বাজার থেকে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ থেকে ২০ টাকা বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। পেট্রোলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গুনতে হচ্ছে প্রতি লিটারে প্রায় ৫০ টাকা। এতে পরিবহন ব্যয় বেড়ে গিয়ে নৌযান চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।

তাদের আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে নৌযান চলাচল বন্ধ করে দিতে হতে পারে অথবা ভাড়া বৃদ্ধি করা ছাড়া বিকল্প থাকবে না।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রভাবে দেশে জ্বালানি তেল সরবরাহে সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে ডিলার ও এজেন্টরা পর্যাপ্ত ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন পাচ্ছেন না। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে নৌপথে চলাচলকারী সব ধরনের নৌযানের ওপর।

এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দামে জ্বালানি তেল বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

‘বৃষ্টি’ লঞ্চের মালিক মনির হোসেন বলেন, আগে এজেন্সিগুলো থেকে নির্ধারিত মূল্যে তেল পাওয়া যেত। এখন তারা তেল না পাওয়ার কথা জানিয়ে সরবরাহ বন্ধ রেখেছে। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে তেল কিনতে হচ্ছে।

লঞ্চের সারেং ওয়ালী উল্লাহ বলেন, সড়কপথে যাতায়াত সহজ হওয়ায় এমনিতেই লঞ্চে যাত্রী কম। তার ওপর তেলের সংকট ও দাম বৃদ্ধি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এতে লঞ্চ চলাচল বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

খেয়াঘাটের মাঝিরা জানান, তেলের দাম বেড়েছে প্রতি লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা। কিন্তু ভাড়া বাড়েনি। ফলে আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে তেল না পাওয়ায় নৌযান বন্ধ রাখার পরিস্থিতিও তৈরি হচ্ছে।

ভৈরব বাজার জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সভাপতি অহিদ মিয়া জানান, সমিতির পক্ষ থেকে বিক্রেতাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—লিটারে নির্ধারিত মূল্যের বেশি দামে তেল বিক্রি করা যাবে না। কেউ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের সহায়তায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগীরা দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করা এবং বাজারে তেলের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

কুলিয়ারচরে ২ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ
কুলিয়ারচরে ২ কেজি গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় ২ কেজি গাঁজাসহ এক নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত নারী হলেন মোছা. সুফিয়া খাতুন (৫৩)। তিনি উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাপুর ইউনিয়নের মাতুয়ারকান্দা এলাকার মৃত সুলু মিয়ার মেয়ে এবং মো. আব্দুল মান্নানের স্ত্রী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ-এর উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজন বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি দল আগরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানকালে আশীর্বাদ মিষ্টান্ন ভান্ডারের সামনে পাকা সড়ক থেকে তাকে আটক করা হয়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুফিয়া খাতুন পালানোর চেষ্টা করলে নারী কনস্টেবল লিজা আক্তারের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়।

পরবর্তীতে তল্লাশি চালিয়ে তার হেফাজত থেকে ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।

পুলিশ আরও জানায়, ওই সময় তারা মাদক উদ্ধার ও ওয়ারেন্ট তামিল সংক্রান্ত ডিউটিতে ছিলেন। আগরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মাদক বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থানের তথ্য পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ ঘটনায় কুলিয়ারচর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, কুলিয়ারচরকে মাদকমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

মোবাইল ব্যবহারে দেশের ‘নম্বর ওয়ান’ কিশোরগঞ্জ

রেজাউল হক প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ
মোবাইল ব্যবহারে দেশের ‘নম্বর ওয়ান’ কিশোরগঞ্জ

দেশে মোবাইল ফোন ব্যবহারে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে কিশোরগঞ্জ। জেলাটিতে ৯৯ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। বিপরীতে সর্বনিম্ন ব্যবহারকারী পাওয়া গেছে নড়াইল জেলায়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের সুযোগ ও প্রয়োগ পরিমাপ ২০২৪–২৫’ শীর্ষক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে এ জরিপের ফল প্রকাশ করা হয়।

জরিপ অনুযায়ী, দেশে ৯৮ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবারে অন্তত একটি মোবাইল ফোন রয়েছে। ব্যক্তিপর্যায়ে ৬১ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষের নিজস্ব মোবাইল ফোন আছে।

স্মার্টফোন ব্যবহারে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লা। অন্যদিকে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে গাইবান্ধা, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, শেরপুর, ঝালকাঠি, কুড়িগ্রামপঞ্চগড়

পরিবারভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবহারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা, আর সর্বনিম্ন পঞ্চগড়

ব্যক্তিপর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার ৫৩ দশমিক ৪ শতাংশ। শহরে এই হার ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ হলেও গ্রামে মাত্র ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ—যা বড় বৈষম্যের ইঙ্গিত দেয়।

কম্পিউটার ব্যবহারে শীর্ষে রয়েছে ঢাকা এবং সর্বনিম্ন অবস্থানে ঠাকুরগাঁও। সার্বিকভাবে দেশে মাত্র ১১ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ কম্পিউটার ব্যবহার করেন।

জরিপে দেখা গেছে, দেশে ইন্টারনেট সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় সরকারি চাকরির তথ্য খোঁজার জন্য—প্রায় ৬৪ শতাংশ ক্ষেত্রে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খেলাধুলা সংক্রান্ত তথ্য (প্রায় ৫০ শতাংশ)। অন্যদিকে অনলাইনে পণ্য বা সেবা কেনাকাটায় অংশ নেন মাত্র ১১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ।

ডিজিটাল দক্ষতায় ৮৪ দশমিক ৪ শতাংশ ব্যবহারকারী কপি-পেস্ট করতে পারেন, যা সর্বাধিক প্রচলিত দক্ষতা। অপরদিকে সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ৭৮ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবহারকারী সচেতনতা দেখালেও ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবহারকারীর জন্য ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

উচ্চমূল্যের কারণে ৪৩ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ এখনও ইন্টারনেট ব্যবহার থেকে দূরে রয়েছেন, যা ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে বড় বাধা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জরিপের ফলাফলে দেখা যায়, মোবাইল ব্যবহারে কিশোরগঞ্জ দেশের শীর্ষে অবস্থান করলেও অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে অঞ্চলভেদে বড় ধরনের বৈষম্য বিদ্যমান। বিশেষ করে ইন্টারনেট, স্মার্টফোন ও কম্পিউটার ব্যবহারে শহর-গ্রাম এবং জেলা পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান এখনও রয়ে গেছে।