রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

র‌্যাব বিলুপ্তিসহ নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর জবাবদিহির সুপারিশ গুম কমিশনের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
র‌্যাব বিলুপ্তিসহ নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর জবাবদিহির সুপারিশ গুম কমিশনের

বাংলাদেশে বলপূর্বক গুম ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অবসান ঘটাতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বিলুপ্তিসহ সব নিরাপত্তা বাহিনীকে কঠোর আইনি জবাবদিহির আওতায় আনার সুপারিশ করেছে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ বাতিল বা মৌলিকভাবে সংশোধনসহ ব্যাপক প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত সংস্কারের কথা বলেছে কমিশন।

সোমবার রাজধানীর গুলশানে কমিশনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব সুপারিশ তুলে ধরেন কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মাইনুল ইসলাম চৌধুরী। এ সময় কমিশনের সদস্য বিচারপতি মো. ফরিদ আহমেদ শিবলী, নূর খান লিটন, নাবিলা ইদ্রিস ও সাজ্জাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সুপারিশের মধ্যে রয়েছে—র‌্যাব বিলুপ্ত করা, অভ্যন্তরীণ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব থেকে সশস্ত্র বাহিনী প্রত্যাহার, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইন, ২০০৩-এর ১৩ ধারা বাতিল, বাধ্যতামূলক মানবাধিকার প্রশিক্ষণ চালু, ভুক্তভোগীকেন্দ্রিক ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং গুমের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ‘আয়নাঘর’গুলোকে জাদুঘরে রূপান্তর।

কমিশনের অনুসন্ধানে দেখা যায়, গুমের অভিযোগের প্রায় ২৫ শতাংশে র‌্যাব, ২৩ শতাংশে পুলিশ জড়িত। এ ছাড়া ডিবি, সিটিটিসি, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের সংশ্লিষ্টতাও পাওয়া গেছে। বহু ক্ষেত্রে সাদাপোশাকে ‘প্রশাসনের লোক’ পরিচয়ে অপহরণ করা হয়েছে। কমিশনের মতে, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়; বরং এটি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক চর্চার ইঙ্গিত দেয়।

কমিশন অব ইনকোয়ারি অ্যাক্টের ধারা ১০ অনুযায়ী, ফিরে না আসা ব্যক্তিদের বিষয়ে চার ধাপে তদন্তের জন্য একাধিক অভিযোগ পুলিশের মহাপরিদর্শকের কাছে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি দুই থেকে পাঁচ দিনের গুমের অভিযোগগুলোর তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে আলাদা চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং ছয় মাসের মধ্যে অগ্রগতি মানবাধিকার কমিশনকে জানাতে বলা হয়েছে।

কমিশনে দাখিল হওয়া ১ হাজার ৯১৩টি অভিযোগের মধ্যে পুনরাবৃত্ত ২৩১টি এবং প্রাথমিক যাচাইয়ে গুমের সংজ্ঞার বাইরে থাকায় ১১৩টি অভিযোগ বাতিল করা হয়। ফলে ১ হাজার ৫৬৯টি অভিযোগ সক্রিয় বিবেচনায় নেওয়া হয়। এর মধ্যে ২৫১ জন গুমের শিকার এবং ৩৬ জনের গুম–পরবর্তী লাশ উদ্ধার হয়েছে।

নিখোঁজদের অবস্থান নির্ধারণে কমিশন ২২২ জন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং ৭৬৫ জন ভুক্তভোগী ও পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। সীমান্তবর্তী জেলা ও বিজিবির কাছ থেকে পুশইনের তথ্য সংগ্রহ করা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে গুমের শিকারদের সন্ধান মেলেনি। তবে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর ধামরাইয়ের বাসিন্দা মোহাম্মদ রহমত উল্লাহকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে পুশইনের একটি ঘটনা শনাক্ত হয়েছে।

কমিশন আরও জানায়, মুন্সীগঞ্জে গুমের শিকারদের বেওয়ারিশ কবরস্থানের সন্ধান পাওয়া গেছে। বরিশালের বলেশ্বর নদী ও বরগুনার পাথরঘাটায় ডাম্পিং প্লেস চিহ্নিত করা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মরদেহ শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে একটি বিস্তৃত ডিএনএ ডাটাবেজ গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।

কমিশনের কার্যক্রমে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থা ও কূটনৈতিক মিশনগুলো গুমের ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে।

পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স হাই স্কুলের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত এবং জুনিয়র বৃত্তি-২০২৬ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজন করা হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে কিশোরগঞ্জ পুলিশ লাইন্স ড্রিল শেডে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সহকারী শিক্ষক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নাচ, গান ও অভিনয়সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। তাদের মনোজ্ঞ পরিবেশনায় অনুষ্ঠানস্থলে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, মাসুদা ইসলাম, শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী, কিশোরগঞ্জ এবং কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম কৃতি শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ভালো ফলাফল অর্জনকারীদের পাশাপাশি যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারেনি, তাদেরও হতাশ না হয়ে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হবে। নিয়মিত অধ্যবসায় ও চেষ্টা থাকলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শুধু ভালো ফলাফল অর্জনই নয়, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থীদের নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, শুধু পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাই শিক্ষার্থীদের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে নিজেদের একজন যোগ্য ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শেষ হয়।

কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন, মিলবে সহজে হয়রানিমুক্ত ভূমিসেবা

ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্র থেকে জনসাধারণ বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভূমিসেবা নিতে পারবেন।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন, স্থানীয় সরকার উপপরিচালক (উপসচিব) জেবুন নাহার শাম্মী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) নাজমুস সাকিব খান, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) নিলুফা আক্তার রূপা এবং জেলার ১৩টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।

উদ্বোধন শেষে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন। তিনি কেন্দ্রটির মাধ্যমে নাগরিকদের কী ধরনের ভূমিসেবা দেওয়া হবে এবং কীভাবে এসব সেবা পাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন।

জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, জেলার নাগরিকদের ভূমিসেবা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে এ ভূমিসেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এটি ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ। কেন্দ্রটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে জেলা প্রশাসন।

তিনি জানান, নাগরিকরা সরাসরি জেলা ভূমিসেবা কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে প্রতিদিন ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া, নামজারি ও জমাখারিজ, খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি এবং মৌজা ম্যাপ বা নকশা প্রাপ্তির আবেদনসহ বিভিন্ন ধরনের ভূমিসেবা পাওয়া যাবে।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থাপিত এ কেন্দ্রের মাধ্যমে এক জায়গা থেকেই নাগরিকরা প্রয়োজনীয় ভূমিসেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে ভূমিসেবা গ্রহণে নাগরিকদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব হবে।

কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হত্যার হুমকি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

রোববার দুপুরে শহরের সৈয়দ নজরুল ইসলাম চত্বর থেকে এনসিপির উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় নির্ধারিত স্থানে গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আহনাফ সাঈদ খান, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবীর, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ ইকরাম হোসেন, ফয়সাল প্রিন্সসহ দলের অন্যান্য নেতাকর্মী।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ চাপে রয়েছে।

বক্তারা অবিলম্বে দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও নির্যাতন বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

সমাবেশ শেষে একই দাবিতে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে একটি স্মারকলিপি দেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।