রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

অষ্টগ্রামে নদীভাঙন প্রতিরোধে এমপি ফজলুর রহমানের উদ্যোগে শুরু ড্রেজিং কার্যক্রম

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
অষ্টগ্রামে নদীভাঙন প্রতিরোধে এমপি ফজলুর রহমানের উদ্যোগে শুরু ড্রেজিং কার্যক্রম
  • কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামের বাঙালপাড়া ইউনিয়নে ভয়াবহ নদীভাঙন থেকে নোয়াগাঁও গ্রাম ও বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়ক রক্ষায় মেঘনা নদীতে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানের উদ্যোগে কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত বছর আগে বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়কটি ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়। সম্প্রতি সড়কটির পুনঃসংস্কারের জন্য ১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে সংস্কারকাজ চলাকালে মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে লাওড়া ও নোয়াগাঁও গ্রামের মধ্যবর্তী সড়কের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং নোয়াগাঁও গ্রামও হুমকির মুখে পড়ে।
    এ মাসের শুরুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভাঙনপ্রবণ এলাকায় ৮ হাজার জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চলমান রয়েছে। পাশাপাশি সড়ক রক্ষায় নদীর গতিপথ পরিবর্তনের লক্ষ্যে শনিবার (২৩ মে) দুপুর থেকে ড্রেজিং কার্যক্রম শুরু করা হয়।
    বাঙালপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোর্শেদ-ই কামাল বলেন, বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়কের পাশ দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীতে নতুন চর জেগে ওঠায় নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে সড়কভাঙন শুরু হয়েছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তন করেই কেবল ভাঙন রোধ সম্ভব বলে তিনি মত দেন।
    উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমেদ বলেন, ড্রেজিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হলে নোয়াগাঁও গ্রাম, বাঙালপাড়া-নোয়াগাঁও সড়ক এবং আশপাশের কৃষিজমি নদীভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পাবে।
    এ বিষয়ে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান বলেন, “নদীভাঙন সমস্যার সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। হাওরবাসীর সব সমস্যা সমাধানে আমি অতন্দ্র প্রহরীর মতো কাজ করে যাব, ইনশাআল্লাহ।”

 

প

বাংলা কিউআরে লেনদেনে লাগবে না কোনো ফি: অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪০ অপরাহ্ণ
বাংলা কিউআরে লেনদেনে লাগবে না কোনো ফি: অর্থমন্ত্রী

ক্যাশলেস বাংলাদেশ ও ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে ‘বাংলা কিউআর’ কোডভিত্তিক লেনদেনে কোনো ফি বা চার্জ দিতে হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর বনানী কাঁচাবাজারে বাংলা কিউআর কোড ব্যবহার করে পণ্য কেনাকাটার উদ্বোধন ও কিউআর কোডভিত্তিক লেনদেন পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় কিউআর কোডের মাধ্যমে যেকোনো লেনদেন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করা যাবে। এ জন্য গ্রাহক বা ব্যবসায়ীকে কোনো ধরনের বাড়তি চার্জ বা ফি দিতে হবে না।

তিনি বলেন, ফুচকা বিক্রেতা, রিকশাচালক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে কিউআর কোডভিত্তিক ডিজিটাল আর্থিক সেবার আওতায় আনা হবে। এর মাধ্যমে ফুটপাতের বিক্রেতা ও ছোট ব্যবসায়ীরাও যেকোনো ব্যাংক বা সার্ভিস প্রোভাইডারের অ্যাকাউন্টে সহজেই কিউআর কোড ব্যবহার করে টাকা গ্রহণ করতে পারবেন।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এই ব্যবস্থা চালু হলে মানুষকে নগদ টাকা বহন করতে হবে না। এতে লেনদেন আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলা কিউআর ব্যবহারে কিছু কারিগরি চ্যালেঞ্জ বা সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে এসব সমস্যা দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। বিশ্বের বহু উন্নত ও দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিতে ক্যাশলেস লেনদেন সহজ ও নিরাপদ হিসেবে ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকও আন্তর্জাতিক এই চর্চাকে দেশে সর্বজনীন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। ক্যাশলেস লেনদেনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে আরও ডিজিটাল ও আধুনিক করার সুযোগ তৈরি হবে।

দেশের সাধারণ নাগরিক, ব্যবসায়ী ও সেবা প্রদানকারীদের কোনো দ্বিধা ছাড়াই ক্যাশলেস ও নিরাপদ অর্থনৈতিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার সরকারি উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী।

ভূমি প্রচারে ৪৯ জেলার ডিসিদের ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ণ
ভূমি প্রচারে ৪৯ জেলার ডিসিদের ২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা বরাদ্দ

ভূমি সংক্রান্ত প্রচার ও বিজ্ঞাপন ব্যয়ের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের ৪৯ জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) অনুকূলে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৫২ হাজার ৩৭৪ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

গত ২১ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়ের বাজেট ও অডিট অধিশাখা থেকে এ-সংক্রান্ত সরকারি মঞ্জুরি আদেশ জারি করা হয়।

বরাদ্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে নেত্রকোনা জেলা—৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ১১০ টাকা। এরপর ফেনীতে ১৪ লাখ ৬০ হাজার ১৭ টাকা, টাঙ্গাইলে ১০ লাখ ৮২ হাজার ৩১৫, রংপুরে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৯৭৬, রাজবাড়ীতে ৯ লাখ ৪৮ হাজার ৩৮০ এবং নওগাঁয় ৮ লাখ ৭২ হাজার ৬৭৬ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা জেলায় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৯৬ হাজার ৮২০ টাকা। এছাড়া মুন্সিগঞ্জে ৪ লাখ ৮৬ হাজার ৮৮৭, মানিকগঞ্জে ৪ লাখ ২৯ হাজার ৫২, গাজীপুরে ৭৩ হাজার ৫০০, নরসিংদীতে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৫৮, ফরিদপুরে ৩ লাখ ৯১ হাজার ৩৪৫, গোপালগঞ্জে ৭৬ হাজার ৮৪, মাদারীপুরে ৪৬ হাজার ৪৬০ এবং শরীয়তপুরে ৮৬ হাজার ৮৪৮ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৪০, কক্সবাজারে ২ লাখ ২০ হাজার ৯৯৫, কুমিল্লায় ৩ লাখ ৯ হাজার ১৫৫, চাঁদপুরে ২ লাখ ২২ হাজার ৮৯৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪৭, নোয়াখালীতে ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৫১২, ফেনীতে ১৪ লাখ ৬০ হাজার ১৭, লক্ষ্মীপুরে ২ লাখ ৪০ হাজার ৮১০, খাগড়াছড়িতে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭০, রাঙামাটিতে ৫৮ হাজার ৬৪০ এবং বান্দরবানে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৭৭ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী বিভাগের মধ্যে নওগাঁয় ৮ লাখ ৭২ হাজার ৬৭৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১ লাখ ২৪ হাজার ৪৭৯, নাটোরে ৩ লাখ ১৫ হাজার ২৪৮, বগুড়ায় ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৭৬৮, জয়পুরহাটে ২৬ হাজার ৪০০, পাবনায় ৭ লাখ ৯৮ হাজার ১৪ এবং সিরাজগঞ্জে ৬ লাখ ৬০ হাজার ৮৯২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে রংপুরে ১০ লাখ ৩৫ হাজার ৯৭৬, কুড়িগ্রামে ৩ লাখ ৫৪ হাজার ৮৫, গাইবান্ধায় ৭ লাখ ৩ হাজার ২২, দিনাজপুরে ৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬৬৫, পঞ্চগড়ে ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৩৩৩, লালমনিরহাটে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪০ এবং ঠাকুরগাঁওয়ে ৬ লাখ ৭ হাজার ৫৫১ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

খুলনা বিভাগের মধ্যে খুলনায় ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৬৩৬, বাগেরহাটে ৩ লাখ ৬৪ হাজার ৪৬৩, সাতক্ষীরায় ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৯২০, মাগুরায় ২ লাখ ৬৪ হাজার ৪৩৬, কুষ্টিয়ায় ৪ লাখ ৮৩ হাজার ৬০৪, নড়াইলে ২ লাখ ২২ হাজার ৯০০, চুয়াডাঙ্গায় ৯৩ হাজার ৪৯৫, মেহেরপুরে ১ লাখ ৩৮ হাজার ২০০ এবং যশোরে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৩২২ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের আদেশে বলা হয়েছে, এ অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সরকারি ক্রয় আইন, ২০০৬, সরকারি ক্রয় বিধিমালা, ২০২৫ এবং প্রচলিত সব আর্থিক বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের বকেয়া প্রচার ও বিজ্ঞাপন বিলও এ বরাদ্দ থেকে পরিশোধ করা যাবে।

আদেশে আরও বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বকেয়া পরিশোধের জন্য এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে কোনো বকেয়া বিল দাবি করা যাবে না। ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম হলে সংশ্লিষ্ট আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা দায়ী থাকবেন। বরাদ্দের অব্যয়িত অর্থ আগামী ৩০ জুনের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তি অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ
ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তি অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তি দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন না।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আনসার-ভিডিপি) নতুন সদর দপ্তরে ‘শুভারম্ভ ফলক’ উন্মোচন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডিসেম্বর মাসকে ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অস্থিরতা সৃষ্টির আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা ডিসেম্বর ডিসেম্বর করছেন কেন? ডিসেম্বর তো আমাদের বিজয়ের মাস। ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তি এখানে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি না।’

অনুষ্ঠানে আনসার-ভিডিপির নতুন সদর দপ্তর নির্মাণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আনসার-ভিডিপির একটি পরিকল্পিত ও উপযুক্ত স্থানে সদর দপ্তর স্থাপনের আকাঙ্ক্ষা ছিল। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।

তিনি বলেন, গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আনসারের সদর দপ্তর নির্মাণের জন্য ৩ দশমিক ৪৫ একর, অর্থাৎ প্রায় ১১ বিঘা জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এখানে একটি বড় পরিকল্পনার মাধ্যমে আনসারের সদর দপ্তর স্থানান্তর করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এত বড় আনসার-ভিডিপির মতো একটি বাহিনীর জন্য খিলগাঁওয়ে জায়গা সংকুলান হয় না।’