সোমবার, ৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩

ঝিনাইদহ-৪ এ ধানের শীষে রাশেদ খানের নাম আলোচনায়

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঝিনাইদহ-৪ এ ধানের শীষে রাশেদ খানের নাম আলোচনায়

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন—এমন গুঞ্জন উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। যদিও রাশেদ খান শুরুতে ঝিনাইদহ-২ আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী ছিলেন, তবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঝিনাইদহ-৪ আসনে তার পক্ষে নির্বাচনী সভা করবেন—এমন প্রতিশ্রুতি দিলে তিনি ওই আসনে প্রার্থী হতে সম্মত হন বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাশেদ খান নিজেই গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

রাশেদ খান ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হলে জেলার চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করবে দলটি। এর আগে ঝিনাইদহ-২ আসনে অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ এবং ঝিনাইদহ-৩ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মেহেদী হাসান রনিকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি।

তবে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রাশেদ খানের নাম ছড়িয়ে পড়ার পর কালীগঞ্জের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। যদিও দলের নীতিনির্ধারকদের মতে, এই প্রতিক্রিয়া সাময়িক।

দেখা যায়, নতুন করে রাশেদ খানের নাম আলোচনায় আসায় কালীগঞ্জের সাধারণ ভোটার ও বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে কিছুটা নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি হয়েছে। তাদের দাবি, বিগত দিনে কালীগঞ্জে বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ এবং কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে এই দুই নেতা হেভিওয়েট হিসেবে পরিচিত। তাদের পাশ কাটিয়ে রাশেদ খানকে প্রার্থী করায় ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে বলে দাবি করছেন অনেকে। সাধারণ ভোটারদের ধারণা, এর প্রভাব নির্বাচনের ফলাফলেও পড়তে পারে।

কালীগঞ্জের একাধিক তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মী জানান, ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে জামায়াতের সঙ্গে। বর্তমান নির্বাচনী হালচালও সে ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাদের মতে, এই আসনে দলের ত্যাগী ও মাঠপর্যায়ের নেতাদের প্রার্থী করা হলে বিএনপির ভোটের পাল্লা আরও ভারি হতো। তবে রাশেদ খান প্রার্থী হলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রতিক্রিয়া কী হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এদিকে গুঞ্জন রয়েছে, রাশেদ খান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি যদি বিএনপিতে যোগ দিয়ে ওই প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, তাহলে নির্বাচনী সমীকরণ আমূল বদলে যেতে পারে। সাধারণ ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, সেক্ষেত্রে রাশেদ খান বিপুল ভোটে বিজয়ী হতে পারেন।

কালীগঞ্জের সাধারণ ভোটার শাহ আলম বলেন, “কালীগঞ্জে বিএনপির রাজনীতি বলতে হামিদ ভাই ও ফিরোজ ভাইকেই আমরা চিনি। তাদের যেকোনো একজনকে প্রার্থী হিসেবে পাবো বলে আশা করেছিলাম। কিন্তু সে আশা পূরণ হয়নি।”

ঝিনাইদহ জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বিএনপির সঙ্গে আমাদের জোট রয়েছে। সে কারণেই বিএনপি ঝিনাইদহ-৪ আসন রাশেদ খানের জন্য ছেড়ে দিয়েছে বলে আমরা জেনেছি। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়বেন—এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নূর ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন।”

মনোনয়নের বিষয়ে রাশেদ খান বলেন, “মঙ্গলবার রাতে গুলশানে বিএনপির কার্যালয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ উপস্থিত ছিলেন। ওই আলোচনায় ঝিনাইদহ-৪ আসনে আমাকে প্রার্থী করার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা বলেন, “ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রাশেদ খানই লড়বেন। তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের সহযোদ্ধা। তিনি যদি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট করেন, তাহলে তিনি আমাদেরই প্রার্থী। সে ক্ষেত্রে বিএনপির সব নেতাকর্মী তার পক্ষেই কাজ করবেন। জেলা বিএনপির পক্ষ থেকেও আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবো।”

কটিয়াদীতে জমকালো আয়োজনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল

কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে জমকালো আয়োজনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনাল

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ (উপজেলা পর্যায়)-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। মাঠজুড়ে ছিল দর্শকদের উচ্ছ্বাস, আর খেলোয়াড়দের প্রাণবন্ত পারফরম্যান্সে জমে ওঠে পুরো আয়োজন।

শুক্রবার (১ মে) বিকেলে কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই ফাইনাল খেলায় বালক ও বালিকা—উভয় বিভাগেই দেখা যায় দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

বালক বিভাগে ৫-১ গোলের দাপুটে জয়ে লোহাজুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে কাঁঠালতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

অন্যদিকে বালিকা বিভাগে ৪-২ গোলের ব্যবধানে চরপুক্ষিয়া ১নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে বেথইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিরোপা জিতে নেয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ডা. জুহর লাল সাহা, সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফুলু ও শামসুল হক চাঁন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান ও হাজী মোহাম্মদ আলী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম সেতু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. জিল্লুর রহমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াস আলী, সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম সেলিম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তসরিফুল হাসিবসহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

টুর্নামেন্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তালুকদার।

খেলা শেষে বিজয়ী দলগুলোর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। প্রাণবন্ত এই আয়োজনকে ঘিরে খেলোয়াড়, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে বিরাজ করে উৎসবের আমেজ ও ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

ভৈরবে কাভার্ডভ্যান ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত চালক

ভৈরব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
ভৈরবে কাভার্ডভ্যান ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত চালক

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভৈরবে প্রাণ-আরএফএল কোম্পানির একটি কাভার্ডভ্যান ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের জগন্নাথপুর-লক্ষ্মীপুর রেলক্রসিং সংলগ্ন ওভারব্রিজের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

এতে কাভার্ডভ্যানের চালক জাবেদ মিয়াসহ কয়েকজন যাত্রী আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় চালক জাবেদ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, আহত জাবেদ মিয়া সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার হামিদপুর গ্রামের মৃত হোসেন আলীর ছেলে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাইওয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও কাভার্ডভ্যান জব্দ করে থানায় নেওয়া হচ্ছে।

ভৈরব হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত কাভার্ডভ্যান চালক জাবেদ মিয়াকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত দুটি যানবাহন থানা হেফাজতে আনা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

হোসেনপুরে চুরি যাওয়া ট্রাক্টর সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার, মালিকের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

সঞ্জিত চন্দ্র শীল, হোসেনপুর প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে চুরি যাওয়া ট্রাক্টর সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার, মালিকের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

অবশেষে সন্ধান মিলল হোসেনপুর পৌরসভা ভবনের সামনে থেকে চুরি যাওয়া সেই আলোচিত আইশার ট্রাক্টরের। কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থেকে চুরি হওয়ার প্রায় এক সপ্তাহ পর সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর এলাকা থেকে ট্রাক্টরটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গত ২৩ এপ্রিল ২০২৬ রাতে হোসেনপুর পৌর ভবনের পূর্ব দিকে শহীদ মিনার সংলগ্ন ফাঁকা জায়গা থেকে ৯ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের আইশার ট্রাক্টরটি চুরি হয়। এ ঘটনায় ট্রাক্টরের মালিক মোঃ কামরুজ্জামান কাঞ্চন হোসেনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের পর পুলিশ ও সাংবাদিকদের তৎপরতায় বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। প্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১ মে) সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ট্রাক্টরটি উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

ট্রাক্টর ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত মালিক মোঃ কামরুজ্জামান কাঞ্চন বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ। প্রথমে মহান আল্লাহর নিকট লাখো কোটি শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি। এলাকাবাসীর দোয়া, সাংবাদিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার ভাই-বন্ধু এবং প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় আমার ট্রাক্টরটি পাওয়া গেছে। আমি সকলের প্রতি এর জন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।”

তিনি আরও বলেন, চুরির ঘটনার পর আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। পত্রিকায় নিউজ হওয়ার পর পুলিশ আরও তৎপর হয়। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আজ আমার সম্পদ ফিরে পেলাম।

হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম জানান, চুরি যাওয়া ট্রাক্টরটি সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। চোর চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি আন্তঃজেলা চোরচক্রের কাজ। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

পৌর ভবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সামনে থেকে ট্রাক্টর চুরির ঘটনায় হোসেনপুর পৌরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। দ্রুত সময়ের মধ্যে ট্রাক্টরটি উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এলাকাবাসী পুলিশ প্রশাসন ও সংবাদকর্মীদের দ্রুত পদক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল “প্রশাসনের নাকের ডগায় ট্রাক্টর চুরি, উদ্বেগ হোসেনপুর পৌরবাসীর” শিরোনামে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।