রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে মির্জা আব্বাস, উদ্বেগ কর্মকর্তাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:২৬ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে মির্জা আব্বাস, উদ্বেগ কর্মকর্তাদের

হঠাৎ করে শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে উপস্থিত হয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তিনি রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনে প্রবেশ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় তার সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ছিলেন। নিরাপত্তাকর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে তারা ভবনের নিচতলায় প্রবেশ করেন। পরে চারজনের একটি ছোট দল নিয়ে মির্জা আব্বাস গভর্নর ভবনের ভেতরে ঢোকেন। তবে ভবনের মূল ফটক ‘সোনালী গেট’-এর সামনে বহু নেতাকর্মী অবস্থান নেন।

ভেতরে ঢোকার পর মির্জা আব্বাস প্রথমে গভর্নর ভবনের তৃতীয় তলায় কিছু সময় অবস্থান করেন। প্রায় আধা ঘণ্টা পর তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩০ তলা ভবনে যান। তখনও তার সঙ্গে কয়েকজন নেতাকর্মী ছিলেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তাকেও সেখানে দেখা যায়।

তিনি কী উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে এসেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে তার সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তি জানান, এটি ছিল নিয়মিত ব্যাংকসংক্রান্ত কাজ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক একটি কেপিআইভুক্ত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। এখানে এভাবে দলবল নিয়ে আসার ঘটনা আগে দেখা যায়নি।”

আরেক কর্মকর্তা বলেন, “ব্যক্তিগত বা ব্যাংকসংক্রান্ত কোনো কাজে যে কেউ আসতে পারেন। অতীতেও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও সরকারি ব্যক্তিরা এসেছেন। তবে এভাবে বিপুলসংখ্যক লোক নিয়ে আসার নজির নেই, যা উদ্বেগজনক।”

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, “তিনি কী কারণে এসেছেন, তা এখনও জানা যায়নি। প্রয়োজনে যে কেউই বাংলাদেশ ব্যাংকে আসতে পারেন। তবে এভাবে অনেক লোক নিয়ে আসাটা ঠিক হয়নি।”

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন মির্জা আব্বাস। তিনি চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং একসময় ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার গঠন হলে তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। পরবর্তী মেয়াদে তিনি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী, মির্জা আব্বাসের সম্পদের তালিকায় ঢাকা ব্যাংকের ৫১ কোটি ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকার শেয়ার রয়েছে। এ ছাড়া তার নামে ৩০ লাখ টাকার গহনা ও মূল্যবান ধাতু রয়েছে। তার বার্ষিক আয় ৯ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

হলফনামায় পেশা হিসেবে ব্যবসা উল্লেখ থাকলেও ব্যবসা থেকে কোনো আয় দেখানো হয়নি। তার আয়ের বড় অংশ আসে বাড়ি ভাড়া, এফডিআর, সঞ্চয়পত্র এবং ব্যাংক আমানতের সুদ থেকে। তার ছেলে ইয়াসির আব্বাস বর্তমানে ঢাকা ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বিশ্ব পর্যটন দিবসে কক্সবাজারে তিন দিনব্যাপী উৎসবের সমাপনী

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
বিশ্ব পর্যটন দিবসে কক্সবাজারে তিন দিনব্যাপী উৎসবের সমাপনী

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে কক্সবাজারে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, পর্যটন মেলা ও আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা প্রশাসন ও সি-বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি পর্যটন জোনের সি-ইন পয়েন্ট থেকে বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে লাবণী পয়েন্টে আয়োজিত পর্যটন মেলায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, কক্সবাজারের পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ ও বিশ্বমানের করে তুলতে সরকার একটি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী।

এ সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, পর্যটন খাতের বিভিন্ন অংশীজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী এবং পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’। এ উপলক্ষে কক্সবাজারে তিন দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল পর্যটন মেলা, সৈকত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, র‌্যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লোকসংগীত, ফায়ার শো, ব্যান্ড শো, ঘুড়ি উৎসব এবং পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন প্রদর্শনী। তিন দিনব্যাপী পর্যটন মেলা রোববার নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, কক্সবাজারকে নিরাপদ, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও বিশ্বমানের পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পর্যটন খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শহীদ সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজে বৃক্ষরোপণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৫ অপরাহ্ণ
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শহীদ সৈয়দ নজরুল মেডিকেল কলেজে বৃক্ষরোপণ

কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে ‘গ্রিন হিউম্যানিটি সোসাইটি’র উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ ও চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. আকরাম আহসান জুয়েল।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. সাইফুল ইসলাম এবং কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. মীর নূর-উস-সাদ।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আমাদের এই ছোট্ট প্রচেষ্টা আগামী প্রজন্মকে একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী উপহার দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’

আয়োজকেরা জানান, পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসনে এডিবির ১০ কোটি ডলার ঋণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসনে এডিবির ১০ কোটি ডলার ঋণ

বাংলাদেশে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও দুর্যোগসহনশীল আবাসন অর্থায়ন বাড়াতে ১০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বিশেষ করে নারীদের আবাসন অর্থায়নের আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রোববার এডিবির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়ন প্রকল্পের’ মাধ্যমে এ অর্থায়ন করা হবে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও এর আওতাভুক্ত যোগ্য ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ও জামানতবিহীন ঋণ দেওয়া হবে। এ ঋণ দিয়ে পরিবারগুলো ঘর নির্মাণ, মেরামত ও উন্নয়ন করতে পারবে।

এডিবি জানিয়েছে, অনানুষ্ঠানিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল অনেক পরিবার প্রচলিত আবাসন ঋণের আওতায় আসে না। ফলে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসনের ঘাটতির পাশাপাশি এসব পরিবারের আবাসন অর্থায়নে প্রবেশাধিকারও সীমিত। নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে এ ঘাটতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এডিবির বাংলাদেশে কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং বলেন, আবাসন মানুষের মর্যাদা, সুযোগ এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবার, বিশেষ করে নারীদের নিরাপদ ও দুর্যোগসহনশীল ঘরে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হলে দারিদ্র্য কমানো, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার, মানব উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনে তা ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের আওতায় ২০৩১ সালের মধ্যে অন্তত ৪০ হাজার পরিবারকে ঋণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ৩২ হাজার নারী এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারী অন্তত ২৪ হাজার ঋণগ্রহীতা থাকবেন।

প্রকল্পে আর্থিক ও ভূমি-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আবাসন অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ থাকবে। নারীদের আবাসন নিরাপত্তা বাড়াতে ঋণগ্রহীতাদের স্বামী বা স্ত্রীর বসবাসের ব্যবস্থা-সংক্রান্ত তথ্য ও নথিপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

দুর্যোগের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ঘরের নকশা, নির্মাণ ও ঝুঁকি মোকাবিলার ব্যবস্থা প্রকল্পের অর্থায়নে যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অতিরিক্ত তাপমাত্রা এবং অন্যান্য চরম আবহাওয়ার প্রভাব মোকাবিলায় ঘরগুলোকে আরও সক্ষম করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দেশব্যাপী আবাসন ক্ষুদ্রঋণের সম্প্রসারণে পিকেএসএফ ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এ জন্য তথ্য ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা উন্নয়ন, দুর্যোগঝুঁকি যাচাই, ঋণ পোর্টফোলিও পর্যবেক্ষণ এবং ডিজিটাল প্রতিবেদন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে আবাসন অর্থায়ন ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

এডিবির অনুমোদিত অর্থায়নের মধ্যে ৪ কোটি ডলার জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়ন থেকে দেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রকল্পের কারিগরি সহায়তায় আরও ৬ লাখ ডলার অনুদান দেওয়া হবে।