শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

এক কাঠামোয় মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ, অভিন্ন সনদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০২ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
এক কাঠামোয় মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ, অভিন্ন সনদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমন্বয়, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন এবং সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা হয়।

সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এনএসডিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হলেও যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে এসব প্রশিক্ষণ ও সনদ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সনদের বিপরীতে আমাদের তরুণ প্রজন্ম কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাচ্ছে না।’

তারেক রহমান বলেন, ‘এনএসডিএর গভর্নিং বডিকে অল্প সময়ের মধ্যে একটি ছোট কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে হবে।’

তিনি অভিন্ন সিলেবাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ এবং সনদায়ন ব্যবস্থা চালু করা গেলে দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি বাড়বে।’

সভায় এনএসডিএর প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও কার্যাবলি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা বিশ্লেষণ এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, সনদায়ন এবং সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুণ, এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আব্দুল আওয়াল, এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ শহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ শহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ও সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের বত্রিশ, বড়বাজার, বৌলাইসহ বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এ অভিযানে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক জেবুন নাহার শাম্মী, সিভিল সার্জন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুল হাসান মারুফসহ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু অভিযান নয়, প্রয়োজন প্রতিদিনের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা। বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে প্রত্যেকেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

অভিযান সংশ্লিষ্টরা বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি নিজ নিজ বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশে যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

১৩ উপজেলার ৬০ গ্রন্থাগার প্রতিনিধি নিয়ে কিশোরগঞ্জে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
১৩ উপজেলার ৬০ গ্রন্থাগার প্রতিনিধি নিয়ে কিশোরগঞ্জে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জে ‘গ্রন্থাগারিক দক্ষতা উন্নয়ন ও আধুনিক গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সভাপতি মো. রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার বর্মনের সঞ্চালনায় কর্মশালার উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ খান (ভিপি সোহেল)। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইডেন মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. ইয়াসমিন আহমেদ।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপপরিচালক মো. ফরিদ উদ্দিন সরকার, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপগ্রন্থাগারিক রাসেল রানা, জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের সহকারী পরিচালক আজিজুল হক সুমন এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মো. ইকরামুল কবির।

এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহিনন্দ ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ পাঠাগারের সভাপতি আমিনুল হক সাদী এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মোবারক হোসেন বক্তব্য দেন।

সভায় বক্তারা বর্তমান বাস্তবতায় একটি আদর্শ গ্রন্থাগার কেমন হওয়া উচিত, বেসরকারি গ্রন্থাগার নির্দেশিকা, সফটওয়্যার ও অনুদানের জন্য আবেদন এবং গ্রন্থাগার প্রতিনিধিদের করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ ছাড়া গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়- সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ, বই আদান-প্রদান, রেফারেন্স ও সাময়িকী ব্যবস্থাপনা, গ্রন্থাগারে পাঠোপকরণ সংরক্ষণ, ছাঁটাইকরণ ও প্রতিষেধক ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

তরুণ প্রজন্মকে গ্রন্থ ও গ্রন্থাগারমুখী করতে গ্রন্থাগার প্রতিনিধিদের করণীয় এবং বেসরকারি গ্রন্থাগারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও অডিটিং বিষয়েও বক্তারা আলোচনা করেন।

কর্মশালায় হাওরাঞ্চলের বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর উন্নয়ন, হাওরে ভাসমান নৌ-পাঠাগার স্থাপন, স্থানীয় পর্যায়ে পাঠক তৈরি ও বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে তথ্য ও জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন গঠনমূলক পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলার ১৩টি উপজেলার ৬০ জন গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

জনবল-সরঞ্জাম সংকটে কিশোরগঞ্জের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
জনবল-সরঞ্জাম সংকটে কিশোরগঞ্জের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

জনবল সংকট, চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি, বিদ্যুৎ সমস্যা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে অনুমোদিত ৭৪৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৬৩৮ জন। ফলে ১০৭টি পদ শূন্য রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শূন্য পদ পূরণসহ চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার(১৯ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। জনবল সংকটের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা চালু রাখতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জামের ঘাটতিও রয়েছে।

বর্তমানে হাসপাতালে তিন শিফটে ডায়ালাইসিস সেবা চালু রয়েছে। তবে প্রায় ২০০ রোগী ডায়ালাইসিসের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছেন। রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও ডায়ালাইসিস মেশিন প্রয়োজন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে এমআরআই, সি-আর্ম, এন্ডোস্কোপি, কলোনোস্কপি, অপারেটিং মাইক্রোস্কোপ, ইউরোলজি অপারেশন সেট, ল্যারিঙ্গোস্কোপ, ওপিজি ডেন্টাল এক্স-রে ও ল্যাপারোস্কোপিক মেশিন প্রয়োজন বলে জানানো হয়। পাশাপাশি হৃদরোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণে ক্যাথল্যাব স্থাপনের দাবিও তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া বার্ন ইউনিট, ইউরোলজি, নিউরোসার্জারি, ইমার্জেন্সি ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়েছে। এসব বিভাগ চালু হলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার পরিধি আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

হাসপাতালটিতে ডেডিকেটেড বিদ্যুৎ লাইন না থাকায় প্রায়ই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যায় পড়তে হয়। এ সমস্যা সমাধানে পৃথক বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, হাসপাতালের সামনের রাস্তা প্রশস্তকরণ, ইনসিনারেটর ও ইটিপি চালু, স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন এবং আনসার সদস্য বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

রোগীসেবাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে হাসপাতালটিকে অটোমেশনের আওতায় আনার কথাও জানানো হয়।

মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. হেলাল উদ্দিন। এতে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইদুর রহমান, হাসপাতালের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, রোগীদের সেবার মান আরও উন্নত করতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনস্বার্থে হাসপাতালের সার্বিক সেবাব্যবস্থা আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা হাসপাতালের সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমস্যা, রোগীসেবা, চিকিৎসা কার্যক্রম ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয় এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে তাদের অবস্থান তুলে ধরে।