শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজের সঠিক মূল্যায়নের আহ্বান ইশরাকের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজের সঠিক মূল্যায়নের আহ্বান ইশরাকের

পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজের সঠিক মূল্যায়নের পাশাপাশি নগরবাসীকে নিজ নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

শনিবার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৪-এর ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় ‘নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখি, পরিচ্ছন্ন নগর গড়ি’ শীর্ষক ক্লিনিং ডে ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমাসের প্রথম ও দ্বিতীয় সপ্তাহের শনিবার এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় আয়োজিত কর্মসূচিতে ইশরাক হোসেন নিজে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও এলাকাবাসীর সঙ্গে বিভিন্ন ড্রেন ও এলাকায় স্প্রে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নেন। এ সময় তিনি পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কাজের সঠিক মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে এলাকাবাসীর সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গুবিরোধী অভিযান ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করেছেন এবং সবাইকে নিজ নিজ এলাকায় এসব কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবে তাঁরা ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে এসেছেন।

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘নগরবাসী তাঁদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। তাঁরা যে কাজ করেন, তা না করা হলে এই শহরে মানুষের বসবাস করা সম্ভব হতো না। তাঁরা আট ঘণ্টা ধরে কাজ করেন, অথচ সেই তুলনায় তাঁদের মজুরি খুবই কম এবং সুযোগ-সুবিধাও তেমন নেই।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি হয়তো এখন আপনাদের অনেক কিছু দিতে পারব না। কিন্তু আপনাদের কষ্ট, আপনাদের শ্রম আমি সব সময় মনে-প্রাণে ধারণ করি। ভবিষ্যতে আপনাদের জন্য কী করা যায়, সে চেষ্টা করব।’

নিজের বাবার প্রসঙ্গ টেনে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমার বাবা মেহনতি ও পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। সারা জীবন কঠোর পরিশ্রম করে শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে নিয়োজিত মানুষগুলোর প্রতি তাঁর বিশেষ অনুভূতি ছিল। আমিও তাঁদের প্রতি একইভাবে অনুভূতি ধারণ করি।’

পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আবাসন ও জীবনযাপনের পরিবেশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি তাঁদের অনেক কলোনিতে গিয়েছি এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও উপস্থিত হয়েছি। তাঁদের কাজের সঠিক মূল্যায়ন হয়নি। তাঁদের জন্য যে পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া দরকার ছিল, তা সরকার, রাষ্ট্র ও জাতি অতীতে করতে পারেনি।’

ইশরাক হোসেন বলেন, ‘অবশ্যই এটার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। সেই পরিবর্তন ঘটানোর জন্যই একটা গণঅভ্যুত্থানের পরে আজকে আমরা নির্বাচিত একটা সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘রাজনীতি করছি মানুষের জন্য কাজ করতে এবং তাঁদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। ধনী-গরিব, হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ সমান মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবে।’

নিজের দায়িত্বের কথা উল্লেখ করে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘আমি নতুন সংসদ সদস্য হয়েছি এবং প্রধানমন্ত্রী আমাকে তাঁর মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দিয়েছেন। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ভুলত্রুটি হতে পারে। সেগুলো কাটিয়ে উঠে মানুষের সঠিক সেবা দেওয়ার চেষ্টা করব।’

কর্মসূচিতে ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহ্বায়ক সুমন ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ শহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জ শহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কিশোরগঞ্জ পৌরসভা ও সদর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহরের বত্রিশ, বড়বাজার, বৌলাইসহ বিভিন্ন এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) পরিচালিত এ অভিযানে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে পরিচ্ছন্ন ও মশামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (উপসচিব) ও কিশোরগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক জেবুন নাহার শাম্মী, সিভিল সার্জন, কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুল হাসান মারুফসহ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু অভিযান নয়, প্রয়োজন প্রতিদিনের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা। বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে প্রত্যেকেই ডেঙ্গু প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

অভিযান সংশ্লিষ্টরা বলেন, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি নিজ নিজ বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আশপাশের পরিবেশে যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

১৩ উপজেলার ৬০ গ্রন্থাগার প্রতিনিধি নিয়ে কিশোরগঞ্জে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
১৩ উপজেলার ৬০ গ্রন্থাগার প্রতিনিধি নিয়ে কিশোরগঞ্জে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জে ‘গ্রন্থাগারিক দক্ষতা উন্নয়ন ও আধুনিক গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির আয়োজনে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সহযোগিতায় এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় কর্মশালাটির আয়োজন করা হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সভাপতি মো. রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার বর্মনের সঞ্চালনায় কর্মশালার উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ খান (ভিপি সোহেল)। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক ও কথাসাহিত্যিক আফসানা বেগম।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইডেন মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ড. ইয়াসমিন আহমেদ।

আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপপরিচালক মো. ফরিদ উদ্দিন সরকার, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের উপগ্রন্থাগারিক রাসেল রানা, জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের সহকারী পরিচালক আজিজুল হক সুমন এবং চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট মো. ইকরামুল কবির।

এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ জেলা বেসরকারি গণগ্রন্থাগার সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহিনন্দ ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ পাঠাগারের সভাপতি আমিনুল হক সাদী এবং সুফিয়া-মান্নান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মোবারক হোসেন বক্তব্য দেন।

সভায় বক্তারা বর্তমান বাস্তবতায় একটি আদর্শ গ্রন্থাগার কেমন হওয়া উচিত, বেসরকারি গ্রন্থাগার নির্দেশিকা, সফটওয়্যার ও অনুদানের জন্য আবেদন এবং গ্রন্থাগার প্রতিনিধিদের করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন।

এ ছাড়া গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয়- সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ, বই আদান-প্রদান, রেফারেন্স ও সাময়িকী ব্যবস্থাপনা, গ্রন্থাগারে পাঠোপকরণ সংরক্ষণ, ছাঁটাইকরণ ও প্রতিষেধক ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

তরুণ প্রজন্মকে গ্রন্থ ও গ্রন্থাগারমুখী করতে গ্রন্থাগার প্রতিনিধিদের করণীয় এবং বেসরকারি গ্রন্থাগারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও অডিটিং বিষয়েও বক্তারা আলোচনা করেন।

কর্মশালায় হাওরাঞ্চলের বেসরকারি গ্রন্থাগারগুলোর উন্নয়ন, হাওরে ভাসমান নৌ-পাঠাগার স্থাপন, স্থানীয় পর্যায়ে পাঠক তৈরি ও বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে তথ্য ও জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন গঠনমূলক পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলার ১৩টি উপজেলার ৬০ জন গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

জনবল-সরঞ্জাম সংকটে কিশোরগঞ্জের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
জনবল-সরঞ্জাম সংকটে কিশোরগঞ্জের মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

জনবল সংকট, চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি, বিদ্যুৎ সমস্যা ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় কিশোরগঞ্জের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে অনুমোদিত ৭৪৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত রয়েছেন ৬৩৮ জন। ফলে ১০৭টি পদ শূন্য রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শূন্য পদ পূরণসহ চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণে বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার(১৯ সেপ্টেম্বর) হাসপাতালের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, শূন্য পদগুলো পূরণের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চিঠি পাঠানো হয়েছে। জনবল সংকটের পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা চালু রাখতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জামের ঘাটতিও রয়েছে।

বর্তমানে হাসপাতালে তিন শিফটে ডায়ালাইসিস সেবা চালু রয়েছে। তবে প্রায় ২০০ রোগী ডায়ালাইসিসের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছেন। রোগীর চাপ সামাল দিতে আরও ডায়ালাইসিস মেশিন প্রয়োজন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালে এমআরআই, সি-আর্ম, এন্ডোস্কোপি, কলোনোস্কপি, অপারেটিং মাইক্রোস্কোপ, ইউরোলজি অপারেশন সেট, ল্যারিঙ্গোস্কোপ, ওপিজি ডেন্টাল এক্স-রে ও ল্যাপারোস্কোপিক মেশিন প্রয়োজন বলে জানানো হয়। পাশাপাশি হৃদরোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও সম্প্রসারণে ক্যাথল্যাব স্থাপনের দাবিও তুলে ধরা হয়।

এ ছাড়া বার্ন ইউনিট, ইউরোলজি, নিউরোসার্জারি, ইমার্জেন্সি ও ক্যাজুয়ালটি বিভাগ চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা জানানো হয়েছে। এসব বিভাগ চালু হলে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার পরিধি আরও বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

হাসপাতালটিতে ডেডিকেটেড বিদ্যুৎ লাইন না থাকায় প্রায়ই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমস্যায় পড়তে হয়। এ সমস্যা সমাধানে পৃথক বিদ্যুৎ লাইন স্থাপনের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, হাসপাতালের সামনের রাস্তা প্রশস্তকরণ, ইনসিনারেটর ও ইটিপি চালু, স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন এবং আনসার সদস্য বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

রোগীসেবাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে হাসপাতালটিকে অটোমেশনের আওতায় আনার কথাও জানানো হয়।

মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের পরিচালক ডা. হেলাল উদ্দিন। এতে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইদুর রহমান, হাসপাতালের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, রোগীদের সেবার মান আরও উন্নত করতে তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জনস্বার্থে হাসপাতালের সার্বিক সেবাব্যবস্থা আরও গতিশীল করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা হাসপাতালের সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমস্যা, রোগীসেবা, চিকিৎসা কার্যক্রম ও সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করেন। জবাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয় এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে তাদের অবস্থান তুলে ধরে।