সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩

ডেঙ্গু রোধে সচেতনতার ডাক, করিমগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ডেঙ্গু রোধে সচেতনতার ডাক, করিমগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

দেশব্যাপী ডেঙ্গু পরিস্থিতির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এডিস মশার বিস্তার রোধে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। “নিজ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখি, ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে শনিবার সকাল ১০টায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যকর্মী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারীদের হাতে থাকা ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, লার্ভা নিধন এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তোলার বিভিন্ন সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়। র‍্যালির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

র‍্যালি শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতা, পরিবেশ পরিচ্ছন্নতা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের করণীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জনসাধারণের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—ফুলের টব, পুরোনো টায়ার, ডাবের খোসা, বালতি বা যেকোনো পাত্রে তিন দিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়া, বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং নিয়মিত মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। এছাড়া দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা বলেন, জ্বর হলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। বিশেষ করে ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে নিজে থেকে কোনো ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ সেবন না করে দ্রুত নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করানো উচিত।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক উম্মে মুসলিমা বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; এজন্য প্রয়োজন সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ। ‘নিজ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখি, ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি’—এই বার্তাকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তুলতে হবে। প্রত্যেকে নিজ নিজ বাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার রাখলে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।”

তিনি আরও বলেন, “করিমগঞ্জকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখতে পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, লার্ভা নিধন কার্যক্রম এবং জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে। এই কার্যক্রমে জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

আলোচনা সভায় প্রধান আলোচক হিসেবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রিয়াদ শাহেদ রনি বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হতে হবে। অনেকেই সাধারণ জ্বর মনে করে চিকিৎসা নিতে দেরি করেন, যা পরবর্তীতে ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। জ্বর হলে দ্রুত পরীক্ষা করানো এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।”

তিনি আরও জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু পরীক্ষাসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবার ব্যবস্থা রয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মাঠপর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রোগীদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, সামাজিক সংগঠনের সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দারা উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেছেন। তারা ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজেদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এবং এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজনের আহ্বান জানান।

লোকালয়ে শেয়ালের বিচরণে আতঙ্ক, কুলিয়ারচরে একদিনে ১২ জন হাসপাতালে

আজিজুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
লোকালয়ে শেয়ালের বিচরণে আতঙ্ক, কুলিয়ারচরে একদিনে ১২ জন হাসপাতালে

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলায় লোকালয়ে শেয়ালের উপদ্রব উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। রোববার (২৬ জুলাই) শেয়ালের কামড়ে ৯ জন এবং বিড়ালের কামড়ে আরও ৩ জন আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। সব মিলিয়ে একদিনে প্রাণীর কামড়ে আহত ১২ জন চিকিৎসা নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, শেয়ালের কামড়ে আহতরা হলেন—সালুয়া ইউনিয়নের বাজরা মাছিমপুর গ্রামের নারগিস আক্তার (৩৯), মেহেরা বানু (৭০) ও পেয়ারা বানু (৬৫); ফরিদপুর ইউনিয়নের নলবাইদ গ্রামের ফারুক (৫০), আবির (৯), মোশাররফ (৩৫), দিপালী রানী (২৯), মুসানা (৩২) ও সিয়াম (২২)।

এ ছাড়া বিড়ালের কামড়ে আহত হয়েছেন ভাটি জগৎচর গ্রামের মুক্তা (২০), ছয়সূতি ইউনিয়নের দাড়িয়াকান্দি গ্রামের ফারহান (৩) এবং মানিকদী গ্রামের সাকিবুল (১২)।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে লোকালয়ে শেয়ালের বিচরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দিনের বেলাতেও শেয়ালকে বসতিপূর্ণ এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে। এতে শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত শেয়ালের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানান।

কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আদনান আখতার বলেন, ‘রোববার শেয়ালের কামড়ে সাতজন এবং এর আগের দুই দিনে আরও পাঁচজন চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে আহতদের কারও অবস্থা গুরুতর নয় এবং কাউকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠাতে হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘শেয়াল, বিড়াল বা অন্য যেকোনো প্রাণীর কামড়কে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। আক্রান্ত স্থান দ্রুত সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে অন্তত ১৫ মিনিট ভালোভাবে ধুয়ে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা গ্রহণ করা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, জলাতঙ্ক একটি শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য কিন্তু চিকিৎসা ছাড়া প্রাণঘাতী রোগ। তাই প্রাণীর কামড়ের ঘটনা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াসিন খন্দকার বলেন, ‘বিষয়টি উদ্বেগজনক। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা মজুত রয়েছে। আক্রান্তদের দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি লোকালয়ে শেয়ালের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে লোকালয়ে বন্য প্রাণীর বিচরণ বৃদ্ধি পাওয়ায় জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি দেখতে কটিয়াদীতে দুই প্রতিমন্ত্রী

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় আয়োজনের প্রস্তুতি দেখতে কটিয়াদীতে দুই প্রতিমন্ত্রী

আগামী ১৬ আগস্ট জাতীয় মৎস্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য কটিয়াদী সফরকে সামনে রেখে সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানস্থল, উন্মুক্ত জলাশয় ও সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালা উদ্দিন টুকু এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম। রোববার (২৬ জুলাই) এ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীজুড়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার হয়েছে।

বিকেলে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় প্রথমে উপজেলার জালালপুর ও লোহাজারী ইউনিয়নের সংযোগস্থলে অবস্থিত জিয়ার কাটা খালের খননকাজ পরিদর্শন করেন। পরে তারা চারিপাড়া সরকারি মৎস্য হ্যাচারি ঘুরে দেখেন এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, অবকাঠামোগত প্রস্তুতি ও কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

এরপর সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানস্থল হিসেবে কটিয়াদী সরকারি কলেজ মাঠ, কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউটের খেলার মাঠ পরিদর্শন করেন। এ সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, জনসমাগম ধারণক্ষমতা, যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত সুবিধা এবং সার্বিক আয়োজনের উপযোগিতা পর্যালোচনা করা হয়।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির স্থান হিসেবে উপজেলার মসুয়া ইউনিয়নের বেতাল দিঘিও পরিদর্শন করেন তারা।

পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ (কিশোরগঞ্জ সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ (ভিপি সোহেল), জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সোহানা নাসরিন, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আশফাক আহমেদ জুন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহসভাপতি মো. রুহুল আমিন আকিল, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেদ কনক, পরিচালক (প্রশাসন) এস. এম. রেজাউল করিম, ঢাকা বিভাগের পরিচালক মো. আহসান হাসিব খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কাউসারসহ জেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রীদ্বয় সাংবাদিকদের বলেন, সম্ভাব্য অনুষ্ঠানস্থল ও উন্মুক্ত জলাশয় পরিদর্শন করা হয়েছে। সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা শেষে ঢাকায় গিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় মৎস্য দিবসের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দিবসটির উদ্বোধন করবেন। একই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলার পাঁচ হাজার শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষীর হাতে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কর্মসূচি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মৎস্য অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি শুরু করেছে। অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবনকারী যুবকের জেল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে গাঁজা সেবনকারী যুবকের জেল

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গাঁজা সেবনের দায়ে সোয়েব উদ্দিন শরীফ (৩৫) নামে এক যুবককে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৬ জুলাই) সকালে পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপম দাস ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত সোয়েব উদ্দিন শরীফ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার বিন্নাটি ইউনিয়নের কয়ারখালী গ্রামের আবদুল বারিকের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে শরীফ পাকুন্দিয়া উপজেলার ঠুটারজঙ্গল এলাকায় গাঁজা সেবন করছিলেন। এ সময় স্থানীয় লোকজন তাকে গাঁজাসহ আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে হেফাজতে নেয়।

পরবর্তীতে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপম দাস মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রূপম দাস বলেন, ‘অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’


Warning: Constant WP_USE_THEMES already defined in /home/dkishoreganj/public_html/index.php on line 41