সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সাতচল্লিশের পর ব্রহ্মপুত্র পথে বাংলাদেশে আসামের মিথানল আমদানি শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সাতচল্লিশের পর ব্রহ্মপুত্র পথে বাংলাদেশে আসামের মিথানল আমদানি শুরু

ভারতের আসাম রাজ্যের ডিব্রুগড় থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে বাংলাদেশে মিথানল রপ্তানি শুরু হতে যাচ্ছে। দেশটির সরকারি প্রতিষ্ঠান আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেড (এপিএল) এ উদ্যোগ নিয়েছে।

এপিএলের কর্তৃপক্ষের দাবি, এর মাধ্যমে ১৯৪৭ সালে ভারতের স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো পূর্ব ভারতের ডিব্রুগড় থেকে জলপথে কোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক পণ্য পাঠানো হচ্ছে। তবে এ দাবিটি এপিএল চেয়ারম্যান বিকুল ডেকার বক্তব্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে।

মিথানল পরিবহনের সুবিধার্থে আসাম সরকারের অভ্যন্তরীণ জলপরিবহন বিভাগের দুটি কার্গো জাহাজ ইজারা নিয়েছে এপিএল। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বিকুল ডেকা জানিয়েছেন, জাহাজ দুটি প্রায় ৩০ বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে গুয়াহাটির পান্ডু ঘাটে সেগুলো মেরামত করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমস সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিব্রুগড় থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে এসব জাহাজে করে মিথানল বাংলাদেশে নেওয়া হবে।

এপিএল চেয়ারম্যান বিকুল ডেকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে যাওয়ার পর স্বাধীন ভারতে ব্রহ্মপুত্র নদ ব্যবহার করে ডিব্রুগড় থেকে জলপথে বাণিজ্য পরিচালিত হয়েছে—এমন কোনো তথ্য তাঁর জানা নেই। একইভাবে এ পথে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্য বাণিজ্যিকভাবে পরিবহনের নজিরও তাঁর জানা নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ডেকা জানান, প্রায় তিন দশক ধরে অব্যবহৃত থাকা অভ্যন্তরীণ জলপরিবহন বিভাগের দুটি জাহাজ মেরামত করে মিথানল পরিবহনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিব্রুগড়ে উৎপাদিত মিথানল নদীপথে ঢাকায় নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এ উদ্যোগের ফলে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে তুলনামূলক কম খরচে পণ্য আমদানি-রপ্তানির একটি নতুন পথ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন এপিএল চেয়ারম্যান। এর আগে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভারতের অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (IWAI) ও এপিএলের মধ্যে মিথানল ও ফরমালিন পরিবহনে সহযোগিতার জন্য সমঝোতার তথ্যও প্রকাশিত হয়েছিল।

ইতোমধ্যে মিথানল পরিবহনের জন্য প্রস্তুত করা প্রথম কার্গো জাহাজ ‘ডিএলবি পাটকাই’ ডিব্রুগড়ের বগিবিল ঘাটে পৌঁছেছে। তবে বাংলাদেশে রপ্তানির উদ্দেশ্যে জাহাজটি ঠিক কোন তারিখে রওনা হবে, সে বিষয়ে এপিএলের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সময় জানানো হয়নি।

আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেড আসাম রাজ্য সরকারের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি মূলত মিথানল ও ফরমালিন উৎপাদন করে। পূর্ব আসামের তেলক্ষেত্রগুলোতে থাকা প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত ব্যবহার করার লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়েছিল।

কটিয়াদীতে দুই বন্ধুর হট্টগোল, একজন হাসপাতালে অন্যজনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে দুই বন্ধুর হট্টগোল, একজন হাসপাতালে অন্যজনের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গভীর রাতে দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মধ্যে হট্টগোলের ঘটনায় সোহান (২৪) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। এর কিছু সময় পর শামীম (২৫) নামে অপর বন্ধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁরা দুজনই একই এলাকার বাসিন্দা ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর-ঝাকালিয়া গ্রামের ইছামুদ্দিন সরকার বাড়ি মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শামীম ওই মসজিদের ইমাম ছিলেন। তিনি একই গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে। সোমবার সকালে মসজিদসংলগ্ন একটি ছোট কক্ষ থেকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে গুরুতর আহত সোহানকে প্রথমে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোহান একই গ্রামের মৃত ছইদু মিয়ার ছেলে।

প্রথমে দুই বন্ধুর মধ্যে কী কারণে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, হট্টগোলের পর কোনো কারণে শামীম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে শামীমের পরিবারের দাবি, এটি নিছক আত্মহত্যার ঘটনা নয়; এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য থাকতে পারে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।

সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শামীম ও সোহান দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। এর আগে তাঁদের মধ্যে কোনো মনোমালিন্য দেখেননি স্থানীয়রা। শামীম স্থানীয় ফেকামারা আলিম মাদ্রাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি ওই মসজিদে ইমামতি করতেন। সোহানের বাড়িও মসজিদসংলগ্ন। দুজনই অবিবাহিত। মাঝেমধ্যে তাঁরা মসজিদসংলগ্ন ওই কক্ষে একসঙ্গে রাতযাপন করতেন।

ঘটনার রাতে ওই কক্ষ থেকে হট্টগোলের শব্দ পান পাশের বাড়ির লোকজন। পরে কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে সোহানকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর শরীর ও গলায় ক্ষতচিহ্ন ছিল। আহত সোহান তাঁদের জানান, শামীম তাঁকে আঘাত করেছেন। পরে তাঁকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই ঢাকায় পাঠানো হয়।

এর কিছু সময় পর স্থানীয়দের মাধ্যমে হট্টগোলের ঘটনা জানতে পেরে শামীমের বাবা ফরিদ মিয়া মসজিদসংলগ্ন ওই কক্ষে যান। সেখানে তিনি ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে ভোরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

শামীমের বাবা ফরিদ মিয়া ও চাচা আবু তাহের বলেন, শামীম এলাকায় কখনো কারও সঙ্গে ঝগড়া করেননি। সবাই তাঁকে ভালো ছেলে হিসেবে জানেন। তিনি নিজে থেকে আত্মহত্যা করবেন—এটা তাঁরা বিশ্বাস করেন না। ঘটনার পেছনে অন্য কিছু থাকতে পারে বলে তাঁদের সন্দেহ। তাঁরা তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ বের করার দাবি জানান।

আহত সোহানের চাচি স্বপ্না বলেন, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে হট্টগোলের শব্দ শুনে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহানকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর গলা ও শরীরে ক্ষতচিহ্ন ছিল। সোহান তাঁদের জানান, শামীম তাঁকে আঘাত করেছেন। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁদের দুজনের মধ্যে আগে কোনো বিরোধ ছিল না বলেও জানান তিনি।

জালালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, কী নিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে, তা কেউ বলতে পারছেন না। তাঁরাও কোনো ধারণা করতে পারছেন না। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলের আলামত দেখে আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার বিষয়ে নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আহত বন্ধু সোহানের জবানবন্দি পাওয়া গেলে ঘটনা সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাজিতপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার (২৭) হত্যা মামলায় স্বামী ইসমাইল ওরফে সাগর মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক সুপ্রিয়া রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি ইসমাইল আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

দণ্ডপ্রাপ্ত ইসমাইল ওরফে সাগর মিয়া বাজিতপুর উপজেলার উত্তর সরারচর গ্রামের মৃত আয়েত আলীর ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই ঝর্ণা আক্তারকে তাঁর স্বামী নির্যাতন করতেন। ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাবার বাড়িতে রান্না করার সময় স্বামী ইসমাইলের সঙ্গে ঝর্ণার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইসমাইল ছুরি দিয়ে ঝর্ণা আক্তারকে আঘাত করেন।

পরে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় ঝর্ণাকে বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের মা জাহেরা বেগম বাদী হয়ে বাজিতপুর থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত ইসমাইল ওরফে সাগর মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা সময়মতো দিতে নির্ভুল পে-রোলের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা সময়মতো দিতে নির্ভুল পে-রোলের নির্দেশ

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের নিয়মিত ও সময়মতো ভাতার অর্থ পৌঁছানো নিশ্চিত করতে প্রতি মাসের ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে শতভাগ নির্ভুল পে-রোল পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি থেকে সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় ভাতাভোগীদের নিজ নিজ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাব, টাকাপে (TakaPay) ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে জিটুপ (G2P) পদ্ধতিতে সরাসরি ভাতার অর্থ পাঠানো হচ্ছে।

সঠিক ও প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সময়মতো ভাতার অর্থ পৌঁছানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রতি মাসের কিস্তির অর্থ পাঠাতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও শহর সমাজসেবা কর্মকর্তাদের নির্ভুল পে-রোল পাঠানো আবশ্যক বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, প্রতি মাসের নির্ধারিত ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে পে-রোল পাঠানোর আগে উপকারভোগীদের মোবাইল ও ব্যাংক হিসাব নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে (এমআইএস) হালনাগাদ করতে হবে।

এ ছাড়া বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী কোনো উপকারভোগীর মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

চিঠিতে বলা হয়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির ভাতার অর্থ নিয়মিতভাবে পাঠানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতি মাসের ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে উপকারভোগীদের নিজস্ব এমএফএস, টাকাপে ও ব্যাংক হিসাবের অনুকূলে শতভাগ নির্ভুল পে-রোল পাঠানো নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (সামাজিক নিরাপত্তা) মো. মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রটি ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।