সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসনে এডিবির ১০ কোটি ডলার ঋণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের আবাসনে এডিবির ১০ কোটি ডলার ঋণ

বাংলাদেশে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী ও দুর্যোগসহনশীল আবাসন অর্থায়ন বাড়াতে ১০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। বিশেষ করে নারীদের আবাসন অর্থায়নের আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

রোববার এডিবির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়ন প্রকল্পের’ মাধ্যমে এ অর্থায়ন করা হবে। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও এর আওতাভুক্ত যোগ্য ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ও জামানতবিহীন ঋণ দেওয়া হবে। এ ঋণ দিয়ে পরিবারগুলো ঘর নির্মাণ, মেরামত ও উন্নয়ন করতে পারবে।

এডিবি জানিয়েছে, অনানুষ্ঠানিক আয়ের ওপর নির্ভরশীল অনেক পরিবার প্রচলিত আবাসন ঋণের আওতায় আসে না। ফলে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসনের ঘাটতির পাশাপাশি এসব পরিবারের আবাসন অর্থায়নে প্রবেশাধিকারও সীমিত। নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে এ ঘাটতি কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এডিবির বাংলাদেশে কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং বলেন, আবাসন মানুষের মর্যাদা, সুযোগ এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের পরিবার, বিশেষ করে নারীদের নিরাপদ ও দুর্যোগসহনশীল ঘরে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হলে দারিদ্র্য কমানো, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার, মানব উন্নয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনে তা ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের আওতায় ২০৩১ সালের মধ্যে অন্তত ৪০ হাজার পরিবারকে ঋণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ৩২ হাজার নারী এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় বসবাসকারী অন্তত ২৪ হাজার ঋণগ্রহীতা থাকবেন।

প্রকল্পে আর্থিক ও ভূমি-সংক্রান্ত সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি আবাসন অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ থাকবে। নারীদের আবাসন নিরাপত্তা বাড়াতে ঋণগ্রহীতাদের স্বামী বা স্ত্রীর বসবাসের ব্যবস্থা-সংক্রান্ত তথ্য ও নথিপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

দুর্যোগের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ঘরের নকশা, নির্মাণ ও ঝুঁকি মোকাবিলার ব্যবস্থা প্রকল্পের অর্থায়নে যুক্ত করা হবে। এর মাধ্যমে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, অতিরিক্ত তাপমাত্রা এবং অন্যান্য চরম আবহাওয়ার প্রভাব মোকাবিলায় ঘরগুলোকে আরও সক্ষম করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দেশব্যাপী আবাসন ক্ষুদ্রঋণের সম্প্রসারণে পিকেএসএফ ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এ জন্য তথ্য ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা উন্নয়ন, দুর্যোগঝুঁকি যাচাই, ঋণ পোর্টফোলিও পর্যবেক্ষণ এবং ডিজিটাল প্রতিবেদন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে আবাসন অর্থায়ন ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।

এডিবির অনুমোদিত অর্থায়নের মধ্যে ৪ কোটি ডলার জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়ন থেকে দেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রকল্পের কারিগরি সহায়তায় আরও ৬ লাখ ডলার অনুদান দেওয়া হবে।

কালেমা পড়ে মৌখিকভাবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন এমপি গাজী নজরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
কালেমা পড়ে মৌখিকভাবে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন এমপি গাজী নজরুল

জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের আলোচিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে কালেমা পড়ে মৌখিকভাবে বিয়ে করেছিলেন বলে ডিবি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। পরে নিজ এলাকায় ওই বিয়ের কাবিন রেজিস্ট্রি করা হয় বলেও তিনি স্বীকার করেছেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় দফার রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, জিজ্ঞাসাবাদে গাজী নজরুল জানান, মামলার বাদী তার পূর্ব আত্মীয় এবং সম্পর্কে ভাগিনা। মরিয়ম তার নাতনি-সম্পর্কের আত্মীয়। ঢাকায় এলে তিনি প্রায়ই বাদীর বাসায় থাকতেন এবং সংসদ সদস্য হিসেবে তার বিভিন্ন কাজকর্ম সেখান থেকেই পরিচালনা করতেন। সেই সূত্রে মরিয়মের সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে এবং গত ১৭ জুন তিনি কালেমা পড়ে মৌখিকভাবে মরিয়মকে বিয়ে করেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, এটি একটি চাঞ্চল্যকর মামলা। রিমান্ডে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। এ অবস্থায় আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হলে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাই তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখা প্রয়োজন।

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুর রহমান জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ২১ সেপ্টেম্বর প্রথম দফায় চার দিনের এবং ২৪ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় আরও চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর ভবনের তৃতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়। মামলায় গ্রেপ্তারের পর মাকসুদা ইসলাম এক দিনের রিমান্ড শেষে ২২ সেপ্টেম্বর এবং ওবায়দুর রহমান ২৩ সেপ্টেম্বর কারাগারে পাঠানো হন।

টেকনাফ সীমান্তে জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, বিজিবির হাতে ২ লাখ পিস উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
টেকনাফ সীমান্তে জেলের ছদ্মবেশে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, বিজিবির হাতে ২ লাখ পিস উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে জেলের ছদ্মবেশে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে ইয়াবা পাচারের সময় ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার সীমান্তবর্তী মেজরের ঘের এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)।

৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, নিয়মিত টহলের সময় উনচিপ্রাং বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৭ থেকে প্রায় ৫০০ মিটার উত্তরে মেজরের ঘের এলাকায় এক ব্যক্তিকে মাথায় মাছভর্তি একটি ক্যারেট নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেখে। বিজিবি সদস্যরা তাকে চ্যালেঞ্জ করলে তিনি ক্যারেটটি ফেলে পাশের গ্রামের দিকে পালিয়ে যান।

পরে বিজিবি সদস্যরা ক্যারেটটি তল্লাশি করে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের বায়ুরোধী প্যাকেটের ২০টি কার্টনে রাখা ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালিয়েও আর কোনো অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ইয়াবা সরবরাহকারী ও এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

হোসেনপুরে বিএমইউজের উদ্যোগে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

এস কে শাহীন নবাব প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে বিএমইউজের উদ্যোগে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

পরিবেশ সুরক্ষা ও সবুজায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএমইউজে) হোসেনপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে দিনব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিএমইউজে হোসেনপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হোসেনপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও ‘জুলাই যোদ্ধা’ শওকত হোসেন।

কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা বিএমইউজের সভাপতি খাইরুল ইসলাম, জেলা প্রতিনিধি মো. আজিজুল হক ফাহিম, হোসেনপুর উপজেলা বিএমইউজের সভাপতি ও ‘দৈনিক নওরোজ’-এর উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক এসকে শাহীন নবাব, ‘দৈনিক কালের নতুন সংবাদ’-এর উপজেলা প্রতিনিধি আতাহার আলী মৃধা, ‘দৈনিক কিশোরগঞ্জ’-এর উপজেলা প্রতিনিধি সনজিৎ শীল, ‘সাপ্তাহিক সুরুক’-এর প্রতিনিধি মো. তাওহীদ হাসান, ‘দৈনিক জনতার শক্তি’-এর বিশেষ প্রতিনিধি মো. সুজন মিয়া ও প্রতিনিধি শাহ আলম মাহাবুব রাজীব, ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও ‘অপরাধ জগত’-এর উপজেলা প্রতিনিধি মো. রাজীব আহমেদ পিয়াস, ‘কালের নতুন সংবাদ’-এর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মো. জাহিদুল ইসলাম এবং ‘এসকে বাংলা টিভি’-এর বিশেষ প্রতিনিধি মো. মোস্তফা আহমেদ ডালিম।

বৃক্ষরোপণকালে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। পরিবেশকে সবুজ ও বাসযোগ্য রাখতে সামাজিক দায়িত্ববোধের অংশ হিসেবে বিএমইউজে হোসেনপুর উপজেলা শাখা নিয়মিত এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

কর্মসূচি শেষে আয়োজকেরা জানান, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় বিএমইউজে ভবিষ্যতেও এ ধরনের পরিবেশবান্ধব ও জনহিতকর কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।