সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩

সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কটিয়াদীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কটিয়াদীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ

পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোববার বিকেলে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনপি ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিকেল থেকেই কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড ও বাজার এলাকায় বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। পরে তাঁরা দলীয় বিভিন্ন স্লোগান নিয়ে বাসস্ট্যান্ড এলাকার পেট্রোল পাম্পের সামনে জড়ো হন। সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

মিছিলটি কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ডের পেট্রোল পাম্পের সামনে থেকে শুরু হয়ে কটিয়াদী বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে দিতে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো অতিক্রম করেন। পরে মিছিলটি উপজেলা কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিল শেষে উপজেলা কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। কর্মসূচিতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দীন। তিনি কেন্দ্রীয় কর্মসূচির প্রেক্ষাপট তুলে ধরে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।

সমাবেশে কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন বক্তব্য দেন। তাঁরা কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও দলীয় অবস্থান তুলে ধরেন।

এ সময় কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান সজল সরকার, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ডা. জহর লাল সাহা, সহসভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, শফিকুর রহমান বাদল, মো. শহিদুল্লাহ ও জসীম উদ্দিন মেনু উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জাইদুল, যুগ্ম সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুব আলম মাসুদ, সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম সেতু, উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম বাবলু, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. জিল্লুর রহমান, সদস্যসচিব আঃ আজিজ প্রিন্স এবং উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তফছিরুল হাসিবসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের মাধ্যমে দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তাঁরা দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সাংগঠনিকভাবে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবেই কটিয়াদীতে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁরা সন্ত্রাস, নৈরাজ্য এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশকে ঘিরে কটিয়াদী বাজার ও উপজেলা কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

কটিয়াদীতে দুই বন্ধুর হট্টগোল, একজন হাসপাতালে অন্যজনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে দুই বন্ধুর হট্টগোল, একজন হাসপাতালে অন্যজনের মৃত্যু

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে গভীর রাতে দুই ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মধ্যে হট্টগোলের ঘটনায় সোহান (২৪) নামে এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। এর কিছু সময় পর শামীম (২৫) নামে অপর বন্ধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁরা দুজনই একই এলাকার বাসিন্দা ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চর-ঝাকালিয়া গ্রামের ইছামুদ্দিন সরকার বাড়ি মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শামীম ওই মসজিদের ইমাম ছিলেন। তিনি একই গ্রামের ফরিদ মিয়ার ছেলে। সোমবার সকালে মসজিদসংলগ্ন একটি ছোট কক্ষ থেকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে গুরুতর আহত সোহানকে প্রথমে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোহান একই গ্রামের মৃত ছইদু মিয়ার ছেলে।

প্রথমে দুই বন্ধুর মধ্যে কী কারণে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, হট্টগোলের পর কোনো কারণে শামীম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে শামীমের পরিবারের দাবি, এটি নিছক আত্মহত্যার ঘটনা নয়; এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য থাকতে পারে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।

সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শামীম ও সোহান দীর্ঘদিন ধরে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। এর আগে তাঁদের মধ্যে কোনো মনোমালিন্য দেখেননি স্থানীয়রা। শামীম স্থানীয় ফেকামারা আলিম মাদ্রাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি ওই মসজিদে ইমামতি করতেন। সোহানের বাড়িও মসজিদসংলগ্ন। দুজনই অবিবাহিত। মাঝেমধ্যে তাঁরা মসজিদসংলগ্ন ওই কক্ষে একসঙ্গে রাতযাপন করতেন।

ঘটনার রাতে ওই কক্ষ থেকে হট্টগোলের শব্দ পান পাশের বাড়ির লোকজন। পরে কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে সোহানকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর শরীর ও গলায় ক্ষতচিহ্ন ছিল। আহত সোহান তাঁদের জানান, শামীম তাঁকে আঘাত করেছেন। পরে তাঁকে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই ঢাকায় পাঠানো হয়।

এর কিছু সময় পর স্থানীয়দের মাধ্যমে হট্টগোলের ঘটনা জানতে পেরে শামীমের বাবা ফরিদ মিয়া মসজিদসংলগ্ন ওই কক্ষে যান। সেখানে তিনি ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে ভোরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

শামীমের বাবা ফরিদ মিয়া ও চাচা আবু তাহের বলেন, শামীম এলাকায় কখনো কারও সঙ্গে ঝগড়া করেননি। সবাই তাঁকে ভালো ছেলে হিসেবে জানেন। তিনি নিজে থেকে আত্মহত্যা করবেন—এটা তাঁরা বিশ্বাস করেন না। ঘটনার পেছনে অন্য কিছু থাকতে পারে বলে তাঁদের সন্দেহ। তাঁরা তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ বের করার দাবি জানান।

আহত সোহানের চাচি স্বপ্না বলেন, প্রতিবেশীদের কাছ থেকে হট্টগোলের শব্দ শুনে তাঁরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সোহানকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁর গলা ও শরীরে ক্ষতচিহ্ন ছিল। সোহান তাঁদের জানান, শামীম তাঁকে আঘাত করেছেন। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁদের দুজনের মধ্যে আগে কোনো বিরোধ ছিল না বলেও জানান তিনি।

জালালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, কী নিয়ে ঘটনাটি ঘটেছে, তা কেউ বলতে পারছেন না। তাঁরাও কোনো ধারণা করতে পারছেন না। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলের আলামত দেখে আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনার বিষয়ে নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আহত বন্ধু সোহানের জবানবন্দি পাওয়া গেলে ঘটনা সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাজিতপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
বাজিতপুরে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে স্ত্রী ঝর্ণা আক্তার (২৭) হত্যা মামলায় স্বামী ইসমাইল ওরফে সাগর মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক সুপ্রিয়া রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি ইসমাইল আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

দণ্ডপ্রাপ্ত ইসমাইল ওরফে সাগর মিয়া বাজিতপুর উপজেলার উত্তর সরারচর গ্রামের মৃত আয়েত আলীর ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই ঝর্ণা আক্তারকে তাঁর স্বামী নির্যাতন করতেন। ২০১৬ সালের ১২ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাবার বাড়িতে রান্না করার সময় স্বামী ইসমাইলের সঙ্গে ঝর্ণার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইসমাইল ছুরি দিয়ে ঝর্ণা আক্তারকে আঘাত করেন।

পরে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় ঝর্ণাকে বাজিতপুরের ভাগলপুর জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের মা জাহেরা বেগম বাদী হয়ে বাজিতপুর থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত ইসমাইল ওরফে সাগর মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা সময়মতো দিতে নির্ভুল পে-রোলের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১১ অপরাহ্ণ
ফ্যামিলি কার্ডের ভাতা সময়মতো দিতে নির্ভুল পে-রোলের নির্দেশ

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের নিয়মিত ও সময়মতো ভাতার অর্থ পৌঁছানো নিশ্চিত করতে প্রতি মাসের ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে শতভাগ নির্ভুল পে-রোল পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তর।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি থেকে সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় ভাতাভোগীদের নিজ নিজ মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাব, টাকাপে (TakaPay) ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে জিটুপ (G2P) পদ্ধতিতে সরাসরি ভাতার অর্থ পাঠানো হচ্ছে।

সঠিক ও প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে সময়মতো ভাতার অর্থ পৌঁছানোর লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রতি মাসের কিস্তির অর্থ পাঠাতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও শহর সমাজসেবা কর্মকর্তাদের নির্ভুল পে-রোল পাঠানো আবশ্যক বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, প্রতি মাসের নির্ধারিত ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে পে-রোল পাঠানোর আগে উপকারভোগীদের মোবাইল ও ব্যাংক হিসাব নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমে (এমআইএস) হালনাগাদ করতে হবে।

এ ছাড়া বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী কোনো উপকারভোগীর মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

চিঠিতে বলা হয়, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির ভাতার অর্থ নিয়মিতভাবে পাঠানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও সমাজসেবা কার্যালয় থেকে প্রতি মাসের ২০ থেকে ২৫ তারিখের মধ্যে উপকারভোগীদের নিজস্ব এমএফএস, টাকাপে ও ব্যাংক হিসাবের অনুকূলে শতভাগ নির্ভুল পে-রোল পাঠানো নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (সামাজিক নিরাপত্তা) মো. মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রটি ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, রংপুর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালকদের কাছে পাঠানো হয়েছে।