এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেতে কিছুটা দেরি হতে পারে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিবদের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। তবে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতনের হিসাব হাতে-কলমে করতে হওয়ায় তাঁদের নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পেতে আরও সময় লাগতে পারে। সম্প্রতি শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল গণমাধ্যমকে বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন। তবে এ ক্ষেত্রে কিছুটা দেরি হতে পারে।
তিনি আরও জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা যাতে দ্রুত নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পান, সে জন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে। কিছুটা দেরি হলেও তাঁরাও নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেতে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ প্রক্রিয়া আগামী বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত গড়াতে পারে। পুরো বিষয়টি নির্ভর করছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের কার্যক্রমের ওপর।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরাও নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন। তবে বিষয়টি এখন আর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে নেই; এটি অর্থ বিভাগের এখতিয়ারাধীন। অর্থ বিভাগ পৃথকভাবে গেজেট জারি করলে শিক্ষক-কর্মচারীরা নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতা পাবেন।
জানা গেছে, নতুন পে-স্কেলের আওতায় এমপিওভুক্ত ৬ লাখ ২ হাজার ৩৫৯ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে আনতে অতিরিক্ত ১৩ হাজার ৩৯২ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হবে ১২ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা। বাকি অর্থ প্রয়োজন হবে পেনশন খাতে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, ২০১৫ সালেও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নে ছয় মাস সময় লেগেছিল। এবার চলতি ডিসেম্বরের মধ্যেই এ সুবিধা চালু করতে অর্থ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় উভয়ই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।










Disqus comments are not configured yet.