বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

৩১ অক্টোবর থেকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
৩১ অক্টোবর থেকে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা

মালয়েশিয়ায় কাজ করতে ইচ্ছুক কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে শুরু হবে। এ জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোতে পরীক্ষা করাতে হবে। নির্ধারিত তারিখের আগে করা কোনো মেডিকেল পরীক্ষা গ্রহণযোগ্য হবে না বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৩১ অক্টোবরের আগে কোনো মেডিকেল পরীক্ষা করা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। এ ধরনের পরীক্ষার ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন ক্লিয়ারেন্সের জন্য প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াকরণও করা হবে না। অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারগুলোর তালিকা শিগগিরই মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, নির্দেশনা পরিপালন ও সক্ষমতার ভিত্তিতে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে তালিকা থেকে কোনো প্রতিষ্ঠান বাদ পড়তে পারে, আবার নতুন প্রতিষ্ঠানও যুক্ত হতে পারে।

মন্ত্রণালয়ের সরকারি নির্দেশনা ও অনুমোদন ছাড়া কোনো মেডিকেল সেন্টার বা রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা করতে বা করাতে পারবে না। তবে কিছু দালাল ও অসাধু রিক্রুটিং এজেন্সি অনুমতি ছাড়াই মেডিকেল পরীক্ষা করানোর কথা বলে কর্মীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও টাকা নেওয়ার চেষ্টা করছে বলে মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে।

এ পরিস্থিতিতে এ ধরনের প্রস্তাবে সাড়া না দিতে কর্মীদের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের অনুমোদন নিশ্চিত না হয়ে কারও কাছে পাসপোর্ট বা টাকা জমা না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিএমইটি ছাড়পত্রের জন্য আবেদনকারী রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও ভিডিআর ভিসার কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

নির্দেশনা অমান্যকারী মেডিকেল সেন্টার ও রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মেডিকেল সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ করা, রিক্রুটিং এজেন্সির বিদেশে কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম স্থগিত করা এবং মন্ত্রণালয়ের দেওয়া অনুমোদন বাতিল করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

এ ছাড়া অবৈধ বা অনুমোদনহীন মেডিকেল পরীক্ষা কিংবা এ ধরনের কার্যক্রমের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণসহ secretary@probashi.gov.bd ইমেইল ঠিকানায় জানানোর জন্য কর্মীদের অনুরোধ করা হয়েছে।

কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বীরত্ব ও আত্মত্যাগে অমর বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
বীরত্ব ও আত্মত্যাগে অমর বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান

মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বকনিষ্ঠ বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ ২৮ অক্টোবর। ১৯৭১ সালের এই দিনে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার দলই সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মেশিনগান পোস্ট অকার্যকর করতে দুঃসাহসিক অভিযান চালিয়ে শহীদ হন তিনি। তাঁর অসীম সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের ফলে মুক্তিযোদ্ধারা দলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখলে সক্ষম হন।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেন হামিদুর রহমান। মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করা হয়। সাত বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে তিনিই সর্বকনিষ্ঠ।

হামিদুর রহমান ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন যশোর জেলার (বর্তমান ঝিনাইদহ) মহেশপুর উপজেলার খোরদা খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা আক্কাস আলী মণ্ডল এবং মা কায়মুন্নেসা। ১৯৭১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। পরে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেন।

১৯৭১ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার দলই সীমান্ত এলাকায় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র যুদ্ধ চলছিল। দলই সীমান্ত ফাঁড়ির একটি মেশিনগান পোস্ট থেকে অবিরাম গুলিবর্ষণের কারণে মুক্তিযোদ্ধাদের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হচ্ছিল। ওই পোস্টটি অকার্যকর করতে ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানের দায়িত্ব নেন সিপাহি হামিদুর রহমান। তিনি প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সি কোম্পানির সদস্য হিসেবে অভিযানে অংশ নেন।

১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর ভোররাতে হামিদুর রহমান পাহাড়ি খাল দিয়ে বুকে ভর করে শত্রুপক্ষের অবস্থানের দিকে এগিয়ে যান। মেশিনগান পোস্ট লক্ষ্য করে পরপর দুটি গ্রেনেড নিক্ষেপ করেন তিনি। এরপর শত্রুপক্ষের গুলিতে আহত হলেও অভিযান থামাননি। মেশিনগান পোস্টের কাছে পৌঁছে পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে হাতাহাতি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে পোস্টটি অকার্যকর করতে সক্ষম হন।

তাঁর এই সাহসী অভিযানের ফলে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিবর্ষণ বন্ধ হয় এবং মুক্তিযোদ্ধারা অগ্রসর হয়ে দলই সীমান্ত ফাঁড়ি দখল করতে সক্ষম হন। তবে সহযোদ্ধাদের বিজয় অর্জনের আগেই প্রাণ হারান হামিদুর রহমান। তাঁর আত্মত্যাগ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অসামান্য বীরত্বের দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।

শহীদ হওয়ার পর হামিদুর রহমানকে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের হাতিমেরছড়া গ্রামের একটি কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়। ১০ ডিসেম্বর দেহাবশেষ গ্রহণের পর ১১ ডিসেম্বর ঢাকার মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে পুনরায় সমাহিত করা হয়।

মহান মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতা, দেশপ্রেম ও সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করা হয়। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার দলই সীমান্ত এলাকায় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে তাঁর বীরত্বগাথা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্মারক রয়েছে।

প্রতিবছর ২৮ অক্টোবর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁর বীরত্ব ও আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। তাঁর জীবন ও যুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের তাৎপর্য উপলব্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

দেশের স্বাধীনতা অর্জনে হামিদুর রহমানের অবদান চিরস্মরণীয়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে জীবন উৎসর্গ করে তিনি প্রমাণ করেছেন, দেশপ্রেম, সাহস ও আত্মত্যাগের কাছে বয়স কোনো বাধা নয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে তাঁর নাম তাই চিরদিন শ্রদ্ধা ও গৌরবের সঙ্গে উচ্চারিত হবে।

যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের হয়ে সাঁতারে লড়বে নিকলীর মাইশা

ক্রীড়া ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৬ অপরাহ্ণ
যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের হয়ে সাঁতারে লড়বে নিকলীর মাইশা

সেনেগালের রাজধানী ডাকারে অনুষ্ঠেয় চতুর্থ যুব অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের হয়ে সাঁতারে অংশ নিতে যাচ্ছেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার মাইশা আক্তার মীম। আন্তর্জাতিক এই ক্রীড়া আসরে তাঁর অংশগ্রহণকে ঘিরে পরিবার, এলাকাবাসী ও নিকলীবাসীর মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি তৈরি হয়েছে।

আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত সেনেগালের ডাকারে অনুষ্ঠিত হবে চতুর্থ যুব অলিম্পিক গেমস। এতে বাংলাদেশের ১০ সদস্যের একটি দল অংশ নেবে। অ্যাথলেটিক্স, বক্সিং ও সাঁতারে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বাংলাদেশের তরুণ ক্রীড়াবিদেরা। দলের সাঁতারু হিসেবে মাইশা আক্তার মীমের পাশাপাশি অংশ নেবেন আবদুল আজিম।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মাইশা আক্তার মীম ২৮ অক্টোবর দুপুর ২টায় সেনেগালের উদ্দেশে বিমানে যাত্রা করে। মাইশা কিশোরগঞ্জের নিকলী সদর ইউনিয়নের কুর্শা পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি নিকলী সদর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্য নাসমিন আক্তারের মেয়ে। তাঁর বাবা মো. বাবুল মিয়া।

যুব অলিম্পিকের মতো আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আসরে অংশ নেওয়া তরুণ ক্রীড়াবিদদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ। এ প্রতিযোগিতায় মাইশার অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের দক্ষতা তুলে ধরার পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ দলের শেফ দ্য মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. দৌলতুজ্জামান খান। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুল ইসলাম ন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির অতিথি হিসেবে দলের সঙ্গে যাবেন।

অ্যাথলেটিকসে শিপন মিয়ার সঙ্গে থাকবেন কোচ মো. আবদুল্লাহ হেল কাফি। বক্সিংয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন নয়ন ত্রিপুরা জানি, তাঁর কোচ মো. আল আমিন। সাঁতার দলের সঙ্গে থাকবেন সাঁতার ফেডারেশনের সদস্য মো. আবুল হোসেন ঢালি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরার প্রত্যাশা নিয়ে মাইশা আক্তার মীমের এই যাত্রা তাঁর পরিবার ও নিজ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। তাঁর অংশগ্রহণ নিকলীর তরুণদের ক্রীড়াঙ্গনে এগিয়ে আসতেও অনুপ্রাণিত করতে পারে।

অষ্টগ্রামে আনন্দ র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

অষ্টগ্রাম প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
অষ্টগ্রামে আনন্দ র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ র‍্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা যুবদল। বুধবার (২৮ অক্টোবর) কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়নের যুবদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে জড়ো হতে থাকেন। তাঁদের হাতে ছিল বিভিন্ন রঙের ব্যানার ও ফেস্টুন। ঢাকঢোলের শব্দে মুখর হয়ে ওঠে কর্মসূচিস্থল।

পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অষ্টগ্রাম কোর্ট বিল্ডিংয়ের সামনে থেকে আনন্দ র‍্যালিটি শুরু হয়। র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সদর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিও পালন করেন যুবদলের নেতাকর্মীরা।

উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আলী রহমান খানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারকে বিতর্কিত করতে একটি গুপ্ত বাহিনী সব সময় চক্রান্ত করছে। এসব চক্রান্ত নস্যাৎ করতে যুবদল সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।

আনন্দ র‍্যালি ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ জেলা যুবদলের সহসভাপতি মাসুদ রেজা চৌধুরী, অষ্টগ্রাম উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোশারফ উদ্দিন হালিমসহ উপজেলা যুবদলের নেতারা এবং বিভিন্ন ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব যুবায়ের হাসান ইয়ামিন, ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জাবেদ মাহমুদ এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরীফ রেজা চৌধুরীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।