রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
[gtranslate]
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচনকালীন অনুমতি ছাড়া ওয়াজ-মাহফিল নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ২:৪৩ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
নির্বাচনকালীন অনুমতি ছাড়া ওয়াজ-মাহফিল নয়

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনুমতি ছাড়া সব ধরনের ধর্মীয় প্রচার (ওয়াজ মাহফিল) আয়োজন নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সুষ্ঠু ভোটগ্রহণকে নিরবচ্ছিন্ন এবং এসব অনুষ্ঠান আয়োজন নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম সচিবকে চিঠি দিয়েছে সাংবিধানিক সংস্থাটি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোতে ইসির জনসংযোগ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে গতকাল সোমবার জানা গেছে।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম ও বেসরকারি টেলিভিশনে সাধারণ নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে নির্বাচনি প্রচারের ক্ষেত্রে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিবকে গতকাল পৃথক আরেকটি চিঠি দিয়েছে ইসি। সংস্থাটির এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইসি সূত্র জানায়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওয়াজ-মাহফিলের ওপর এই নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা থাকবে। তবে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা রিটার্নিং অফিসারের (আরও) সম্মতি নিয়ে এ ধরনের ধর্মীয় প্রচার আয়োজনে অসুবিধা নেই। এসব নির্দেশনা দিয়ে রোববার সব রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, নির্বাচন সামনে রেখে নতুন করে ওয়াজ-মাহফিল আয়োজনের অনুমতি না দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে ইসি। এছাড়া ধর্মীয় অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ রাখার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজনে রিটার্নিং কর্মকর্তার লিখিত অনুমতিসাপেক্ষে আয়োজিত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

ইসির সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছেন আলেম সমাজ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। ইসলামি বক্তা মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজী গণমাধ্যমকে বলেন, শীত মৌসুমে দেশে ব্যাপকভাবে ওয়াজ-মাহফিলের আয়োজন করা হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন একটি মাহফিল সফলভাবে আয়োজনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিয়ে থাকে। হঠাৎ করে সরকারের পক্ষ থেকে মাহফিলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হলে তা চরম বিভ্রান্তি ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে।

তিনি আরো বলেন, বাস্তবতা হলো দেশের হাজারো ওয়াজ-মাহফিলে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতি সত্ত্বেও কোথাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে না। বরং এসব মাহফিল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সামাজিক সৌহার্দ্য এবং এ দেশের মানুষের শান্তিপ্রিয় চরিত্রের এক উজ্জ্বল প্রমাণ। ওয়াজ মাহফিলগুলোতে সাধারণত উন্নত চরিত্র গঠন, মাদক থেকে দূরে থাকা এবং অন্যায় ও গর্হিত কাজ পরিহারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়, যা সমাজকে নৈতিকভাবে সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অতএব, এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয়, যাতে এসব মাহফিল ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ হয়রানির শিকার হয়। আমরা সরকারকে এ ধরনের অপ্রয়োজনীয় বিধিনিষেধ আরোপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

এদিকে, প্রচার-সংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচনি পরিবেশ তৈরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করে নির্বাচনি পরিবেশ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠান, সাক্ষাৎকার, টকশো বা নির্বাচনি সংলাপ পরিবেশনের সময় রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীর প্রতি সমান সুযোগ নিশ্চিত করা; রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ২৫ অনুযায়ী গণমাধ্যমে নির্বাচনি সংলাপ, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থী বা দলের প্রতিনিধি টিভি কর্তৃপক্ষ আয়োজিত সংলাপে অংশ নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে বক্তব্য দিতে পারবেন না। এসব বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়ে নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জে এমপি মাজহারুল ইসলামকে আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে সংবর্ধনা

নূর আহাম্মদ পলাশ প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৫ অপরাহ্ণ
কিশোরগঞ্জে এমপি মাজহারুল ইসলামকে আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে সংবর্ধনা

কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মাজহারুল ইসলামের আগমন উপলক্ষে তাঁকে সংবর্ধনা দিয়েছে আজিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি মো. আমিনুল ইসলাম আশফাক এবং এডহক কমিটির সদস্য মো. খসরুজ্জামান (জিএস শরীফ)।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম মোল্লা।

এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। তাঁর আগমন উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

কটিয়াদীতে সিসা কারখানা চালুর প্রতিবাদে মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০১ অপরাহ্ণ
কটিয়াদীতে সিসা কারখানা চালুর প্রতিবাদে মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর একটি সিসা কারখানা পুনরায় চালুর প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের মধ্যপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

প্রায় দুই ঘণ্টা পর রাত পৌনে ১০টার দিকে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের মধ্যস্থতা এবং জেলা যুবদলের সভাপতি জিএস শরীফ ও কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সহযোগিতায় অবরোধকারীরা মহাসড়ক থেকে সরে যান। পরে ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সিসা কারখানা চালু হলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কারখানাটি স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার দাবি জানান তারা। পাশাপাশি পুনরায় চালুর যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, জনদাবির পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক মাস আগে কারখানাটির কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। শনিবার কারখানাটি পুনরায় চালু করা হলে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বাসিন্দারা মধ্যপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সিসা কারখানা কোনোভাবেই চালু করতে দেওয়া হবে না। কারখানা পুনরায় চালুর উদ্যোগ বন্ধ না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

পরে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, জেলা যুবদলের সভাপতি জিএস শরীফ, কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশ্বাসে অবরোধকারীরা মহাসড়ক থেকে সরে যান। এরপর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগের সঙ্গে একমত নয় কারখানা কর্তৃপক্ষ। কে জি এন্টারপ্রাইজ সিসা কারখানার পরিচালক মো. শাহজাহান বলেন, এটি একটি যৌথ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এখানে প্রতিদিন প্রায় ৫০ জন শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বাংলাদেশ সরকারের অনুমতি নিয়ে সব আইন ও বিধি মেনেই কারখানাটি চালু করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মো. শাহজাহান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা একাধিকবার কারখানাটি পরিদর্শন করেছেন। মেশিন চালিয়ে বিভিন্ন বিষয় যাচাই-বাছাই করার পর প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। সাময়িকভাবে কারখানাটি বন্ধ থাকার পর তারা হাইকোর্টের আদেশ নিয়ে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করেছেন বলেও জানান তিনি।

কারখানাটি পরিবেশ বা সমাজের কোনো ক্ষতি করছে না দাবি করে তিনি বলেন, এটি একটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। সরকারের শিল্পকারখানা রক্ষার নীতির মধ্যে থাকলেও কিছু ব্যক্তি ব্যক্তিস্বার্থে কারখানাটি বন্ধ করার চেষ্টা করছেন। সংসদ সদস্যকে সরেজমিনে কারখানাটি পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কারখানাটি পরিবেশের ক্ষতি করছে—এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে তারা কারখানা বন্ধ করে দেবেন।

এ বিষয়ে কটিয়াদী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, বন্ধ থাকা একটি সিসা কারখানা পুনরায় চালুর প্রতিবাদে এলাকাবাসী মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেছিলেন। পরে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় প্রায় দুই ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।

হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ১,২৩৬

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
হাম ও উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ১,২৩৬

দেশে রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৩৬ জন। রবিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে মারা যাওয়া চার শিশুর মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগের, একজন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং অন্যজন ময়মনসিংহ বিভাগের।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৭ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০১ জন এবং হাম সন্দেহে মারা গেছেন ৯৫৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার ৫৮৯ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ২৫৫ জন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৯৫৬ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।