বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩

‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

দীর্ঘদিনের আলোচনা, বিতর্ক ও শিক্ষার্থী আন্দোলনের পর ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে নিয়ে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ লক্ষ্যে প্রস্তাবিত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠার জন্য প্রণীত অধ্যাদেশের খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।

আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে অধ্যাদেশ জারি হলে বিশ্ববিদ্যালয়টি কার্যক্রম শুরু করবে। তখন ঢাকা কলেজসহ সাতটি সরকারি কলেজ নতুন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংযুক্ত কলেজ হিসেবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। একই সঙ্গে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির নিজস্ব একাডেমিক কার্যক্রমও চালু থাকবে। এতদিন এসব কলেজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ছিল।

গতকাল বৃহস্পতিবার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিদ্ধান্তগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। একই বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছে।

ঢাকার সাত কলেজকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ও একাডেমিক সংকট দীর্ঘদিনের। ২০১৭ সালে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই কলেজগুলোকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। এরপর থেকেই পরীক্ষা, ফল প্রকাশ ও প্রশাসনিক জটিলতায় শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বাড়তে থাকে।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক আন্দোলনের মুখে গত বছরের জানুয়ারিতে সরকার সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি থেকে পৃথক করার ঘোষণা দেয়। পরে এসব কলেজকে একত্র করে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাঠামো নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতভেদ দেখা দেয়। আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অধ্যাদেশের খসড়া পুনর্বিবেচনা ও সংশোধন করে, যা এবার উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, নতুন অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য হলো সাত কলেজকে একটি অভিন্ন একাডেমিক কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক অচলাবস্থা নিরসন।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ সংযুক্ত কলেজ হিসেবে পরিচালিত হবে। তবে প্রতিটি কলেজের স্বকীয়তা, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিকানা অপরিবর্তিত থাকবে।

প্রাথমিক খসড়ায় প্রতিটি কলেজে পৃথক স্কুলভিত্তিক কার্যক্রম চালুর যে প্রস্তাব ছিল, সংশোধিত খসড়ায় তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত খসড়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামোর কথা বলা হয়েছে। এতে আচার্য, উপাচার্য, সিনেট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিল থাকবে। রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সিনেট মনোনীত প্যানেল থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) শিক্ষা, গবেষণা, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শন ও মূল্যায়ন করতে পারবে।

কলা, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন ও চারুকলাসহ বিভিন্ন বিষয়ে পৃথক স্কুল থাকবে, যার নেতৃত্ব দেবেন হেড অব স্কুল। সংযুক্ত কলেজগুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠদান, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত অভিন্ন সময়সূচি অনুযায়ী পরিচালিত হবে।

এসএসসি ও এইচএসসি ফলাফল এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মূল ক্যাম্পাস বা সংযুক্ত কলেজে ভর্তির সুযোগ পাবেন। এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত হবে। পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়নের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ, বর্ণ বা বিশেষ চাহিদার ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য ছাড়াই দেশি ও বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল সুবিধা, ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম পরিচালনার কথাও উল্লেখ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিকল্পনার পাশাপাশি ক্যাম্পাস প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

একই বৈঠকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা সংক্রান্ত ট্রাস্ট অধ্যাদেশের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাবে পরিচালককে স্থায়ী কর্মকর্তা হিসেবে পরিষদের সদস্যসচিব করার বিধান রাখা হয়েছে।

এই দুটি ট্রাস্টের মাধ্যমে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা প্রদান করা হয়, যা পৃথক পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে।

হোসেনপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৮ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের চেষ্টা

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি থাকা অবস্থায় জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী মো. নাজমুল ইসলাম হোসেনপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ আদালতের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আলোকে নোটিশ জারি করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের মেচেড়া (আটকাপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম (৪৮) তার পৈত্রিক সম্পত্তিতে দখল ও বসতঘর নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে থানায় আবেদন করেন।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, একই গ্রামের শহীদ মিয়া, সোহাগ মিয়া, মো. ফজলু গংসহ কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিরোধপূর্ণ জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে এবং তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।

আরও বলা হয়, বিবাদীরা সংঘবদ্ধ হয়ে জমিতে অবৈধভাবে প্রবেশ করে দখল নেওয়া এবং বসতঘর নির্মাণের চেষ্টা চালাচ্ছে। এতে ভুক্তভোগী পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে এবং যেকোনো সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় স্থানীয় কয়েকজনকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যারা অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে পারবেন বলে দাবি করেছেন অভিযোগকারী।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নির্দেশনায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। হোসেনপুর থানা থেকে উভয় পক্ষকে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। নোটিশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, বিরোধপূর্ণ জমিতে কেউ কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা, দখল বা অবৈধ কার্যক্রমে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে অভিযোগ রয়েছে, বিবাদীপক্ষ ওই নির্দেশনা অমান্য করে জোরপূর্বক ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোশাররফ হোসেন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা অবনতিরোধে উভয় পক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টির স্থায়ী সমাধান ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকে।

হোসেনপুরের সন্তান মোশারফ হোসেনের সাটুরিয়া থানার ওসি হিসেবে পদায়ন

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরের সন্তান মোশারফ হোসেনের সাটুরিয়া থানার ওসি হিসেবে পদায়ন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার ৬ নম্বর পুমদী ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী নান্দানিয়া গ্রামের কৃতি সন্তান পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোশারফ হোসেনকে মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

তার এই গুরুত্বপূর্ণ পদায়নে পুমদী ইউনিয়নসহ হোসেনপুর উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে। ইউনিয়নবাসীর পক্ষ থেকে তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

জানা যায়, মোশারফ হোসেন এর আগে মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)-তে ওসি (ডিবি) হিসেবে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশাগত দক্ষতা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।

পুমদী ইউনিয়নবাসী আশা প্রকাশ করেন, তিনি নতুন কর্মস্থল সাটুরিয়া থানায়ও দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

এ সময় তার সার্বিক সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ কর্মজীবনের জন্য দোয়া ও শুভকামনা জানানো হয়।

অমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: ৬,৪৭৬ জনের নাম বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
অমুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: ৬,৪৭৬ জনের নাম বাতিল

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৩৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।

বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রী জানান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এমআইএসে সংরক্ষিত সমন্বিত তালিকা অনুযায়ী এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বিভিন্ন ভাতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত সম্মানি ভাতা বৃদ্ধির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমিনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরও জানান, উপজেলা পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আলাদা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নির্মাণেরও কোনো পরিকল্পনা নেই।

তিনি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সহায়তার জন্য প্রতি বছর চার হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। এছাড়া কোনো মুক্তিযোদ্ধা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে, স্বীকৃত হাসপাতালের বিল মন্ত্রণালয় পরিশোধ করে থাকে।

মন্ত্রী আরও জানান, ‘উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন উপজেলায় অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে।

পৃথক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কোনো গেজেটধারী মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অভিযোগ পাওয়া গেলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) তদন্ত ও শুনানির মাধ্যমে তা যাচাই করে।

অমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

মন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত অমুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত ৮৪২টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে তদন্ত শেষে ৪৮১ জনের গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা বা ভারতীয় তালিকা বাতিল করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জামুকা প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১০৩টি সভার মাধ্যমে মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জনের গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।