বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২
বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩ ১৪৩২

কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশে নীতিগত অনুমোদন

ডেস্ক রিপোর্ট প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০০ পূর্বাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশে নীতিগত অনুমোদন

শারীরিক, মৌখিক, অমৌখিক (ইঙ্গিতপূর্ণ), ডিজিটাল ও অনলাইনে সংঘটিত সব ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপমানজনক আচরণকে যৌন হয়রানি হিসেবে চিহ্নিত করে ‘কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ, ২০২৬’–এর খসড়ায় নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। অধ্যাদেশটি দেশের সব কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম, উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ এবং সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।

খসড়া অধ্যাদেশে যৌন হয়রানির একটি বিস্তৃত সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এতে শারীরিক, মৌখিক, অমৌখিক (ইঙ্গিতপূর্ণ), জেন্ডারভিত্তিক, ডিজিটাল ও অনলাইনে সংঘটিত সব ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপমানজনক আচরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ই-মেইল, মেসেজিং প্ল্যাটফর্মসহ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত হয়রানিকেও এর আওতায় আনা হয়েছে।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, প্রতিটি কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটি গঠন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই কমিটি অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত পরিচালনা, তদন্তকালীন ভুক্তভোগীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং উপযুক্ত শাস্তির সুপারিশ করতে পারবে। অভিযোগ গঠনের ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে।

অভিযোগ দায়েরের কারণে কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক আচরণ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে প্রকৃত ভুক্তভোগীরা নিরুৎসাহিত না হন।

অধ্যাদেশে ভুক্তভোগীদের জন্য আর্থিক সহায়তা, পুনর্বাসন, কাউন্সেলিং, আইনি সহায়তা ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে একটি বিশেষ তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

একই বৈঠকে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশ–এর খসড়াতেও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে শারীরিক, মানসিক, যৌন ও আর্থিক নির্যাতনকে পারিবারিক সহিংসতা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

এ ছাড়া কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের অধ্যাদেশের খসড়া, ২৩ মার্চকে বিএনসিসি দিবস হিসেবে পালন, গায়ানায় বাংলাদেশের মিশন স্থাপন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, বাংলাদেশ প্রাণী ও প্রাণিজাত পণ্য সংরক্ষণ অধ্যাদেশসহ মোট ১১টি বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠকে নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তি সম্পর্কিত জাতিসংঘের কনভেনশন (ক্যাট)-এর ১৪(১) অনুচ্ছেদের অধীনে বাংলাদেশের দেওয়া ঘোষণা প্রত্যাহারের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশকে ১৯৮০ সালের ‘হেগ কনভেনশন অন দ্য সিভিল অ্যাসপেক্টস অব ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ড অ্যাবডাকশন’-এর পক্ষভুক্ত করার প্রস্তাব এবং আমদানিনীতি আদেশ ২০২৫–২০২৮–এর খসড়াও অনুমোদন পায়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, দেশের রপ্তানি সক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে একটি কার্যকর আমদানিনীতি প্রণয়নের ওপর। নতুন নীতির আওতায় তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, জাহাজ নির্মাণ এবং আসবাব শিল্পের মতো রপ্তানিমুখী খাত প্রয়োজনীয় কাঁচামাল শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করতে পারবে, যা রপ্তানি বাড়াতে সহায়ক হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা বাহিনী ধাপে ধাপে মোতায়েনের ফলে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে বলে সরকার আশাবাদী। এখন পর্যন্ত রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রচারণায় সংযম ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কিশোরগঞ্জের গাইটালে আগুন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ পুড়ল ২ দোকান

রেজাউল হক প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
কিশোরগঞ্জের গাইটালে আগুন, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাসহ পুড়ল ২ দোকান

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে যখন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মসজিদে নামাজ ও দোয়া-ইবাদতে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময় কিশোরগঞ্জ শহরের গাইটাল এলাকায় সংঘটিত হয় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। দমকল বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও দুই ব্যবসায়ীর প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ পৌর এলাকার গাইটাল পুকুরপাড়ে ভূঁইয়া প্লাজার দক্ষিণ পাশে অবস্থিত একটি সেমি-পাকা মার্কেটের মেসার্স মোস্তফা ট্রেডার্স এবং বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যার দোকানে আগুন লাগে। এতে দুটি ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা, একটি মোটরসাইকেলসহ দোকান দুটির প্রায় সব মালামাল পুড়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এশার নামাজের পর বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও আলোচনা চলাকালীন সময়ে রাস্তায় চলাচলকারী স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি বন্ধ থাকা দোকানের ভেতরে আগুনের উপস্থিতি টের পান। সঙ্গে সঙ্গে তারা দোকান মালিক ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোকানের শাটারের তালা ভেঙে প্রায় ১৫–২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ খালিদ জানান, ঘটনার সময় দমকল কর্মীরা নামাজ শেষে নামাজের পোশাকেই ছিলেন। গাইটালে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মেসার্স মোস্তফা ট্রেডার্সের মালিক আব্দুল কাদির জানান, তার দোকানে একটি নতুন ও একটি পুরাতন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ছিল, যা সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এছাড়া তার প্রতিবেশী বন্ধু গোলাপের একটি মোটরসাইকেলও আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। দোকানের হিসাব সংক্রান্ত কিছু খাতাও আংশিকভাবে পুড়ে গেছে বলে তিনি জানান।

বিসমিল্লাহ ইলেকট্রিক অ্যান্ড হার্ডওয়্যারের মালিক শরিফুল ইসলাম রুবেল মুঠোফোনে জানান, তার দোকানে থাকা রং, স্যানিটারি পাইপসহ বিভিন্ন ধরনের লোহার সামগ্রী সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এই ঘটনায় তার প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্থানীয়দের কেউ কেউ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের কথা বললেও বাস্তবে মালিকপক্ষ, এলাকাবাসী কিংবা দমকল বাহিনীর কেউই বিষয়টি নিশ্চিত করেননি। জানা যায়, দোকানে কয়েকটি খালি গ্যাস সিলিন্ডার ও ড্রাম ভর্তি টারপিন থাকলেও সেগুলো অক্ষত ছিল।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, বরকতময় এই রজনীতে সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড সত্ত্বেও জানমালের কোনো ক্ষতি হয়নি। ঘটনাস্থলের পাশে একটি বেসরকারি চক্ষু হাসপাতাল, আবাসিক ভবন ও পাকা মার্কেট থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা ছিল।

আগামীতে হয়তো শোনা যাবে জামায়াত স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল: সালাহউদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
আগামীতে হয়তো শোনা যাবে জামায়াত স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল: সালাহউদ্দিন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) আসনের বিএনপি প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগামী দিনে হয়তো এমন কথাও শোনা যাবে—জামায়াতে ইসলামী এ দেশের স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল। বর্তমানে দেশে নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অপচেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চকরিয়ার মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একটি রাজনৈতিক দল—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী—যারা একাত্তরে এই দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে। তাদের দলের আমির যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি; বরং কর্নেল (অব.) অলি আহমদ তা দিয়েছেন—যা সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর।

জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যারা একাত্তরে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তাদের দ্বারা ইতিহাস বিকৃতি অস্বাভাবিক নয়। তবে বাংলাদেশের মানুষ সব জানে। জনগণ জানে, আজ তারা নতুন রূপে নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার যে চেষ্টা করছে, তা সম্পূর্ণ প্রতারণা ও ভণ্ডামি।

জামায়াত সম্পর্কে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দলে যুক্ত করে কার্যত ‘ভাড়া’ করে একটি সাইনবোর্ড দেখাতে চাইছে—যেন তাদেরও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে। ওই মুক্তিযোদ্ধাকে ব্যবহার করে তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে নিজেদের অবস্থান প্রমাণের চেষ্টা করছে। কিন্তু দেশের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা কখনোই এটি মেনে নেবে না। আমরা বিশ্বাস করি, তারা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন।

নারীদের কর্মসংস্থান ধ্বংসের পরিকল্পনা চলছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সম্প্রতি তারা দেশের নারী সমাজকে চরমভাবে অপমান করেছে। কর্মজীবী নারীদের পতিতাদের সঙ্গে তুলনা করে অবমাননাকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এ সময় কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী, মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হেফাজুতুর রহমান চৌধুরী টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমবার কারাবন্দিদের ভোটাধিকার: পোস্টাল ব্যালটে ভোটগ্রহণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
প্রথমবার কারাবন্দিদের ভোটাধিকার: পোস্টাল ব্যালটে ভোটগ্রহণ শুরু

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে কারাবন্দিদের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এই ভোটদান কার্যক্রম আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এদিকে, প্রথমবারের মতো কারাবন্দিদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

এর আগে, গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) থেকে দেশের অভ্যন্তরে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু করে নির্বাচন কমিশন।

ইসি জানায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর পৌঁছানো ব্যালট গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। অভ্যন্তরীণ পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের পাশাপাশি প্রার্থীর নামও উল্লেখ থাকবে।

একই সঙ্গে দেশে ও দেশের বাইরে থাকা মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক ভোটার দেশের ভেতরে অবস্থান করছেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।