সোমবার, ৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩
সোমবার, ৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩

ব্রহ্মপুত্র নদে ভাসমান লাশ উদ্ধার, হোসেনপুরের যুবক ইমনের পরিচয় শনাক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ব্রহ্মপুত্র নদে ভাসমান লাশ উদ্ধার, হোসেনপুরের যুবক ইমনের পরিচয় শনাক্ত

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার এক যুবকের ভাসমান মরদেহ ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ইমন মিয়া (২০) হোসেনপুর পৌরসভার পূর্ব দ্বীপেশর (মীরপাড়া) এলাকার বাসিন্দা এবং মাসুদ মিয়ার ছেলে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে গফরগাঁও উপজেলাপাগলা থানাধীন খুশিরমহাল ব্রিজের নিচে ব্রহ্মপুত্র নদে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে নদীর কিনারায় মরদেহটি আটকে থাকতে দেখে এলাকাবাসী ভিড় জমায়। খবর পেয়ে পাগলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।

পুলিশ জানায়, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল–এর মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে।

এ ঘটনায় এটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ইমন হত্যার বিচার দাবিতে হোসেনপুরে ফের বিক্ষোভ, দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
ইমন হত্যার বিচার দাবিতে হোসেনপুরে ফের বিক্ষোভ, দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে কলেজছাত্র তরিকুল ইসলাম ইমন হত্যার বিচার দাবিতে দ্বিতীয় দফায় বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।

সোমবার (৪ মে) দুপুরে বিক্ষোভ মিছিলটি হোসেনপুর মডেল মসজিদ এলাকা থেকে শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা হাসপাতাল মোড়ে অবস্থান নিয়ে টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। এতে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

পরবর্তীতে হোসেনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রাশেদুল ইসলামের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করেন আন্দোলনকারীরা।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মার্চ রাতে হোসেনপুর বাজার এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী মাসুদ মীরের একমাত্র ছেলে ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম ইমন নিখোঁজ হন। পরদিন (১৭ মার্চ) ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদের খুরশিদ মহল সেতুর নিচ থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা পাগলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে ঘটনার ৪৯ দিন পেরিয়ে গেলেও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের গ্রেফতারে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবার ও স্থানীয়রা।

এর আগে একই দাবিতে গত ৬ এপ্রিল বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

জেলা ছাত্রদল কমিটি ঘিরে বিক্ষোভ: শরিফুল আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
জেলা ছাত্রদল কমিটি ঘিরে বিক্ষোভ: শরিফুল আলমকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

কিশোরগঞ্জে নবগঠিত জেলা ছাত্রদল কমিটিকে ঘিরে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। জেলা বিএনপির সভাপতি শরিফুল আলমের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তাকে জেলায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন বিক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতারা।

সোমবার (৪ মে ২০২৬) দুপুরে ‘সর্বস্তরের মজলুম ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ’-এর ব্যানারে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গৌরাঙ্গবাজার মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, কেন্দ্র থেকে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণার পর অস্বাভাবিকভাবে তা স্থগিত করা হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে কমিটি গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করা হয়। তাদের দাবি, পূর্বে ঘোষিত কমিটির সাধারণ সম্পাদককে বাদ দিয়ে এবং বিভিন্ন মহলের হস্তক্ষেপে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, অতীতে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখা ত্যাগী নেতাকর্মীদের বর্তমান কমিটিতে যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি। তারা রেদোয়ান রহমান ওয়াকিউরের নেতৃত্বে পূর্বের আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে নতুন কমিটিকে “সিন্ডিকেটনির্ভর” আখ্যা দেন এবং তা প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন।

সমাবেশ থেকে বক্তারা জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। একইসঙ্গে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বর্তমান কমিটি বাতিল করে রেদোয়ান রহমান ওয়াকিউরকে পুনর্বহালের দাবি জানান।

এ সময় শরিফুল আলম ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয় এবং তাদের কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানানো হয়।

করিমগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত: মাদক সেবন ও বিক্রির দায়ে কারাদণ্ড

হাবিবুর রহমান বিপ্লব প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
করিমগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালত: মাদক সেবন ও বিক্রির দায়ে কারাদণ্ড

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক ব্যক্তিকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন।

সোমবার (৪ মে) পরিচালিত এ অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারায় গাঁজা সেবন ও বিক্রির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন করিমগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির। অভিযানে করিমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এমরানুল কবির এবং গুজাদিয়া আব্দুল হেকিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল হামিদ ফকির উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় করিমগঞ্জ থানার একটি চৌকস পুলিশ দল আদালত পরিচালনা ও রায় বাস্তবায়নে সহযোগিতা করে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল-আমিন কবির বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও সহযোগিতা অপরিহার্য।”

তিনি আরও জানান, মাদক, মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারি সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে, মাদকবিরোধী এই অভিযানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাধারণ মানুষের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও প্রশংসা লক্ষ্য করা গেছে।