শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

হাওর অঞ্চলের ফসল ও জলবায়ু সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

খায়রুল ইসলাম প্রকাশিত: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৩:১৯ অপরাহ্ণ ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
হাওর অঞ্চলের ফসল ও জলবায়ু সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

হাওর অঞ্চলে অতিবৃষ্টিজনিত ভবিষ্যৎ ফসলহানি কমানো, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা জোরদার, কৃষি ও অবকাঠামোর সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং নারী অধিকার ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে কিশোরগঞ্জ জেলা জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু জোট (জিকা)

সোমবার (১৮ মে) সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের পক্ষে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মিজাবে রহমতের কাছে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করা হয়।

স্মারকলিপিতে হাওর অঞ্চলে জলবায়ুজনিত ঝুঁকি ও অতিবৃষ্টির কারণে সম্ভাব্য ফসলহানি কমাতে সমন্বিত আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা (আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম) শক্তিশালীকরণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, কার্যকর ফসল পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং টেকসই ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ ও পুনর্বাসনের দাবি জানানো হয়।

এছাড়া খাল-নদী ও জলপ্রবাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বৃদ্ধি এবং দ্রুত ফসল সংগ্রহ প্রযুক্তি সম্প্রসারণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

স্মারকলিপিতে হাওর অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ, সাবমারসিবল সড়কের উন্নয়ন, কৃষক কার্ড হালনাগাদ, নারী কৃষকদের স্বীকৃতি প্রদান এবং নারী কৃষক কার্ড চালুর দাবি উত্থাপন করা হয়। পাশাপাশি কৃষি কমিটিতে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় জলবায়ু সহনশীল পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ এবং সরকারি ধান সংগ্রহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।

এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি, হাওর অঞ্চলে সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক সেচ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, স্ট্রিট লাইট ও কমিউনিটি সেবা চালুর দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে “ক্লাইমেট রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড লস প্রিভেনশন ফান্ড” গঠন এবং হাওর অঞ্চলের জন্য পৃথক “ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট হাওর ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান” প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়।

স্মারকলিপিতে জলবায়ু ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা, নারী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু অর্থায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, স্থানীয় জ্ঞান ও কমিউনিটি উদ্ভাবনকে সরকারি পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ এবং নারীদের জন্য বিকল্প জীবিকা ও সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির দাবিও জানানো হয়।

কিশোরগঞ্জ জেলা জেন্ডার সমতা ও জলবায়ু জোটের সভাপতি মোস্তফা কামালের নেতৃত্বে স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সাংবাদিক আলম সারোয়ার টিটু, নারী নেত্রী আতিয়া রহমান, এপিপি অ্যাডভোকেট শাহীনুর কলি (পপি), “সাথী”-এর প্রধান নির্বাহী সাংবাদিক মো. খায়রুল ইসলাম ভূঁইয়া, কালের নতুন সংবাদের সম্পাদক খায়রুল ইসলাম এবং জিকার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ফরিদুল আলমসহ জোটের অন্যান্য সদস্যরা।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হাওর অঞ্চলে অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ফসলহানির ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে। এতে কৃষি, জীবিকা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি, সমন্বিত ও জলবায়ু সহনশীল পরিকল্পনা গ্রহণ সময়ের দাবি।

তারা হাওর অঞ্চলের কৃষি, জীবিকা, অবকাঠামো, নারী অধিকার এবং জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে সরকারের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।

টেস্ট নিউজ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
টেস্ট নিউজ

টেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজটেস্ট নিউজ

কৃষি পুনরুদ্ধারে সরকারি সহায়তা: কটিয়াদীতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল প্রদান

মাইনুল হক মেনু প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
কৃষি পুনরুদ্ধারে সরকারি সহায়তা: কটিয়াদীতে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল প্রদান

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার হাওড়াঞ্চলে সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও খাদ্যশস্য বিতরণ শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

শনিবার (১৩ জুন) সকাল ১১টায় কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রথম পর্যায়ে উপজেলার মুমুরদিয়া ও জালালপুর ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা নগদ অর্থ এবং ১৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরকারের পক্ষ থেকে কটিয়াদী উপজেলার মোট ১ হাজার ৬৫৮ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের জন্য এ মানবিক সহায়তা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত কৃষকদের মাঝেও একই ধরনের সহায়তা বিতরণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানার সভাপতিত্বে এবং জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল আলম রফিকের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, “দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকদের অবদান অপরিসীম। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সরকারের এই সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি আংশিক পুষিয়ে নিয়ে তারা যেন পুনরায় কৃষিকাজে ফিরতে পারেন, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।”

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের যেকোনো সমস্যা দ্রুত প্রশাসনের নজরে আনতে হবে, যাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা সময়মতো নিশ্চিত করা যায়।

সভাপতির বক্তব্যে লাবনী আক্তার তারানা বলেন, “স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। কোনো যোগ্য কৃষক যাতে সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, কটিয়াদী পৌর বিএনপির সভাপতি আশরাফুল হক দাদন, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাজেদুর রহমান সজল সরকার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম এবং মুমুরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলাউদ্দিন সাবেরী।

এ ছাড়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জায়দুল, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মাহবুবুল আলম মাসুদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. ইলিয়াস আলী, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তসরিফুল হাসিবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সহায়তা পাওয়া কৃষকরা জানান, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে তাদের ধান, বীজতলা এবং বিভিন্ন সবজি চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ অবস্থায় সরকারের দেওয়া নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা তাদের পরিবার পরিচালনা এবং নতুন করে কৃষিকাজ শুরু করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের হাতে নগদ অর্থ ও চাল তুলে দেন। পুরো আয়োজনজুড়ে কৃষকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। তারা সরকারের এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও কৃষিখাতে এমন সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

হোসেনপুরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, সবুজায়নে নতুন প্রত্যয়

সঞ্জিত চন্দ্র শীল প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৪:০৬ অপরাহ্ণ
হোসেনপুরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, সবুজায়নে নতুন প্রত্যয়

পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্ভোধন করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, এসময় সাথে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ কিশোরগঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা(উপসচিব) মোছাঃ মোস্তারী কাদেরী। এছাড়াও জেলা পরিষদের কর্মকর্তা কর্মচারী সহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও জনগণের উপস্থিতি ছিল।

শনিবার (১৩ জুন) উপজেলার একটি গ্রামীণ এলাকায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকরা অংশ নেন। এ সময় পরিবেশ রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বজুড়ে পরিবেশগত ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। এই সংকট মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণ এবং বিদ্যমান গাছপালার সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। তারা প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্তত একটি গাছ রোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার আহ্বান জানান।

তারা আরও বলেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না; রোপণকৃত গাছের টেকসই পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমন্বয়ে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করা গেলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা প্রতীকীভাবে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন এবং স্থানীয় জনগণের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, দীর্ঘমেয়াদি এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বনাঞ্চল সম্প্রসারণ, জীববৈচিত্র্যের সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তারা আশাবাদী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এলাকায় সবুজায়ন আন্দোলনের নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি আরও বিস্তৃত আকারে অব্যাহত রাখার দাবি জানান।